০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
আমেরিকার শক্তির অবসান নাকি নতুন বাস্তবতার শুরু দেশের স্বার্থ রক্ষা না হলে মার্কিন চুক্তির ধারা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে ডিমের বাজারে অস্থিরতা, এক মাসে ডজনে বেড়েছে ৪০ টাকা ইরানের সঙ্গে আমেরিকার দ্বন্দ্ব: শক্তির সীমা নাকি কৌশলের ব্যর্থতা? কদমতলীর সাদ্দাম মার্কেটে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট সাত সন্তান একসঙ্গে জন্ম, কিন্তু বাঁচল না কেউ: নড়াইলে শোকের ছায়া তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের দৌড়ে বিজয়, গভর্নরের কাছে ১১৮ বিধায়কের সমর্থনের দাবি মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, বর্ষায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা হরমুজ সংকটে ভারতের এলপিজি আমদানি অর্ধেকে, সরবরাহ সংকট দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা এআই কি মানবসভ্যতার জন্য নতুন হুমকি? মো গাওদাতের সতর্কবার্তায় গভীর উদ্বেগ

সিরিয়ায় আইএসবিরোধী অভিযানে মার্কিন বাহিনীর বড় সাফল্য, নিহত সাত জঙ্গি, আটক আরও বহু

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। চলতি ডিসেম্বরের শেষ দশ দিনে পরিচালিত একাধিক অভিযানে অন্তত সাতজন আইএস সদস্য নিহত হয়েছে এবং আরও এক ডজনের বেশি জঙ্গিকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। সাম্প্রতিক সময়ে পালমিরায় মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার পর এই অভিযানগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে

পালমিরা হামলার পর বাড়ল চাপ

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের কুড়ি থেকে উনত্রিশ তারিখের মধ্যে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। এর আগে উনিশ ডিসেম্বর সিরিয়াজুড়ে আইএসের অন্তত সত্তরটি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডানের যৌথ বিমান হামলা চালানো হয়। পালমিরায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এই বড় আকারের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি ও নতুন বাস্তবতা

বর্তমানে সিরিয়ায় প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর দেশটির নতুন অন্তর্বর্তী সরকার পুরো ভূখণ্ডে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে সরাসরি যুদ্ধের ভূমিকা থেকে সরে এসে নতুন সরকারের নিরাপত্তা পুনর্গঠনে সহায়তার দিকে ঝুঁকছে।

Two Iowa guardsmen killed in Syria return home | AP News

এখনও সক্রিয় আইএস নেটওয়ার্ক

এক সময় ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখা আইএস পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়নি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের হিসাব অনুযায়ী, এখনও প্রায় আড়াই হাজার আইএস যোদ্ধা এই অঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে। কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকা বন্দি শিবিরগুলো নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে, যেখানে জঙ্গিদের পরিবার ও অনুসারীরা অবস্থান করছে।

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জ

সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর ভেতরে অনুপ্রবেশের বিষয়টি নতুন সরকারের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পালমিরার হামলায় জড়িত বন্দুকধারী একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ছিলেন বলে প্রকাশ পাওয়ায় আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু এলাকায় হামলা ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

আইএস পুনরুত্থান ঠেকাতে অঙ্গীকার

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, শুধু চলতি বছরেই আইএস-সম্পর্কিত শতাধিক অভিযানে প্রায় তিনশ জঙ্গিকে হত্যা বা আটক করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সিরিয়ায় আইএসের পুনরুত্থান ঠেকাতে তারা অংশীদার বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে অভিযান অব্যাহত রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকার শক্তির অবসান নাকি নতুন বাস্তবতার শুরু

সিরিয়ায় আইএসবিরোধী অভিযানে মার্কিন বাহিনীর বড় সাফল্য, নিহত সাত জঙ্গি, আটক আরও বহু

০৮:০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। চলতি ডিসেম্বরের শেষ দশ দিনে পরিচালিত একাধিক অভিযানে অন্তত সাতজন আইএস সদস্য নিহত হয়েছে এবং আরও এক ডজনের বেশি জঙ্গিকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। সাম্প্রতিক সময়ে পালমিরায় মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার পর এই অভিযানগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে

পালমিরা হামলার পর বাড়ল চাপ

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের কুড়ি থেকে উনত্রিশ তারিখের মধ্যে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। এর আগে উনিশ ডিসেম্বর সিরিয়াজুড়ে আইএসের অন্তত সত্তরটি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডানের যৌথ বিমান হামলা চালানো হয়। পালমিরায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এই বড় আকারের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি ও নতুন বাস্তবতা

বর্তমানে সিরিয়ায় প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর দেশটির নতুন অন্তর্বর্তী সরকার পুরো ভূখণ্ডে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে সরাসরি যুদ্ধের ভূমিকা থেকে সরে এসে নতুন সরকারের নিরাপত্তা পুনর্গঠনে সহায়তার দিকে ঝুঁকছে।

Two Iowa guardsmen killed in Syria return home | AP News

এখনও সক্রিয় আইএস নেটওয়ার্ক

এক সময় ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখা আইএস পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়নি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের হিসাব অনুযায়ী, এখনও প্রায় আড়াই হাজার আইএস যোদ্ধা এই অঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে। কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকা বন্দি শিবিরগুলো নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে, যেখানে জঙ্গিদের পরিবার ও অনুসারীরা অবস্থান করছে।

নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জ

সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর ভেতরে অনুপ্রবেশের বিষয়টি নতুন সরকারের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পালমিরার হামলায় জড়িত বন্দুকধারী একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ছিলেন বলে প্রকাশ পাওয়ায় আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু এলাকায় হামলা ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

আইএস পুনরুত্থান ঠেকাতে অঙ্গীকার

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, শুধু চলতি বছরেই আইএস-সম্পর্কিত শতাধিক অভিযানে প্রায় তিনশ জঙ্গিকে হত্যা বা আটক করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সিরিয়ায় আইএসের পুনরুত্থান ঠেকাতে তারা অংশীদার বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে অভিযান অব্যাহত রাখবে।