০১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
১৫ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ: শিশু সুরক্ষার নামে কি বদলে যাচ্ছে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভিত্তি? বিক্ষোভের বিশৃঙ্খলা, আমলাতন্ত্রের জবাবদিহি ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ফেরদৌসী শাহরিয়ারের মৃত্যুতে ডিস্যাবের গভীর শোক হুথিদের নতুন চাপ, আবারও যুদ্ধের শঙ্কায় ইয়েমেন; কঠিন সংকটে সৌদি আরব মূল্যবৃদ্ধির  ফলে অদৃশ্য ক্ষুধা কীভাবে বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ চিনিগুঁড়া চালের দাম ২০০ থেকে ২১০ টাকা, এক মাসে কেজিতে বেড়েছে সর্বোচ্চ ৪৫ টাকা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিতে আরসা কমান্ডার নিহত, দুইজন গ্রেপ্তার সিলেটে এনসিপির জুলাই মার্চ ঘিরে পাঁচ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের আবেদন শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আত্মসমর্পণের আগেই গ্রেপ্তার হতে পারেন: আইনমন্ত্রীর বক্তব্য ট্রাম্পের নতুন মন্তব্যে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল: ভারতের ওপর ১০০% শুল্কের আশঙ্কা, ইরানকেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব

ঘরে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতার বাবা ও চাচাকে কুপিয়ে হত্যা

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় নিজ বাড়িতে ঢুকে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত দুজনই একজন লন্ডনপ্রবাসী ছাত্রলীগ নেতার বাবা ও চাচা। এই হামলায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ঘটনার স্থান ও সময়
শনিবার ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের বিওসি কেছরিগুল গ্রামে ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকার একটি বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। মাগরিবের আজানের কিছুক্ষণ আগে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায়।

নিহত ও আহতদের পরিচয়
নিহতরা হলেন বিওসি কেছরিগুল গ্রামের মৃত নিমার আলীর বড় ছেলে কুয়েতপ্রবাসী জামাল উদ্দিন (৫৫) এবং তাঁর ছোট ভাই কৃষক আব্দুল কাইয়ুম (৪৮)। জামাল উদ্দিন ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান কবিরের বাবা। তিনি মাত্র ছয় মাস আগে কুয়েত থেকে দেশে ফিরেছিলেন।
এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন একই গ্রামের মৃত আব্দুস সবুরের ছেলে মো. জমির উদ্দিন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলার বর্ণনা
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে তিনজনের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় দুই ভাই ঘটনাস্থলেই মারা যান। কী কারণে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সম্ভাব্য কারণ নিয়ে ধারণা
স্থানীয়দের ধারণা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা পূর্ববিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুর রব জানান, নিহতদের পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় রাজনৈতিক শত্রুতা বা আগের বিরোধ থেকে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

পুলিশের পদক্ষেপ
খবর পেয়ে বড়লেখা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেন বলেন, হত্যার রহস্য উদঘাটনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ: শিশু সুরক্ষার নামে কি বদলে যাচ্ছে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ভিত্তি?

ঘরে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতার বাবা ও চাচাকে কুপিয়ে হত্যা

১২:৫৭:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় নিজ বাড়িতে ঢুকে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত দুজনই একজন লন্ডনপ্রবাসী ছাত্রলীগ নেতার বাবা ও চাচা। এই হামলায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ঘটনার স্থান ও সময়
শনিবার ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের বিওসি কেছরিগুল গ্রামে ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকার একটি বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। মাগরিবের আজানের কিছুক্ষণ আগে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায়।

নিহত ও আহতদের পরিচয়
নিহতরা হলেন বিওসি কেছরিগুল গ্রামের মৃত নিমার আলীর বড় ছেলে কুয়েতপ্রবাসী জামাল উদ্দিন (৫৫) এবং তাঁর ছোট ভাই কৃষক আব্দুল কাইয়ুম (৪৮)। জামাল উদ্দিন ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান কবিরের বাবা। তিনি মাত্র ছয় মাস আগে কুয়েত থেকে দেশে ফিরেছিলেন।
এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন একই গ্রামের মৃত আব্দুস সবুরের ছেলে মো. জমির উদ্দিন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলার বর্ণনা
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে তিনজনের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় দুই ভাই ঘটনাস্থলেই মারা যান। কী কারণে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সম্ভাব্য কারণ নিয়ে ধারণা
স্থানীয়দের ধারণা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা পূর্ববিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুর রব জানান, নিহতদের পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় রাজনৈতিক শত্রুতা বা আগের বিরোধ থেকে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

পুলিশের পদক্ষেপ
খবর পেয়ে বড়লেখা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেন বলেন, হত্যার রহস্য উদঘাটনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে।