০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
অস্কারের ইতিহাসে রেকর্ড গড়ল ‘সিনার্স’, ১৬ মনোনয়নে শীর্ষে ভ্যাম্পায়ার থ্রিলার নার্সদের পাশে নেই ইউনিয়ন, পরিচয় রাজনীতির কাছে হার মানল কর্মজীবী নারীর মর্যাদা ওডিশায় যাজকের ওপর হামলা ঘিরে উত্তাল রাজনীতি, ধারাবাহিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় প্রশ্নের মুখে রাজ্য প্রশাসন ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’ ঘিরে দোটানায় দিল্লি, অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণের কূটনীতি ভারতের রব রেইনার: শোবিজে মানবিকতার এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প যা চান, বিশ্বকূটনীতির রাশ তাঁর হাতেই আমেরিকার ২৫০ বছরের ব্যবসায়িক শক্তি যেভাবে বিশ্ব সংস্কৃতি গড়েছে মিত্রতা থেকে মুখ ফেরাল ওয়াশিংটন, কুর্দিদের ছেড়ে নতুন সিরিয়ার পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারপ্রধান ও প্রেস সচিবের বক্তব্যে সন্দেহ অনিবার্য: গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট বাগেরহাটে কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার

চীনের সুপার ক্যারিয়ার ‘ফুজিয়ান’: যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক আধিপত্যে বড় চ্যালেঞ্জ

চীন তাদের তৃতীয় ও সবচেয়ে উন্নত বিমানবাহী রণতরী ‘ফুজিয়ান’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক প্রাধান্যকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। ৮০ হাজার টনের এই সুপার ক্যারিয়ার প্রায় ৬০টি যুদ্ধবিমান বহনে সক্ষম এবং প্রায় ১০টি যুদ্ধজাহাজের সমর্থনে পরিচালিত হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নৌ-ক্ষমতার ব্যবধান আরও কমে আসছে।


চীনের সামরিক শক্তিতে নতুন মাত্রা

চীন ইতোমধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌবাহিনী, বিশাল ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং ২০ লাখ সদস্যের সেনাবাহিনী নিয়ে শক্তিধর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যদিও বিমানবাহী রণতরী প্রযুক্তিতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় পিছিয়ে ছিল, ফুজিয়ান সেই ঘাটতি পূরণ করছে। চীন এখন যুক্তরাষ্ট্রের পর একমাত্র দেশ যারা নিজস্বভাবে ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক ক্যাটাপাল্ট প্রযুক্তি তৈরি ও ব্যবহার করছে।


ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক ক্যাটাপাল্ট: প্রযুক্তিগত লাফ

এই প্রযুক্তি দ্রুতগামী চৌম্বক শক্তির মাধ্যমে যুদ্ধবিমানকে রানওয়ে থেকে মুহূর্তে আকাশে তুলে দেয়। এর ফলে ভারী নজরদারি বিমান, উন্নত যুদ্ধবিমান ও স্টেলথ জেট দ্রুতগতিতে বারবার উড্ডয়ন করতে পারে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজে ফুজিয়ানের ক্যাটাপাল্ট চালানোর বোতাম চাপেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রযুক্তি যুদ্ধ সক্ষমতা দ্বিগুণ থেকে চারগুণ বাড়াতে পারে।


দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ানে কৌশলগত সম্প্রসারণ

ফুজিয়ানের স্ট্রাইক গ্রুপে উন্নত যুদ্ধবিমান, স্টেলথ প্রযুক্তির জেট, আর্লি ওয়ার্নিং বিমান এবং টাইপ-০৫৫ শ্রেণির শক্তিশালী মিসাইল ক্রুজার থাকবে।
এতে চীন তিনটি বড় সুবিধা পাচ্ছে:
১. দক্ষিণ চীন সাগরে চাপ বাড়ানো
২. তাইওয়ানের ওপর অবরোধ চাপের সম্ভাবনা বাস্তবসম্মত করা
৩. প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করা


