০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
ঘুমের সমস্যায় কার্যকর সমাধান যোগব্যায়াম? নতুন গবেষণায় মিলছে ইতিবাচক ফল ওভিডের রূপান্তরের মহাকাব্য: শিল্প ও সাহিত্যের চিরন্তন প্রেরণা আজ রাত থেকে Apple, Google, Tesla সহ ১৭ মার্কিন কোম্পানিতে হামলার হুমকি দিল IRGC যুদ্ধের ভয়ে পোষা প্রাণী নিয়ে দেশ ছাড়তে লাখ টাকার খরচ, আকাশছোঁয়া ভাড়া ও অনিশ্চয়তায় বিপাকে প্রবাসীরা যুদ্ধ শেষের আভাসে এশিয়ার শেয়ারবাজারে বিশাল উত্থান — নিক্কেই ৪%, কসপি ৬.৪% বাড়ল মার্কিন পেট্রোলের দাম গ্যালনপ্রতি ৪ ডলার ছাড়াল — ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ ‘নিজেদের তেল নিজেরা নাও’ — মিত্রদের একা ছেড়ে দিলেন ট্রাম্প যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ মধ্যপ্রাচ্যে আরো ৬ হাজার সেনা পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র — USS George H.W. Bush রওয়ানা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘আমরা ছয় মাস যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত, কোনো আলোচনা চলছে না’

নাসার চন্দ্র মিশনের গতি ফেরাতে ‘সবকিছু করবে’ ব্লু অরিজিন”

বিলম্ব কাটিয়ে উঠতে বেসরকারি প্রতিশ্রুতি
আরস টেকনিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্লু অরিজিনের প্রধান নির্বাহী সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন যে প্রতিষ্ঠানটি নাসার আর্টেমিস কর্মসূচির হারিয়ে যাওয়া সময় পুষিয়ে দিতে “আকাশ-জমিন এক করে ফেলবে।” সাম্প্রতিক সময়ে উৎক্ষেপণ বিলম্ব, বাজেট অনিশ্চয়তা আর প্রযুক্তিগত পরীক্ষার ধীরগতির কারণে চাঁদে ফেরার মার্কিন পরিকল্পনার সময়রেখা কিছুটা পিছিয়ে গেছে। নাসা চায় স্পেসএক্স ও ব্লু অরিজিন—দুইটিকেই কার্যকর অবস্থায় রাখতে, যাতে ২০২০-এর দশকের শেষভাগে ধারাবাহিক মিশন চালানো সম্ভব হয়। কিন্তু এর জন্য ব্লু অরিজিনকে শুধু চুক্তি জেতাই নয়, দ্রুত ইঞ্জিন, জ্বালানি স্থানান্তর ব্যবস্থা ও ওরিয়ন মহাকাশযানের সঙ্গে একীভূতকরণের ধাপগুলো দেখাতে হবে। কোম্পানির সাম্প্রতিক ভাষ্য দেখে মনে হচ্ছে, তারা পরীক্ষার গতি ও জনবল দুটোই বাড়াতে যাচ্ছে, যদিও পাশাপাশি নিউ গ্লেন রকেটের বাণিজ্যিক কাজও চলবে। মার্কিন কংগ্রেসও এটাকে নজরে রাখছে—যদি কোনো সরবরাহকারী খুব পিছিয়ে পড়ে, তাহলে আইনপ্রণেতারা নাসাকে অন্যটির ওপর ভর করতে বলতে পারেন; ব্লু অরিজিন সেটিই ঠেকাতে চায়।
দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে টিকিয়ে রাখার লড়াই
এ প্রতিশ্রুতি সামগ্রিক মহাকাশ শিল্পের জন্যও বার্তা বহন করে। এখন আর শুধু সস্তায় সেবা দেওয়ার বিষয় নয়; এখন প্রশ্ন হলো, বেসরকারি কোম্পানিগুলো কি নির্ধারিত সময়ে মানুষবাহী কড়াকড়ি পূরণ করতে পারবে। আর্টেমিস মিশনে কক্ষপথে মিলন, জীবনধারণ ব্যবস্থার সংযুক্তি, চাঁদের পৃষ্ঠে নির্ভুল অভিযান—সব মিলিয়ে আগের কার্গো সরবরাহের চেয়ে অনেক জটিল ধাপ রয়েছে। নাসা চায় অন্তত দুটো বিকল্প সচল রাখতে, যাতে কোনো একটির সমস্যায় পুরো কর্মসূচি থেমে না যায়। ব্লু অরিজিন যদি সময়মতো বিই–৪ ইঞ্জিন ও অবতরণযানের অংশ দেখাতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতের মানব মহাকাশযাত্রায় বহু সরবরাহকারীর ধারণা শক্তিশালী হবে; ব্যর্থ হলে স্পেসএক্সই একক প্রাধান্য পাবে এবং ইউরোপ-জাপান-ইউএইয়ের মতো অংশীদাররাও সে দিকেই ঝুঁকবে। নাসার জন্য এখন প্রতিটি মাস গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দীর্ঘসূত্রতা বাড়লে অবতরণ পরিকল্পনা ২০৩০-এর দিকে গড়াতে পারে, তখন রাজনৈতিক আগ্রহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই ব্লু অরিজিনের “সবকিছু করব” বার্তাটি মূলত এ সময়ের সঙ্কীর্ণ জানালাকে স্বীকার করাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুমের সমস্যায় কার্যকর সমাধান যোগব্যায়াম? নতুন গবেষণায় মিলছে ইতিবাচক ফল

