১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
পি চিদাম্বরমের লেখাঃ শুধু ভবিষ্যতের ভারত নয়, গ্লোবাল সাউথের চিত্র মাছের প্রাণঘাতী ভাইরাস ঠেকাতে মুখে খাওয়ানো টিকা, খামারি শিল্পে নতুন সম্ভাবনা এলিট কমান্ডো ব্যাটালিয়নের অনন্য কীর্তি, টানা ২৩ বছর সেরা যুদ্ধ ইউনিট সিঙ্গাপুরে সাগরের বিস্ময় দেখে উচ্ছ্বসিত শিশুরা, আনন্দভ্রমণে পেল নতুন অভিজ্ঞতা প্রতারকদের নতুন ফাঁদ: সরকারি কর্মকর্তার পরিচয়ে ঋণ নিতে বাধ্য, তারপরই লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চক্র বাংলাদেশের মতোই সিঙ্গাপুরেও বর্ষায় সৈকতে বাড়ে আবর্জনা, সবচেয়ে বেশি ভাসে ইস্ট কোস্ট পার্কে আজকের মহামারির লড়াইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সংক্রামক রোগ নজরদারিতে নতুন যুগের সূচনা দক্ষিণ কোরিয়া–জাপানের নতুন অঙ্গীকার, কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার বার্তা গবেষণা: কিশোর ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় দ্বিগুণ শারীরিক শাস্তি পায়, পারিবারিক বিশ্বাসই বড় কারণ অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে আরও কঠোর আইন, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জরিমানা দ্বিগুণ

জেমস ক্যামেরনকে নিয়ে বিলি আইলিশের নতুন বাজি, আসছে ৩ডি কনসার্ট ফিল্ম

স্টেডিয়াম ট্যুর থেকে বড় পর্দায়

নিজের সাম্প্রতিক বিশ্বভ্রমণী ট্যুর ‘হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট’–কে এবার ৩ডি কনসার্ট ফিল্মে রূপ দিচ্ছেন পপ তারকা বিলি আইলিশ। মার্চ ২০২৬–এ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাওয়া এই ছবিতে থাকছে সরাসরি পারফরম্যান্স, ভিড়ের ভেতর থেকে নেওয়া ক্যামেরা শট আর মঞ্চের আলো–সাউন্ডের নিবিড় অভিজ্ঞতা। কেবল ৩ডি নয়, সাধারণ প্রেক্ষাগৃহেও এমনভাবে সাউন্ড মিক্স ও এডিট করা হচ্ছে, যাতে দর্শক অন্তত কিছুটা হলেও লাইভ স্টেডিয়াম শোর মতো অনুভব পান। দীর্ঘ দিন ধরে নিজের অ্যালবাম আর মিউজিক ভিডিওর ভিজ্যুয়াল ভাষায় গভীরভাবে যুক্ত থাকা আইলিশ এবার পরিচালক হিসেবেও পূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাঁর সঙ্গে আছেন প্রযুক্তিনির্ভর ব্লকবাস্টারের কিংবদন্তি নির্মাতা জেমস ক্যামেরন, যিনি এই প্রকল্পে সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বব্যাপী কনসার্ট ফিল্মের জনপ্রিয়তা নতুন করে বেড়েছে। অতি চড়া টিকিটমূল্য, সীমিত আসন আর ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে অনেক ভক্তই প্রিয় শিল্পীর স্টেডিয়াম শো সরাসরি দেখতে না পেরে হলে গিয়ে কনসার্ট ফিল্ম দেখাকে বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। অন্যদিকে স্টুডিওগুলোর জন্য এ ধরনের ছবি তুলনামূলক কম ঝুঁকির; আগেই গড়ে ওঠা ফ্যানবেস থাকায় প্রচারণা সহজ হয়, আর মার্চেন্ডাইজ ও অ্যালবাম বিক্রিও নতুন গতি পায়। শিল্পীরাও বুঝতে পেরেছেন, সঠিক পরিকল্পনায় কনসার্ট ফিল্ম ট্যুর শেষ হওয়ার পরও তাদের সঙ্গীতকে নতুন করে জীবিত রাখে। বিলি আইলিশের নতুন ছবি ৩ডি ফরম্যাটে তৈরি হওয়ায় এই ধারাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে; আবারও প্রশ্ন উঠছে, বড় পর্দা কি ভবিষ্যতে লাইভ পারফরম্যান্সের এক স্থায়ী ঘর হয়ে উঠতে পারে? যদি দর্শকের সাড়া ইতিবাচক হয়, তবে আরও অনেক পপ তারকাকে হয়তো দেখা যাবে নিজেদের ট্যুরকে সিনেমাটিক অভিজ্ঞতায় রূপ দিতে, যেখানে কনসার্ট, ডকুমেন্টারি আর ভিজ্যুয়াল আর্টের সীমানা ধীরে ধীরে মুছে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পি চিদাম্বরমের লেখাঃ শুধু ভবিষ্যতের ভারত নয়, গ্লোবাল সাউথের চিত্র

