১১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ আরও দীর্ঘ করতে চান শি জ্বালানির দাম বেড়েছে, এবার  বাড়বে নিত্যপণ্যের দাম? ভারতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির শেয়ারে উত্থান, টানা চার দিন কমল অপরিশোধিত তেলের দাম মেরি ক্যাসাট: ইমপ্রেশনিজমের পর যে অধ্যায়ে তৈরি হয় তাঁর সেরা শিল্পকর্ম বাণিজ্যের নতুন পথ, জলবায়ুর পুরোনো বিপদ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসায় নতুন বাস্তবতা: আর্থিক সক্ষমতার পরীক্ষায় অনিশ্চিত গ্রিন কার্ড পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন

মার্কিন বন্ড বাজারের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের নড়বড়ে শান্তি, ফের অশান্তির আশঙ্কা

মার্কিন বন্ড বাজারের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সম্পর্ক এখন আপাত শান্ত হলেও সেই শান্তির ভিত যে খুবই দুর্বল, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। শুল্কনীতি, বাড়তে থাকা ঘাটতি এবং বিপুল ঋণের চাপ—সব মিলিয়ে ত্রিশ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন বন্ড বাজার যেন এখন সতর্ক নজরে হোয়াইট হাউসের প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছে।

শুল্কের ধাক্কায় বন্ড বাজারের ক্ষোভ
চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্পের ঘোষিত ব্যাপক শুল্ক আরোপ বন্ড বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছিল। সেই সময় বন্ড বিক্রি বেড়ে যায়, সুদের হার দ্রুত লাফিয়ে ওঠে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে প্রশাসনকে শুল্ক কার্যকরের গতি কমাতে এবং বার্তায় সংযম দেখাতে বাধ্য হতে হয়। বিনিয়োগকারীদের ভাষায়, সেই ঘটনাই দেখিয়ে দিয়েছে বন্ড বাজার কতটা শক্তিশালী চাপ তৈরি করতে পারে।

নভেম্বরে ফের সতর্ক সংকেত
নভেম্বরের শুরুতে অর্থ মন্ত্রণালয় দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বিক্রি বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় বাজার আবার নড়েচড়ে বসে। একই সময়ে সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের শুল্কনীতির বৈধতা নিয়ে শুনানি শুরু হওয়ায় রাজস্ব আদায় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়ে দশ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদের হারে, যা স্বল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে এটি ছিল স্পষ্ট সতর্কবার্তা।

Image

মার্কিন বন্ড বাজারের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সম্পর্ক এখন আপাত শান্ত হলেও সেই শান্তির ভিত যে খুবই দুর্বল, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। শুল্কনীতি, বাড়তে থাকা ঘাটতি এবং বিপুল ঋণের চাপ—সব মিলিয়ে ত্রিশ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন বন্ড বাজার যেন এখন সতর্ক নজরে হোয়াইট হাউসের প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছে।

শুল্কের ধাক্কায় বন্ড বাজারের ক্ষোভ
চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্পের ঘোষিত ব্যাপক শুল্ক আরোপ বন্ড বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছিল। সেই সময় বন্ড বিক্রি বেড়ে যায়, সুদের হার দ্রুত লাফিয়ে ওঠে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে প্রশাসনকে শুল্ক কার্যকরের গতি কমাতে এবং বার্তায় সংযম দেখাতে বাধ্য হতে হয়। বিনিয়োগকারীদের ভাষায়, সেই ঘটনাই দেখিয়ে দিয়েছে বন্ড বাজার কতটা শক্তিশালী চাপ তৈরি করতে পারে।

নভেম্বরে ফের সতর্ক সংকেত
নভেম্বরের শুরুতে অর্থ মন্ত্রণালয় দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বিক্রি বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় বাজার আবার নড়েচড়ে বসে। একই সময়ে সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের শুল্কনীতির বৈধতা নিয়ে শুনানি শুরু হওয়ায় রাজস্ব আদায় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়ে দশ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদের হারে, যা স্বল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে এটি ছিল স্পষ্ট সতর্কবার্তা।

