০৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৪)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • 141

এই ক্যাম্পেনের সময় ৪৯০তম বিএস স্টিলওয়েলের বাহিনীকে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে- নিম্ন উচ্চতায় উড়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য দেয়।

১৯৪৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বার্মা থেকে লেজ গুটিয়ে চলে আসার প্রায় বছর দেড়েক বাদে জেনারেল স্টিলওয়েল ‘বদলা নিতে’ উত্তর বার্মায় জাপানিদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেনে নামেন। তাঁর বাহিনী, “দশম-ফোর্স’, ছিল প্রধানত মার্কিনদের কাছ থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত চীনা সৈনিকদের নিয়ে গঠিত সেনাদল। তদুপরি, ভারতীয়, ব্রিটিশ ও মার্কিন সৈনিকরাও জেনারেলের বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই রণসজ্জা বা ক্যাম্পেনের মূল লক্ষ্য ছিল: উত্তর বার্মার “মিয়িতকিনিয়া” শহরে অবস্থিত জাপানিদের প্রধান ক্যাম্প হস্তগত করা। শহরটি হস্তগত করতে পারলে, মার্কিনদের পরিকল্পিত ‘বার্মা টু চীন’ স্থলপথ পুনরায় খুলে দেয়া সম্ভব হবে। ফলস্বরূপ, তাই স্টিলওয়েলের বাহিনী ‘হয় এসপার-নয় ওসপার’ নীতিতে জাপানি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

এবং অবশেষে, প্রায় দেড় বছর পূর্বে জাপানি বাহিনীর কাছে “গো হারা হেরে যাওয়া” জেনারেলের আত্মশ্লাঘা প্রশমিত হওয়ার ঘটনা ঘটতে থাকে, তাঁর বাহিনী ১৯৪৪ সালের মে মাসের দিকে “মিয়িটকিয়িনিয়া” শহরটিকে অবরোধ শুরু করে। এই ক্যাম্পেনের সময় ৪৯০তম বিএস স্টিলওয়েলের বাহিনীকে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে- নিম্ন উচ্চতায় উড়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য দেয়।

স্মৃতির পাতা থেকে ইভো তার জীবনে আকাশ-যুদ্ধের প্রথম অভিজ্ঞতার কাহিনি বলেন: “আমার তৃতীয় মিশনের টাগেটের অবস্থান ছিল আরো খানিকটা দক্ষিণে- জাপানিরা যেখানে আরো অধিক সংখ্যক স্থলবাহিনীর জোয়ানদের জড় করেছে, সেখানে। এই জোয়ানদের নিরাপত্তাবিধানের জন্য জাপানিরা ‘জিরোস ও বেটিস’-এর সমাবেশ রাখে- মিত্রবাহিনীর নিত্যদিনের পরিভাষায় জাপানিদের দুর্ধর্ষ ‘ফাইটার ও বোমারু বিমানকে’ ‘জিরোস ও বেটিস’ (‘Zeros and Bettys’) নামে ডাকা হতো। এইখানেই, ঝুলন্ত আগুন কি আর কাহাকে বলে বিষয়ে আমার প্রথম অভিসিঞ্চন হয়।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৩)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৪)

০৯:০০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

এই ক্যাম্পেনের সময় ৪৯০তম বিএস স্টিলওয়েলের বাহিনীকে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে- নিম্ন উচ্চতায় উড়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য দেয়।

১৯৪৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বার্মা থেকে লেজ গুটিয়ে চলে আসার প্রায় বছর দেড়েক বাদে জেনারেল স্টিলওয়েল ‘বদলা নিতে’ উত্তর বার্মায় জাপানিদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেনে নামেন। তাঁর বাহিনী, “দশম-ফোর্স’, ছিল প্রধানত মার্কিনদের কাছ থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত চীনা সৈনিকদের নিয়ে গঠিত সেনাদল। তদুপরি, ভারতীয়, ব্রিটিশ ও মার্কিন সৈনিকরাও জেনারেলের বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই রণসজ্জা বা ক্যাম্পেনের মূল লক্ষ্য ছিল: উত্তর বার্মার “মিয়িতকিনিয়া” শহরে অবস্থিত জাপানিদের প্রধান ক্যাম্প হস্তগত করা। শহরটি হস্তগত করতে পারলে, মার্কিনদের পরিকল্পিত ‘বার্মা টু চীন’ স্থলপথ পুনরায় খুলে দেয়া সম্ভব হবে। ফলস্বরূপ, তাই স্টিলওয়েলের বাহিনী ‘হয় এসপার-নয় ওসপার’ নীতিতে জাপানি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

এবং অবশেষে, প্রায় দেড় বছর পূর্বে জাপানি বাহিনীর কাছে “গো হারা হেরে যাওয়া” জেনারেলের আত্মশ্লাঘা প্রশমিত হওয়ার ঘটনা ঘটতে থাকে, তাঁর বাহিনী ১৯৪৪ সালের মে মাসের দিকে “মিয়িটকিয়িনিয়া” শহরটিকে অবরোধ শুরু করে। এই ক্যাম্পেনের সময় ৪৯০তম বিএস স্টিলওয়েলের বাহিনীকে তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে- নিম্ন উচ্চতায় উড়ে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য দেয়।

স্মৃতির পাতা থেকে ইভো তার জীবনে আকাশ-যুদ্ধের প্রথম অভিজ্ঞতার কাহিনি বলেন: “আমার তৃতীয় মিশনের টাগেটের অবস্থান ছিল আরো খানিকটা দক্ষিণে- জাপানিরা যেখানে আরো অধিক সংখ্যক স্থলবাহিনীর জোয়ানদের জড় করেছে, সেখানে। এই জোয়ানদের নিরাপত্তাবিধানের জন্য জাপানিরা ‘জিরোস ও বেটিস’-এর সমাবেশ রাখে- মিত্রবাহিনীর নিত্যদিনের পরিভাষায় জাপানিদের দুর্ধর্ষ ‘ফাইটার ও বোমারু বিমানকে’ ‘জিরোস ও বেটিস’ (‘Zeros and Bettys’) নামে ডাকা হতো। এইখানেই, ঝুলন্ত আগুন কি আর কাহাকে বলে বিষয়ে আমার প্রথম অভিসিঞ্চন হয়।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৩)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৬৩)