০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের মতপার্থক্য, চাপের মুখে ট্রাম্প ঢাকায় সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা অভিযান জোরদার, দুর্ঘটনা কমাতে জনসচেতনতার আহ্বান বইকে নতুনভাবে ভাবার আহ্বান: ঢাকায় শুরু ‘আনলার্নিং দ্য বুক’ প্রদর্শনী ফ্লাইট বাতিলের ধাক্কা: ইন্ডিগোর প্রধান নির্বাহীর পদত্যাগ পুতিনের ইরান নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুমকি, প্রয়োজন কঠোর জবাব যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ব অর্থনীতি চাপে, তেলের দাম বাড়ায় পণ্যের দাম ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা বাগদাদে মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা: যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মাঝেই প্রতিরোধের বার্তা ইরানে যুদ্ধের আগুনে আশা ম্লান, ভয়ের ছায়ায় বন্দি কোটি মানুষ ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে লেবাননে বাস্তুচ্যুত প্রায় ৭ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৪০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪
  • 118

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী ।

 

নেতার অবচেনত মন

নেতার অবচেতন মন নেতৃত্বের ক্ষেত্রে অনেক বড় বিষয় শুধু নয়, কাজেরও  পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও।

মানুষ সাধারণত তার অবচেতন মনকে গুরুত্ব দেয় না। অথচ একটু ভাবলেই বোঝা যায়, অবচেতন মন মূলত একটি আলাদা স্থির চিন্তার অবস্থান। যেখান অস্তিরতা কম।

তাই কোন বিষয় যদি অবচেতন মনে জাগে তাহলে সেটাকে ফেলে দেবার কোন সুযোগ নেই। বরং তার থেকে গ্রহন করার জন্যে কতকগুলো দিক চিন্তা করা উচিত।

১, প্রথমেই ধরে নিতে হয় অবেচতন মনে যা জেগেছে তা মূলত মূল চিন্তারই একটি অংশ।

২. অনেক সময় যে কোন কুসংস্কারের কারণে অবচেতন মনের চিন্তাকে ভিন্ন অর্থ করা হয়। বিজ্ঞান ভিত্তিক চিন্তায় অবশ্য তার কোন স্থান নেই।

৩. অবশ্যই সব সময়ে যে চিন্তাটি সামনে আসছে বা করা হচ্ছে তার সঙ্গে অবেচতন মনে কী চিন্তা এসেছে তারা চরিত্র ও ফলকে অবশ্যই মেলাতে হবে।

৪. মনে রাখতে হয়, একজন মানুষের ভেতর অর্থাত্‌ তার চিন্তার ভেতর এত বেশি সংখ্যক মানুষ থাকে যে একজন মানুষ আসলে অনেক মানুষ। আর যিনি নেতা তিনি অবশ্যই অনেক মানুষ। কখনই তিনি একজন নন।

৫. নেতার দল বা টিমের সদস্যরাও অবচেতনভাবে অনেক কিছু ভাবতে পারেন। সেগুলোর যে অংশ তার ব্যক্তিগত নয় কাজের সঙ্গে সংশ্লষ্টি সেটাও নেতাকে ভাবতে হবে।

তবে তার মানে এই নয় নেতা ভাবুক

নেতা অবশ্যই চিন্তাশীল, তবে কখনই নেতা ভাবুক নন, তিনি কর্মী, এমনকি শুধু কর্মী নন, কর্মী সৃষ্টিকারী। যে কারণে নেতার কল্পনার দৈর্ঘ্য অনেক লম্বা থাকবে ঠিকই -তবে তিনি কল্পনায় ভেসে যাওয়া একজন ভাবুক নন, তিনি বাস্তবের ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের যে রূপরেখা তৈরি করেন।একে সাধারণমানুষ কল্পনা মনে করে ভুল করতে পারেন।

ভবিষ্যতের রূপরেখা কেমন হতে পারে

ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করা যায় কিন্তু প্রকৃত ভবিষ্যতকে কখনও জানা যায় না। তাই নেতাকে দুটো বিষয় পাশাপাশি মনে রাখতে হয়-