ঋণ ও ঘাটতির চাপ
মার্কিন সরকারের মোট ঋণ ইতিমধ্যেই দেশের মোট উৎপাদনের একশ বিশ শতাংশের বেশি। বার্ষিক বাজেট ঘাটতিও জিডিপির প্রায় ছয় শতাংশের কাছাকাছি। এই বাস্তবতা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, দীর্ঘমেয়াদে এই চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

সুদের হার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের চেষ্টা
অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট প্রকাশ্যে বারবার বলেছেন, সুদের হার নিয়ন্ত্রণে রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। কারণ দশ বছর মেয়াদি বন্ডের হার শুধু সরকারি ঋণের খরচ নয়, ঘরোয়া ঋণ থেকে শুরু করে করপোরেট ধার নেওয়ার খরচও প্রভাবিত করে। বাজারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, বিনিয়োগকারীদের মতামত নেওয়া এবং বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি বাড়ানোর মতো পদক্ষেপে প্রশাসন বোঝাতে চাইছে যে তারা অযথা সুদের হার বাড়তে দেবে না।

বন্ড পাহারাদারদের নীরব নজর
বিনিয়োগকারীদের একাংশ মনে করেন, এসব পদক্ষেপ আসলে সময় কেনা ছাড়া আর কিছু নয়। ইতিহাস বলছে, আর্থিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে বন্ড বাজার দেরি না করে শাস্তি দেয়। আপাতত বাজার কিছুটা শান্ত থাকলেও মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন কিংবা নতুন কোনো অর্থনৈতিক ধাক্কা এই ভারসাম্য ভেঙে দিতে পারে।

ভঙ্গুর ভারসাম্যের ভবিষ্যৎ
বর্তমান পরিস্থিতিকে অনেক বিশ্লেষক ভঙ্গুর ভারসাম্য হিসেবে দেখছেন। স্বল্পমেয়াদি ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো এবং নতুন চাহিদার উৎস তৈরি বাজারকে আপাত স্বস্তি দিলেও ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। প্রশ্ন একটাই—এই নড়বড়ে শান্তি কত দিন টিকবে

ঋণ ও ঘাটতির চাপ
মার্কিন সরকারের মোট ঋণ ইতিমধ্যেই দেশের মোট উৎপাদনের একশ বিশ শতাংশের বেশি। বার্ষিক বাজেট ঘাটতিও জিডিপির প্রায় ছয় শতাংশের কাছাকাছি। এই বাস্তবতা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, দীর্ঘমেয়াদে এই চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

সুদের হার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের চেষ্টা
অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট প্রকাশ্যে বারবার বলেছেন, সুদের হার নিয়ন্ত্রণে রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। কারণ দশ বছর মেয়াদি বন্ডের হার শুধু সরকারি ঋণের খরচ নয়, ঘরোয়া ঋণ থেকে শুরু করে করপোরেট ধার নেওয়ার খরচও প্রভাবিত করে। বাজারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, বিনিয়োগকারীদের মতামত নেওয়া এবং বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি বাড়ানোর মতো পদক্ষেপে প্রশাসন বোঝাতে চাইছে যে তারা অযথা সুদের হার বাড়তে দেবে না।

বন্ড পাহারাদারদের নীরব নজর
বিনিয়োগকারীদের একাংশ মনে করেন, এসব পদক্ষেপ আসলে সময় কেনা ছাড়া আর কিছু নয়। ইতিহাস বলছে, আর্থিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে বন্ড বাজার দেরি না করে শাস্তি দেয়। আপাতত বাজার কিছুটা শান্ত থাকলেও মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন কিংবা নতুন কোনো অর্থনৈতিক ধাক্কা এই ভারসাম্য ভেঙে দিতে পারে।

