১১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
নাৎসি অতীতের গল্প, কিন্তু গল্পটি বলার অধিকার কার? ভারতের এক শহরে প্রযুক্তির এমন এক কর্মক্ষেত্র, যেখানে এখনো মানুষের স্পর্শ অপরিহার্য উচ্চ ঋণের খরচ ও বদলে যাওয়া বিশ্ব অর্থব্যবস্থা হরমুজ প্রণালিতে ‘অদৃশ্য’ তেলবাহী জাহাজ, বাড়ছে ভয়াবহ তেলদূষণের ঝুঁকি তুরস্ক নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ চাইবে যুক্তরাজ্যে বৃষ্টির বিরতি, সপ্তাহান্তে ফিরছে রোদ মোংলায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক আটক ২০২৭ সালে এক বছরের বিরতিতে যাচ্ছে জনপ্রিয় বনরু উৎসব চীনে রেকর্ডসংখ্যক গাড়ি প্রত্যাহার, দরজার নিরাপত্তায় টেসলাসহ ৯ নির্মাতা ব্যর্থ মামলায় প্রিন্স হ্যারিসহ বাদীদের কোটি কোটি পাউন্ড ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

মুজিএফজি-সমর্থিত জলবায়ু ঋণ তহবিলে প্রথম পর্যায়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলার উত্তোলন

অভিযোজন-ভিত্তিক অর্থায়নে নতুন মডেল
জাপানের মিতসুবিশি ইউএফজে ফিন্যান্সিয়াল গ্রুপ (MUFG) ও আন্তর্জাতিক অংশীদাররা যৌথভাবে একটি জলবায়ু ঋণ তহবিল চালু করেছে, যার প্রথম পর্যায়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ হয়েছে। লক্ষ্য ১.৫ বিলিয়ন ডলার। তহবিলের ৭০ শতাংশ ব্যয় হবে অভিযোজন প্রকল্পে—জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনায়; বাকি অংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে।
উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বছরে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু অর্থায়ন ঘাটতি মেটাতে বেসরকারি পুঁজির ভূমিকা ক্রমে অপরিহার্য হয়ে উঠছে। মুজিএফজির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য অভিযোজনকে ‘ব্যাংকযোগ্য’ করা—অর্থাৎ সামাজিক লক্ষ্য বজায় রেখেই বাণিজ্যিক মুনাফার ভারসাম্য রাখা।

পরিধি ও প্রভাব
তহবিল সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে এটি ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের সহায়তা ও বছরে ৩ কোটি টন CO₂ নির্গমন রোধে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মিশ্র অর্থায়ন মডেলের নতুন দিগন্ত খুলছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে। কপ৩০-এর আগে এশীয় নেতৃত্ব হিসেবে জাপানের জলবায়ু অর্থনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা এই উদ্যোগে আরও স্পষ্ট হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

নাৎসি অতীতের গল্প, কিন্তু গল্পটি বলার অধিকার কার?

মুজিএফজি-সমর্থিত জলবায়ু ঋণ তহবিলে প্রথম পর্যায়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলার উত্তোলন

০৫:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

অভিযোজন-ভিত্তিক অর্থায়নে নতুন মডেল
জাপানের মিতসুবিশি ইউএফজে ফিন্যান্সিয়াল গ্রুপ (MUFG) ও আন্তর্জাতিক অংশীদাররা যৌথভাবে একটি জলবায়ু ঋণ তহবিল চালু করেছে, যার প্রথম পর্যায়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ হয়েছে। লক্ষ্য ১.৫ বিলিয়ন ডলার। তহবিলের ৭০ শতাংশ ব্যয় হবে অভিযোজন প্রকল্পে—জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনায়; বাকি অংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে।
উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বছরে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু অর্থায়ন ঘাটতি মেটাতে বেসরকারি পুঁজির ভূমিকা ক্রমে অপরিহার্য হয়ে উঠছে। মুজিএফজির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য অভিযোজনকে ‘ব্যাংকযোগ্য’ করা—অর্থাৎ সামাজিক লক্ষ্য বজায় রেখেই বাণিজ্যিক মুনাফার ভারসাম্য রাখা।

পরিধি ও প্রভাব
তহবিল সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে এটি ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষের সহায়তা ও বছরে ৩ কোটি টন CO₂ নির্গমন রোধে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মিশ্র অর্থায়ন মডেলের নতুন দিগন্ত খুলছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে। কপ৩০-এর আগে এশীয় নেতৃত্ব হিসেবে জাপানের জলবায়ু অর্থনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা এই উদ্যোগে আরও স্পষ্ট হলো।