নাসার চন্দ্র মিশনের গতি ফেরাতে ‘সবকিছু করবে’ ব্লু অরিজিন”

১২:০১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

বিলম্ব কাটিয়ে উঠতে বেসরকারি প্রতিশ্রুতি
আরস টেকনিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্লু অরিজিনের প্রধান নির্বাহী সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন যে প্রতিষ্ঠানটি নাসার আর্টেমিস কর্মসূচির হারিয়ে যাওয়া সময় পুষিয়ে দিতে “আকাশ-জমিন এক করে ফেলবে।” সাম্প্রতিক সময়ে উৎক্ষেপণ বিলম্ব, বাজেট অনিশ্চয়তা আর প্রযুক্তিগত পরীক্ষার ধীরগতির কারণে চাঁদে ফেরার মার্কিন পরিকল্পনার সময়রেখা কিছুটা পিছিয়ে গেছে। নাসা চায় স্পেসএক্স ও ব্লু অরিজিন—দুইটিকেই কার্যকর অবস্থায় রাখতে, যাতে ২০২০-এর দশকের শেষভাগে ধারাবাহিক মিশন চালানো সম্ভব হয়। কিন্তু এর জন্য ব্লু অরিজিনকে শুধু চুক্তি জেতাই নয়, দ্রুত ইঞ্জিন, জ্বালানি স্থানান্তর ব্যবস্থা ও ওরিয়ন মহাকাশযানের সঙ্গে একীভূতকরণের ধাপগুলো দেখাতে হবে। কোম্পানির সাম্প্রতিক ভাষ্য দেখে মনে হচ্ছে, তারা পরীক্ষার গতি ও জনবল দুটোই বাড়াতে যাচ্ছে, যদিও পাশাপাশি নিউ গ্লেন রকেটের বাণিজ্যিক কাজও চলবে। মার্কিন কংগ্রেসও এটাকে নজরে রাখছে—যদি কোনো সরবরাহকারী খুব পিছিয়ে পড়ে, তাহলে আইনপ্রণেতারা নাসাকে অন্যটির ওপর ভর করতে বলতে পারেন; ব্লু অরিজিন সেটিই ঠেকাতে চায়।
দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে টিকিয়ে রাখার লড়াই
এ প্রতিশ্রুতি সামগ্রিক মহাকাশ শিল্পের জন্যও বার্তা বহন করে। এখন আর শুধু সস্তায় সেবা দেওয়ার বিষয় নয়; এখন প্রশ্ন হলো, বেসরকারি কোম্পানিগুলো কি নির্ধারিত সময়ে মানুষবাহী কড়াকড়ি পূরণ করতে পারবে। আর্টেমিস মিশনে কক্ষপথে মিলন, জীবনধারণ ব্যবস্থার সংযুক্তি, চাঁদের পৃষ্ঠে নির্ভুল অভিযান—সব মিলিয়ে আগের কার্গো সরবরাহের চেয়ে অনেক জটিল ধাপ রয়েছে। নাসা চায় অন্তত দুটো বিকল্প সচল রাখতে, যাতে কোনো একটির সমস্যায় পুরো কর্মসূচি থেমে না যায়। ব্লু অরিজিন যদি সময়মতো বিই–৪ ইঞ্জিন ও অবতরণযানের অংশ দেখাতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতের মানব মহাকাশযাত্রায় বহু সরবরাহকারীর ধারণা শক্তিশালী হবে; ব্যর্থ হলে স্পেসএক্সই একক প্রাধান্য পাবে এবং ইউরোপ-জাপান-ইউএইয়ের মতো অংশীদাররাও সে দিকেই ঝুঁকবে। নাসার জন্য এখন প্রতিটি মাস গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দীর্ঘসূত্রতা বাড়লে অবতরণ পরিকল্পনা ২০৩০-এর দিকে গড়াতে পারে, তখন রাজনৈতিক আগ্রহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই ব্লু অরিজিনের “সবকিছু করব” বার্তাটি মূলত এ সময়ের সঙ্কীর্ণ জানালাকে স্বীকার করাই।