ভঙ্গুর ভারসাম্যের ভবিষ্যৎ
বর্তমান পরিস্থিতিকে অনেক বিশ্লেষক ভঙ্গুর ভারসাম্য হিসেবে দেখছেন। স্বল্পমেয়াদি ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো এবং নতুন চাহিদার উৎস তৈরি বাজারকে আপাত স্বস্তি দিলেও ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। প্রশ্ন একটাই—এই নড়বড়ে শান্তি কত দিন টিকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ আরও দীর্ঘ করতে চান শি

মার্কিন বন্ড বাজারের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের নড়বড়ে শান্তি, ফের অশান্তির আশঙ্কা

১২:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

মার্কিন বন্ড বাজারের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সম্পর্ক এখন আপাত শান্ত হলেও সেই শান্তির ভিত যে খুবই দুর্বল, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। শুল্কনীতি, বাড়তে থাকা ঘাটতি এবং বিপুল ঋণের চাপ—সব মিলিয়ে ত্রিশ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন বন্ড বাজার যেন এখন সতর্ক নজরে হোয়াইট হাউসের প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছে।

শুল্কের ধাক্কায় বন্ড বাজারের ক্ষোভ
চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্পের ঘোষিত ব্যাপক শুল্ক আরোপ বন্ড বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছিল। সেই সময় বন্ড বিক্রি বেড়ে যায়, সুদের হার দ্রুত লাফিয়ে ওঠে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে প্রশাসনকে শুল্ক কার্যকরের গতি কমাতে এবং বার্তায় সংযম দেখাতে বাধ্য হতে হয়। বিনিয়োগকারীদের ভাষায়, সেই ঘটনাই দেখিয়ে দিয়েছে বন্ড বাজার কতটা শক্তিশালী চাপ তৈরি করতে পারে।

নভেম্বরে ফের সতর্ক সংকেত
নভেম্বরের শুরুতে অর্থ মন্ত্রণালয় দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বিক্রি বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় বাজার আবার নড়েচড়ে বসে। একই সময়ে সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের শুল্কনীতির বৈধতা নিয়ে শুনানি শুরু হওয়ায় রাজস্ব আদায় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়ে দশ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদের হারে, যা স্বল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে এটি ছিল স্পষ্ট সতর্কবার্তা।

Image

মার্কিন বন্ড বাজারের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সম্পর্ক এখন আপাত শান্ত হলেও সেই শান্তির ভিত যে খুবই দুর্বল, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। শুল্কনীতি, বাড়তে থাকা ঘাটতি এবং বিপুল ঋণের চাপ—সব মিলিয়ে ত্রিশ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন বন্ড বাজার যেন এখন সতর্ক নজরে হোয়াইট হাউসের প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করছে।

শুল্কের ধাক্কায় বন্ড বাজারের ক্ষোভ
চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্পের ঘোষিত ব্যাপক শুল্ক আরোপ বন্ড বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছিল। সেই সময় বন্ড বিক্রি বেড়ে যায়, সুদের হার দ্রুত লাফিয়ে ওঠে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে প্রশাসনকে শুল্ক কার্যকরের গতি কমাতে এবং বার্তায় সংযম দেখাতে বাধ্য হতে হয়। বিনিয়োগকারীদের ভাষায়, সেই ঘটনাই দেখিয়ে দিয়েছে বন্ড বাজার কতটা শক্তিশালী চাপ তৈরি করতে পারে।

নভেম্বরে ফের সতর্ক সংকেত
নভেম্বরের শুরুতে অর্থ মন্ত্রণালয় দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বিক্রি বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় বাজার আবার নড়েচড়ে বসে। একই সময়ে সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের শুল্কনীতির বৈধতা নিয়ে শুনানি শুরু হওয়ায় রাজস্ব আদায় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়ে দশ বছর মেয়াদি বন্ডের সুদের হারে, যা স্বল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে এটি ছিল স্পষ্ট সতর্কবার্তা।

ঋণ ও ঘাটতির চাপ
মার্কিন সরকারের মোট ঋণ ইতিমধ্যেই দেশের মোট উৎপাদনের একশ বিশ শতাংশের বেশি। বার্ষিক বাজেট ঘাটতিও জিডিপির প্রায় ছয় শতাংশের কাছাকাছি। এই বাস্তবতা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, দীর্ঘমেয়াদে এই চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

