০৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
গাজা শাসনে ট্রাম্পের বোর্ড, রুবিও ব্লেয়ার কুশনার অন্তর্ভুক্ত পেসোর রেকর্ড দুর্বলতা কেন, লাভ কার ঝুলিতে যাচ্ছে ফিলিপাইনে নেটফ্লিক্সে সনি পিকচার্সের সব ছবি, বদলাল বৈশ্বিক স্ট্রিমিং কৌশল আলেপ্পোর উত্তপ্ত অঞ্চলে মানবিক করিডোর, বেসামরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ মার্কিন অস্ত্রের জন্য পাঁচ বছর অপেক্ষা, জাপানের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে চাপ কাজের নিশ্চয়তা আইন নিয়ে আন্দোলন সাময়িক সমাপ্ত, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা কংগ্রেসের চীন কানাডা সম্পর্কে বরফ গলছে, নতুন কৌশলগত অংশীদারিত্বের পথে বেইজিং অটোয়া জাপানের মিতসুবিশির সাতশ পঞ্চাশ কোটি ডলারের বাজি, যুক্তরাষ্ট্রে শেল গ্যাস কিনে জ্বালানি দখলের পথে পোঙ্গল উৎসবে রাজনীতির রঙ, ভোটের আগে তামিলনাড়ুতে মোদি শাহ রাহুলের সরব উপস্থিতি চীনের নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা: ব্রাসেলস এড়িয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নরম করতে বেইজিংয়ের কৌশল

উত্তর আটলান্টিকে নজরদারিতে নতুন অধ্যায়: চালকবিহীন হেলিকপ্টার উড়াল দিল ব্রিটিশ নৌবাহিনী

উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চালকবিহীন পূর্ণাঙ্গ হেলিকপ্টার উড়িয়ে নতুন যুগে প্রবেশ করল ব্রিটেনের রাজকীয় নৌবাহিনী। প্রথমবারের মতো স্বয়ংক্রিয় এই হেলিকপ্টার সফলভাবে পরীক্ষামূলক উড়ান সম্পন্ন করেছে, যা সাবমেরিন সনাক্তকরণ সহ ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক অভিযানে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রথম উড়ানে সফল প্রোটিয়াস

নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘প্রোটিয়াস’ নামের এই হেলিকপ্টারটি কর্নওয়ালের প্রেডানাক বিমান ঘাঁটি থেকে স্বল্প সময়ের পরীক্ষামূলক উড়ান সফলভাবে শেষ করেছে। এটি ব্রিটেনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্বয়ংক্রিয় সামরিক হেলিকপ্টার, যা মানব চালিত হেলিকপ্টারের বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উত্তর আটলান্টিক ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ

রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর ইউরোপজুড়ে প্রতিরক্ষা খাতে বড় পরিবর্তন এসেছে। একের পর এক দেশ প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং সামরিক সক্ষমতা জোরদার করছে। উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে রুশ সাবমেরিন ও নৌযান চলাচল নজরদারির বিষয়টি এখন ন্যাটো জোটের জন্য বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই প্রোটিয়াস প্রকল্পকে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে গলছে হিমবাহ; ইউরোপে বাড়তে পারে ঠান্ডা

ব্যয় ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা

প্রায় ছয় কোটি পাউন্ড ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পকে ব্রিটেন ও ন্যাটো মিত্রদের সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক সেন্সর ও কম্পিউটারনির্ভর সফটওয়্যার ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রোটিয়াস নিজ পরিবেশ বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। এর ফলে মানবচালকের উপস্থিতি ছাড়াই দীর্ঘ সময় নজরদারি ও অভিযান চালানো সম্ভব হবে।

সাবমেরিন বিরোধী অভিযানে মূল ভূমিকা

নৌবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রোটিয়াস মূলত সাবমেরিন বিরোধী যুদ্ধ, সমুদ্র টহল এবং পানির নিচের যানবাহন শনাক্ত ও অনুসরণে ব্যবহৃত হবে। লিওনার্দো হেলিকপ্টারসের যুক্তরাজ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল কোলম্যান বলেছেন, এই হেলিকপ্টার সামুদ্রিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মানব অপারেটরদের নিরাপদ রাখবে।