যুক্তরাষ্ট্র এগিয়েই আছে, তবে ভারসাম্য বদলাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ১১টি কার্যকরী বিমানবাহী রণতরী রয়েছে—সবই পারমাণবিক শক্তিচালিত এবং ফুজিয়ানের চেয়ে বড়। তবে যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বজুড়ে সক্রিয় থাকতে হয়; বিপরীতে চীনের মনোযোগ কেবল এশিয়া অঞ্চলে।
ওয়াশিংটনের কৌশলবিদদের মতে, এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা ভারসাম্য এখন আগের চেয়ে বেশি নাজুক।


লিয়াওনিং থেকে ফুজিয়ান: দ্রুত অগ্রযাত্রা

২০১২ সালের প্রথম ক্যারিয়ার ‘লিয়াওনিং’কে অনেকে সোভিয়েত যুগের পুরানো নকশা মনে করেছিল। ২০১৯ সালে দ্বিতীয় ক্যারিয়ার ‘শানডং’ পুরোপুরি চীনে তৈরি হলেও লিয়াওনিংয়ের নকশাভিত্তিক ছিল।
ফুজিয়ান সম্পূর্ণ নতুন নকশার সুপার ক্যারিয়ার—প্রযুক্তিগতভাবে বিশাল লাফ।
চীনা বিশেষজ্ঞদের দাবি, এর তিনটি ক্যাটাপাল্ট দিনে প্রায় ৩০০টি উড্ডয়ন ঘটাতে সক্ষম, যদিও কিছুজন এটিকে অতিশयोক্তি মনে করেন।


যুদ্ধক্ষেত্রে নজরদারি ও কমান্ড সক্ষমতার উন্নতি

ফুজিয়ানে রয়েছে দীর্ঘ-পাল্লার রাডার, আকাশ-সমুদ্র নজরদারি প্রযুক্তি ও উন্নত কমান্ড ব্যবস্থা। কে-জে-৬০০ বিমান ফুজিয়ানকে দিগন্তের ওপার পর্যন্ত নজরদারি করতে সহায়তা করে, ফলে আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার সমন্বয় দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করা যায়।


‘ক্যারিয়ার কিলার’ দিয়ে নিরাপত্তা বলয় আরও মজবুত

ফুজিয়ানের স্ট্রাইক গ্রুপে থাকা টাইপ-০৫৫ ক্রুজার ‘ক্যারিয়ার কিলার’ নামে পরিচিত YJ-21 হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল বহন করে। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রজোটের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


প্রশান্ত মহাসাগরে ক্ষমতার পালাবদল

১৯৯০-এর দশকে তাইওয়ান সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্র যখন বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছিল, তখন থেকেই চীন ক্যারিয়ার নির্মাণকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেয়।
তাইওয়ানি বিশ্লেষকদের মতে, এখন তাদের দ্বীপের কোনো অংশই পুরোপুরি নিরাপদ নয়। চীন বহুদিন ধরে তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে—ফুজিয়ান সেই সক্ষমতা আরও বাড়াবে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে, চীন ক্যারিয়ার গ্রুপ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সাহায্য ধীর করতে বা বাধা দিতে পারে।


আরেকটি সুপার ক্যারিয়ার কি নির্মাণাধীন?

স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, উত্তরাঞ্চলের একটি ড্রাই ডকে বিশাল আকারের নতুন জাহাজ নির্মাণ শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে—এটি চীনের চতুর্থ ক্যারিয়ার এবং সম্ভবত প্রথম পারমাণবিক শক্তিচালিত ক্যারিয়ার হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সিচুয়ানে চীন ইতোমধ্যে বড় যুদ্ধজাহাজ চালাতে সক্ষম একটি প্রোটোটাইপ রিঅ্যাক্টর তৈরি করেছে। উহানের ক্যারিয়ার মডেলও বড় আকারে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে, যা নতুন সুপার ক্যারিয়ারের ইঙ্গিত দেয়।


বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী দশকের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যারিয়ার সক্ষমতার সমান হতে চীন দৃঢ়ভাবে এগোচ্ছে। ফুজিয়ানের উদ্বোধন সেই লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ।


#চীন #ফুজিয়ান #বিমানবাহী_রণতরী #প্রশান্ত_মহাসাগর #যুক্তরাষ্ট্র_চীন #সামরিক_কৌশল #জিওপলিটিকস #সারাক্ষণ_রিপোর্ট


জনপ্রিয় সংবাদ

অস্কারের ইতিহাসে রেকর্ড গড়ল ‘সিনার্স’, ১৬ মনোনয়নে শীর্ষে ভ্যাম্পায়ার থ্রিলার

চীনের সুপার ক্যারিয়ার ‘ফুজিয়ান’: যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক আধিপত্যে বড় চ্যালেঞ্জ

১২:১৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

চীন তাদের তৃতীয় ও সবচেয়ে উন্নত বিমানবাহী রণতরী ‘ফুজিয়ান’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক প্রাধান্যকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। ৮০ হাজার টনের এই সুপার ক্যারিয়ার প্রায় ৬০টি যুদ্ধবিমান বহনে সক্ষম এবং প্রায় ১০টি যুদ্ধজাহাজের সমর্থনে পরিচালিত হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নৌ-ক্ষমতার ব্যবধান আরও কমে আসছে।


চীনের সামরিক শক্তিতে নতুন মাত্রা

চীন ইতোমধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌবাহিনী, বিশাল ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং ২০ লাখ সদস্যের সেনাবাহিনী নিয়ে শক্তিধর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যদিও বিমানবাহী রণতরী প্রযুক্তিতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় পিছিয়ে ছিল, ফুজিয়ান সেই ঘাটতি পূরণ করছে। চীন এখন যুক্তরাষ্ট্রের পর একমাত্র দেশ যারা নিজস্বভাবে ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক ক্যাটাপাল্ট প্রযুক্তি তৈরি ও ব্যবহার করছে।


ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক ক্যাটাপাল্ট: প্রযুক্তিগত লাফ

এই প্রযুক্তি দ্রুতগামী চৌম্বক শক্তির মাধ্যমে যুদ্ধবিমানকে রানওয়ে থেকে মুহূর্তে আকাশে তুলে দেয়। এর ফলে ভারী নজরদারি বিমান, উন্নত যুদ্ধবিমান ও স্টেলথ জেট দ্রুতগতিতে বারবার উড্ডয়ন করতে পারে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজে ফুজিয়ানের ক্যাটাপাল্ট চালানোর বোতাম চাপেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রযুক্তি যুদ্ধ সক্ষমতা দ্বিগুণ থেকে চারগুণ বাড়াতে পারে।


দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ানে কৌশলগত সম্প্রসারণ

ফুজিয়ানের স্ট্রাইক গ্রুপে উন্নত যুদ্ধবিমান, স্টেলথ প্রযুক্তির জেট, আর্লি ওয়ার্নিং বিমান এবং টাইপ-০৫৫ শ্রেণির শক্তিশালী মিসাইল ক্রুজার থাকবে।
এতে চীন তিনটি বড় সুবিধা পাচ্ছে:
১. দক্ষিণ চীন সাগরে চাপ বাড়ানো
২. তাইওয়ানের ওপর অবরোধ চাপের সম্ভাবনা বাস্তবসম্মত করা
৩. প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করা


যুক্তরাষ্ট্র এগিয়েই আছে, তবে ভারসাম্য বদলাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ১১টি কার্যকরী বিমানবাহী রণতরী রয়েছে—সবই পারমাণবিক শক্তিচালিত এবং ফুজিয়ানের চেয়ে বড়। তবে যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বজুড়ে সক্রিয় থাকতে হয়; বিপরীতে চীনের মনোযোগ কেবল এশিয়া অঞ্চলে।
ওয়াশিংটনের কৌশলবিদদের মতে, এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা ভারসাম্য এখন আগের চেয়ে বেশি নাজুক।