এক, তিনি যতটা সম্ভব বর্তমানের বাস্তবের ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করবেন

দুই, তার ভবিষ্যতের রূপরেখা অবশ্যই পরিবর্তনশীল স্রোতের ওপর দাঁড়ানো থাকবে।কারণ, বর্তমান যে স্রোতের ধারায় ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলে সেখানে প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তন থাকে।

 

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৩৯)

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৩৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের মতপার্থক্য, চাপের মুখে ট্রাম্প

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৪০)

০৯:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী ।

 

নেতার অবচেনত মন

নেতার অবচেতন মন নেতৃত্বের ক্ষেত্রে অনেক বড় বিষয় শুধু নয়, কাজেরও  পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও।

মানুষ সাধারণত তার অবচেতন মনকে গুরুত্ব দেয় না। অথচ একটু ভাবলেই বোঝা যায়, অবচেতন মন মূলত একটি আলাদা স্থির চিন্তার অবস্থান। যেখান অস্তিরতা কম।

তাই কোন বিষয় যদি অবচেতন মনে জাগে তাহলে সেটাকে ফেলে দেবার কোন সুযোগ নেই। বরং তার থেকে গ্রহন করার জন্যে কতকগুলো দিক চিন্তা করা উচিত।

১, প্রথমেই ধরে নিতে হয় অবেচতন মনে যা জেগেছে তা মূলত মূল চিন্তারই একটি অংশ।

২. অনেক সময় যে কোন কুসংস্কারের কারণে অবচেতন মনের চিন্তাকে ভিন্ন অর্থ করা হয়। বিজ্ঞান ভিত্তিক চিন্তায় অবশ্য তার কোন স্থান নেই।

৩. অবশ্যই সব সময়ে যে চিন্তাটি সামনে আসছে বা করা হচ্ছে তার সঙ্গে অবেচতন মনে কী চিন্তা এসেছে তারা চরিত্র ও ফলকে অবশ্যই মেলাতে হবে।

৪. মনে রাখতে হয়, একজন মানুষের ভেতর অর্থাত্‌ তার চিন্তার ভেতর এত বেশি সংখ্যক মানুষ থাকে যে একজন মানুষ আসলে অনেক মানুষ। আর যিনি নেতা তিনি অবশ্যই অনেক মানুষ। কখনই তিনি একজন নন।

৫. নেতার দল বা টিমের সদস্যরাও অবচেতনভাবে অনেক কিছু ভাবতে পারেন। সেগুলোর যে অংশ তার ব্যক্তিগত নয় কাজের সঙ্গে সংশ্লষ্টি সেটাও নেতাকে ভাবতে হবে।

তবে তার মানে এই নয় নেতা ভাবুক

নেতা অবশ্যই চিন্তাশীল, তবে কখনই নেতা ভাবুক নন, তিনি কর্মী, এমনকি শুধু কর্মী নন, কর্মী সৃষ্টিকারী। যে কারণে নেতার কল্পনার দৈর্ঘ্য অনেক লম্বা থাকবে ঠিকই -তবে তিনি কল্পনায় ভেসে যাওয়া একজন ভাবুক নন, তিনি বাস্তবের ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের যে রূপরেখা তৈরি করেন।একে সাধারণমানুষ কল্পনা মনে করে ভুল করতে পারেন।

ভবিষ্যতের রূপরেখা কেমন হতে পারে

ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করা যায় কিন্তু প্রকৃত ভবিষ্যতকে কখনও জানা যায় না। তাই নেতাকে দুটো বিষয় পাশাপাশি মনে রাখতে হয়-

এক, তিনি যতটা সম্ভব বর্তমানের বাস্তবের ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করবেন

দুই, তার ভবিষ্যতের রূপরেখা অবশ্যই পরিবর্তনশীল স্রোতের ওপর দাঁড়ানো থাকবে।কারণ, বর্তমান যে স্রোতের ধারায় ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলে সেখানে প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তন থাকে।

 

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৩৯)

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৩৯)