সুদের হার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের চেষ্টা
অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট প্রকাশ্যে বারবার বলেছেন, সুদের হার নিয়ন্ত্রণে রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। কারণ দশ বছর মেয়াদি বন্ডের হার শুধু সরকারি ঋণের খরচ নয়, ঘরোয়া ঋণ থেকে শুরু করে করপোরেট ধার নেওয়ার খরচও প্রভাবিত করে। বাজারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, বিনিয়োগকারীদের মতামত নেওয়া এবং বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি বাড়ানোর মতো পদক্ষেপে প্রশাসন বোঝাতে চাইছে যে তারা অযথা সুদের হার বাড়তে দেবে না।

বন্ড পাহারাদারদের নীরব নজর
বিনিয়োগকারীদের একাংশ মনে করেন, এসব পদক্ষেপ আসলে সময় কেনা ছাড়া আর কিছু নয়। ইতিহাস বলছে, আর্থিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে বন্ড বাজার দেরি না করে শাস্তি দেয়। আপাতত বাজার কিছুটা শান্ত থাকলেও মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন কিংবা নতুন কোনো অর্থনৈতিক ধাক্কা এই ভারসাম্য ভেঙে দিতে পারে।

ভঙ্গুর ভারসাম্যের ভবিষ্যৎ
বর্তমান পরিস্থিতিকে অনেক বিশ্লেষক ভঙ্গুর ভারসাম্য হিসেবে দেখছেন। স্বল্পমেয়াদি ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো এবং নতুন চাহিদার উৎস তৈরি বাজারকে আপাত স্বস্তি দিলেও ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। প্রশ্ন একটাই—এই নড়বড়ে শান্তি কত দিন টিকবে

ঋণ ও ঘাটতির চাপ
মার্কিন সরকারের মোট ঋণ ইতিমধ্যেই দেশের মোট উৎপাদনের একশ বিশ শতাংশের বেশি। বার্ষিক বাজেট ঘাটতিও জিডিপির প্রায় ছয় শতাংশের কাছাকাছি। এই বাস্তবতা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, দীর্ঘমেয়াদে এই চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

সুদের হার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের চেষ্টা
অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট প্রকাশ্যে বারবার বলেছেন, সুদের হার নিয়ন্ত্রণে রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। কারণ দশ বছর মেয়াদি বন্ডের হার শুধু সরকারি ঋণের খরচ নয়, ঘরোয়া ঋণ থেকে শুরু করে করপোরেট ধার নেওয়ার খরচও প্রভাবিত করে। বাজারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, বিনিয়োগকারীদের মতামত নেওয়া এবং বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি বাড়ানোর মতো পদক্ষেপে প্রশাসন বোঝাতে চাইছে যে তারা অযথা সুদের হার বাড়তে দেবে না।

বন্ড পাহারাদারদের নীরব নজর
বিনিয়োগকারীদের একাংশ মনে করেন, এসব পদক্ষেপ আসলে সময় কেনা ছাড়া আর কিছু নয়। ইতিহাস বলছে, আর্থিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে বন্ড বাজার দেরি না করে শাস্তি দেয়। আপাতত বাজার কিছুটা শান্ত থাকলেও মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিতে হঠাৎ পরিবর্তন কিংবা নতুন কোনো অর্থনৈতিক ধাক্কা এই ভারসাম্য ভেঙে দিতে পারে।

ভঙ্গুর ভারসাম্যের ভবিষ্যৎ
বর্তমান পরিস্থিতিকে অনেক বিশ্লেষক ভঙ্গুর ভারসাম্য হিসেবে দেখছেন। স্বল্পমেয়াদি ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো এবং নতুন চাহিদার উৎস তৈরি বাজারকে আপাত স্বস্তি দিলেও ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। প্রশ্ন একটাই—এই নড়বড়ে শান্তি কত দিন টিকবে।