১১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬
চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম ‘সবাইকে হত্যা করতে হবে’— প্রতিশোধের নামে সহিংসতার পক্ষে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর উসকানি, আতঙ্কে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা এমঅ্যান্ডএসে খোলা-অংশের অন্তর্বাস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক: ‘চমক’ নাকি বদলে যাওয়া বাজারের বাস্তবতা? প্রতিশোধের নামে হত্যার আহ্বান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির বাসিন্দার বিস্ফোরক মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ট্রাম্পের নতুন নিশানায় ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’: ইরানের গোপন পারমাণবিক ঘাঁটি নিয়ে কেন বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা? ট্রাম্পের অভিযোগ ভেঙে পড়ল, আদালতে সরকারের স্বীকারোক্তি: ভাঙচুর নয়, তড়িঘড়ি মেরামতের ভুলেই ক্ষতিগ্রস্ত লিংকন রিফ্লেক্টিং পুল গোলাপি ডোরাকাটা রহস্যের অবসান: ৪০ বছরের অনুসন্ধানে মিলল সমুদ্রের নতুন শৈবাল প্রজাতি মৃত্যুর দিকে ছুটে চলা জীবনে থামার সময় কি এখনও আসেনি? প্যাক্স সিলিকা: কর্মসংস্থান নাকি নতুন নির্ভরতা? ফিলিপাইনের সামনে সুযোগের পাশাপাশি বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরের ঢাকা সফর শেষ, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৪)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • 163

এই ক্যাম্পেনের সময় ৪৯০তম বিএস স্টিলওয়েলের বাহিনীকে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে- নিম্ন উচ্চতায় উড়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য দেয়।

১৯৪৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বার্মা থেকে লেজ গুটিয়ে চলে আসার প্রায় বছর দেড়েক বাদে জেনারেল স্টিলওয়েল ‘বদলা নিতে’ উত্তর বার্মায় জাপানিদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেনে নামেন। তাঁর বাহিনী, “দশম-ফোর্স’, ছিল প্রধানত মার্কিনদের কাছ থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত চীনা সৈনিকদের নিয়ে গঠিত সেনাদল। তদুপরি, ভারতীয়, ব্রিটিশ ও মার্কিন সৈনিকরাও জেনারেলের বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই রণসজ্জা বা ক্যাম্পেনের মূল লক্ষ্য ছিল: উত্তর বার্মার “মিয়িতকিনিয়া” শহরে অবস্থিত জাপানিদের প্রধান ক্যাম্প হস্তগত করা। শহরটি হস্তগত করতে পারলে, মার্কিনদের পরিকল্পিত ‘বার্মা টু চীন’ স্থলপথ পুনরায় খুলে দেয়া সম্ভব হবে। ফলস্বরূপ, তাই স্টিলওয়েলের বাহিনী ‘হয় এসপার-নয় ওসপার’ নীতিতে জাপানি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

এবং অবশেষে, প্রায় দেড় বছর পূর্বে জাপানি বাহিনীর কাছে “গো হারা হেরে যাওয়া” জেনারেলের আত্মশ্লাঘা প্রশমিত হওয়ার ঘটনা ঘটতে থাকে, তাঁর বাহিনী ১৯৪৪ সালের মে মাসের দিকে “মিয়িটকিয়িনিয়া” শহরটিকে অবরোধ শুরু করে। এই ক্যাম্পেনের সময় ৪৯০তম বিএস স্টিলওয়েলের বাহিনীকে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে- নিম্ন উচ্চতায় উড়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য দেয়।

স্মৃতির পাতা থেকে ইভো তার জীবনে আকাশ-যুদ্ধের প্রথম অভিজ্ঞতার কাহিনি বলেন: “আমার তৃতীয় মিশনের টাগেটের অবস্থান ছিল আরো খানিকটা দক্ষিণে- জাপানিরা যেখানে আরো অধিক সংখ্যক স্থলবাহিনীর জোয়ানদের জড় করেছে, সেখানে। এই জোয়ানদের নিরাপত্তাবিধানের জন্য জাপানিরা ‘জিরোস ও বেটিস’-এর সমাবেশ রাখে- মিত্রবাহিনীর নিত্যদিনের পরিভাষায় জাপানিদের দুর্ধর্ষ ‘ফাইটার ও বোমারু বিমানকে’ ‘জিরোস ও বেটিস’ (‘Zeros and Bettys’) নামে ডাকা হতো। এইখানেই, ঝুলন্ত আগুন কি আর কাহাকে বলে বিষয়ে আমার প্রথম অভিসিঞ্চন হয়।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৩)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শতাব্দী পর ফিরল প্রকৃতির হারানো সন্তান, গ্লেন অ্যাফ্রিকে জন্ম নিল বুনো বিভারের নতুন প্রজন্ম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৪)

০৯:০০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

এই ক্যাম্পেনের সময় ৪৯০তম বিএস স্টিলওয়েলের বাহিনীকে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে- নিম্ন উচ্চতায় উড়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য দেয়।

১৯৪৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বার্মা থেকে লেজ গুটিয়ে চলে আসার প্রায় বছর দেড়েক বাদে জেনারেল স্টিলওয়েল ‘বদলা নিতে’ উত্তর বার্মায় জাপানিদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেনে নামেন। তাঁর বাহিনী, “দশম-ফোর্স’, ছিল প্রধানত মার্কিনদের কাছ থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত চীনা সৈনিকদের নিয়ে গঠিত সেনাদল। তদুপরি, ভারতীয়, ব্রিটিশ ও মার্কিন সৈনিকরাও জেনারেলের বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই রণসজ্জা বা ক্যাম্পেনের মূল লক্ষ্য ছিল: উত্তর বার্মার “মিয়িতকিনিয়া” শহরে অবস্থিত জাপানিদের প্রধান ক্যাম্প হস্তগত করা। শহরটি হস্তগত করতে পারলে, মার্কিনদের পরিকল্পিত ‘বার্মা টু চীন’ স্থলপথ পুনরায় খুলে দেয়া সম্ভব হবে। ফলস্বরূপ, তাই স্টিলওয়েলের বাহিনী ‘হয় এসপার-নয় ওসপার’ নীতিতে জাপানি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

এবং অবশেষে, প্রায় দেড় বছর পূর্বে জাপানি বাহিনীর কাছে “গো হারা হেরে যাওয়া” জেনারেলের আত্মশ্লাঘা প্রশমিত হওয়ার ঘটনা ঘটতে থাকে, তাঁর বাহিনী ১৯৪৪ সালের মে মাসের দিকে “মিয়িটকিয়িনিয়া” শহরটিকে অবরোধ শুরু করে। এই ক্যাম্পেনের সময় ৪৯০তম বিএস স্টিলওয়েলের বাহিনীকে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে- নিম্ন উচ্চতায় উড়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য দেয়।

স্মৃতির পাতা থেকে ইভো তার জীবনে আকাশ-যুদ্ধের প্রথম অভিজ্ঞতার কাহিনি বলেন: “আমার তৃতীয় মিশনের টাগেটের অবস্থান ছিল আরো খানিকটা দক্ষিণে- জাপানিরা যেখানে আরো অধিক সংখ্যক স্থলবাহিনীর জোয়ানদের জড় করেছে, সেখানে। এই জোয়ানদের নিরাপত্তাবিধানের জন্য জাপানিরা ‘জিরোস ও বেটিস’-এর সমাবেশ রাখে- মিত্রবাহিনীর নিত্যদিনের পরিভাষায় জাপানিদের দুর্ধর্ষ ‘ফাইটার ও বোমারু বিমানকে’ ‘জিরোস ও বেটিস’ (‘Zeros and Bettys’) নামে ডাকা হতো। এইখানেই, ঝুলন্ত আগুন কি আর কাহাকে বলে বিষয়ে আমার প্রথম অভিসিঞ্চন হয়।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৩)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৩)