জেমস ক্যামেরনকে নিয়ে বিলি আইলিশের নতুন বাজি, আসছে ৩ডি কনসার্ট ফিল্ম

০৩:২১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

স্টেডিয়াম ট্যুর থেকে বড় পর্দায়

নিজের সাম্প্রতিক বিশ্বভ্রমণী ট্যুর ‘হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট’–কে এবার ৩ডি কনসার্ট ফিল্মে রূপ দিচ্ছেন পপ তারকা বিলি আইলিশ। মার্চ ২০২৬–এ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাওয়া এই ছবিতে থাকছে সরাসরি পারফরম্যান্স, ভিড়ের ভেতর থেকে নেওয়া ক্যামেরা শট আর মঞ্চের আলো–সাউন্ডের নিবিড় অভিজ্ঞতা। কেবল ৩ডি নয়, সাধারণ প্রেক্ষাগৃহেও এমনভাবে সাউন্ড মিক্স ও এডিট করা হচ্ছে, যাতে দর্শক অন্তত কিছুটা হলেও লাইভ স্টেডিয়াম শোর মতো অনুভব পান। দীর্ঘ দিন ধরে নিজের অ্যালবাম আর মিউজিক ভিডিওর ভিজ্যুয়াল ভাষায় গভীরভাবে যুক্ত থাকা আইলিশ এবার পরিচালক হিসেবেও পূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাঁর সঙ্গে আছেন প্রযুক্তিনির্ভর ব্লকবাস্টারের কিংবদন্তি নির্মাতা জেমস ক্যামেরন, যিনি এই প্রকল্পে সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বব্যাপী কনসার্ট ফিল্মের জনপ্রিয়তা নতুন করে বেড়েছে। অতি চড়া টিকিটমূল্য, সীমিত আসন আর ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে অনেক ভক্তই প্রিয় শিল্পীর স্টেডিয়াম শো সরাসরি দেখতে না পেরে হলে গিয়ে কনসার্ট ফিল্ম দেখাকে বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। অন্যদিকে স্টুডিওগুলোর জন্য এ ধরনের ছবি তুলনামূলক কম ঝুঁকির; আগেই গড়ে ওঠা ফ্যানবেস থাকায় প্রচারণা সহজ হয়, আর মার্চেন্ডাইজ ও অ্যালবাম বিক্রিও নতুন গতি পায়। শিল্পীরাও বুঝতে পেরেছেন, সঠিক পরিকল্পনায় কনসার্ট ফিল্ম ট্যুর শেষ হওয়ার পরও তাদের সঙ্গীতকে নতুন করে জীবিত রাখে। বিলি আইলিশের নতুন ছবি ৩ডি ফরম্যাটে তৈরি হওয়ায় এই ধারাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে; আবারও প্রশ্ন উঠছে, বড় পর্দা কি ভবিষ্যতে লাইভ পারফরম্যান্সের এক স্থায়ী ঘর হয়ে উঠতে পারে? যদি দর্শকের সাড়া ইতিবাচক হয়, তবে আরও অনেক পপ তারকাকে হয়তো দেখা যাবে নিজেদের ট্যুরকে সিনেমাটিক অভিজ্ঞতায় রূপ দিতে, যেখানে কনসার্ট, ডকুমেন্টারি আর ভিজ্যুয়াল আর্টের সীমানা ধীরে ধীরে মুছে যাবে।