লিয়াওনিং থেকে ফুজিয়ান: দ্রুত অগ্রযাত্রা

২০১২ সালের প্রথম ক্যারিয়ার ‘লিয়াওনিং’কে অনেকে সোভিয়েত যুগের পুরানো নকশা মনে করেছিল। ২০১৯ সালে দ্বিতীয় ক্যারিয়ার ‘শানডং’ পুরোপুরি চীনে তৈরি হলেও লিয়াওনিংয়ের নকশাভিত্তিক ছিল।
ফুজিয়ান সম্পূর্ণ নতুন নকশার সুপার ক্যারিয়ার—প্রযুক্তিগতভাবে বিশাল লাফ।
চীনা বিশেষজ্ঞদের দাবি, এর তিনটি ক্যাটাপাল্ট দিনে প্রায় ৩০০টি উড্ডয়ন ঘটাতে সক্ষম, যদিও কিছুজন এটিকে অতিশयोক্তি মনে করেন।


যুদ্ধক্ষেত্রে নজরদারি ও কমান্ড সক্ষমতার উন্নতি

ফুজিয়ানে রয়েছে দীর্ঘ-পাল্লার রাডার, আকাশ-সমুদ্র নজরদারি প্রযুক্তি ও উন্নত কমান্ড ব্যবস্থা। কে-জে-৬০০ বিমান ফুজিয়ানকে দিগন্তের ওপার পর্যন্ত নজরদারি করতে সহায়তা করে, ফলে আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার সমন্বয় দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করা যায়।


‘ক্যারিয়ার কিলার’ দিয়ে নিরাপত্তা বলয় আরও মজবুত

ফুজিয়ানের স্ট্রাইক গ্রুপে থাকা টাইপ-০৫৫ ক্রুজার ‘ক্যারিয়ার কিলার’ নামে পরিচিত YJ-21 হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল বহন করে। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রজোটের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


প্রশান্ত মহাসাগরে ক্ষমতার পালাবদল

১৯৯০-এর দশকে তাইওয়ান সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্র যখন বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছিল, তখন থেকেই চীন ক্যারিয়ার নির্মাণকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেয়।
তাইওয়ানি বিশ্লেষকদের মতে, এখন তাদের দ্বীপের কোনো অংশই পুরোপুরি নিরাপদ নয়। চীন বহুদিন ধরে তাইওয়ানকে ঘিরে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে—ফুজিয়ান সেই সক্ষমতা আরও বাড়াবে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে, চীন ক্যারিয়ার গ্রুপ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সাহায্য ধীর করতে বা বাধা দিতে পারে।


আরেকটি সুপার ক্যারিয়ার কি নির্মাণাধীন?

স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, উত্তরাঞ্চলের একটি ড্রাই ডকে বিশাল আকারের নতুন জাহাজ নির্মাণ শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে—এটি চীনের চতুর্থ ক্যারিয়ার এবং সম্ভবত প্রথম পারমাণবিক শক্তিচালিত ক্যারিয়ার হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সিচুয়ানে চীন ইতোমধ্যে বড় যুদ্ধজাহাজ চালাতে সক্ষম একটি প্রোটোটাইপ রিঅ্যাক্টর তৈরি করেছে। উহানের ক্যারিয়ার মডেলও বড় আকারে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে, যা নতুন সুপার ক্যারিয়ারের ইঙ্গিত দেয়।


বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী দশকের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যারিয়ার সক্ষমতার সমান হতে চীন দৃঢ়ভাবে এগোচ্ছে। ফুজিয়ানের উদ্বোধন সেই লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ।


#চীন #ফুজিয়ান #বিমানবাহী_রণতরী #প্রশান্ত_মহাসাগর #যুক্তরাষ্ট্র_চীন #সামরিক_কৌশল #জিওপলিটিকস #সারাক্ষণ_রিপোর্ট