আগের ড্রোনের চেয়ে বড় ও উন্নত

ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে আগে থেকেই ছোট আকারের নজরদারি ড্রোন রয়েছে। তবে প্রোটিয়াস আকারে বড়, প্রযুক্তিতে আরও উন্নত এবং দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের জন্য বেশি উপযোগী। নৌবাহিনীর মতে, এটি ভবিষ্যতে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা কৌশলের কেন্দ্রে থাকবে।

ব্যয় বহুল চারটি ড্রোন | NTV Online

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা শাসনে ট্রাম্পের বোর্ড, রুবিও ব্লেয়ার কুশনার অন্তর্ভুক্ত

উত্তর আটলান্টিকে নজরদারিতে নতুন অধ্যায়: চালকবিহীন হেলিকপ্টার উড়াল দিল ব্রিটিশ নৌবাহিনী

০২:০১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চালকবিহীন পূর্ণাঙ্গ হেলিকপ্টার উড়িয়ে নতুন যুগে প্রবেশ করল ব্রিটেনের রাজকীয় নৌবাহিনী। প্রথমবারের মতো স্বয়ংক্রিয় এই হেলিকপ্টার সফলভাবে পরীক্ষামূলক উড়ান সম্পন্ন করেছে, যা সাবমেরিন সনাক্তকরণ সহ ঝুঁকিপূর্ণ সামরিক অভিযানে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রথম উড়ানে সফল প্রোটিয়াস

নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘প্রোটিয়াস’ নামের এই হেলিকপ্টারটি কর্নওয়ালের প্রেডানাক বিমান ঘাঁটি থেকে স্বল্প সময়ের পরীক্ষামূলক উড়ান সফলভাবে শেষ করেছে। এটি ব্রিটেনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্বয়ংক্রিয় সামরিক হেলিকপ্টার, যা মানব চালিত হেলিকপ্টারের বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উত্তর আটলান্টিক ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ

রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর ইউরোপজুড়ে প্রতিরক্ষা খাতে বড় পরিবর্তন এসেছে। একের পর এক দেশ প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং সামরিক সক্ষমতা জোরদার করছে। উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে রুশ সাবমেরিন ও নৌযান চলাচল নজরদারির বিষয়টি এখন ন্যাটো জোটের জন্য বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই প্রোটিয়াস প্রকল্পকে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে গলছে হিমবাহ; ইউরোপে বাড়তে পারে ঠান্ডা

ব্যয় ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা

প্রায় ছয় কোটি পাউন্ড ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পকে ব্রিটেন ও ন্যাটো মিত্রদের সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী। অত্যাধুনিক সেন্সর ও কম্পিউটারনির্ভর সফটওয়্যার ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রোটিয়াস নিজ পরিবেশ বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। এর ফলে মানবচালকের উপস্থিতি ছাড়াই দীর্ঘ সময় নজরদারি ও অভিযান চালানো সম্ভব হবে।

সাবমেরিন বিরোধী অভিযানে মূল ভূমিকা

নৌবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রোটিয়াস মূলত সাবমেরিন বিরোধী যুদ্ধ, সমুদ্র টহল এবং পানির নিচের যানবাহন শনাক্ত ও অনুসরণে ব্যবহৃত হবে। লিওনার্দো হেলিকপ্টারসের যুক্তরাজ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল কোলম্যান বলেছেন, এই হেলিকপ্টার সামুদ্রিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মানব অপারেটরদের নিরাপদ রাখবে।

আগের ড্রোনের চেয়ে বড় ও উন্নত

ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে আগে থেকেই ছোট আকারের নজরদারি ড্রোন রয়েছে। তবে প্রোটিয়াস আকারে বড়, প্রযুক্তিতে আরও উন্নত এবং দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের জন্য বেশি উপযোগী। নৌবাহিনীর মতে, এটি ভবিষ্যতে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা কৌশলের কেন্দ্রে থাকবে।

ব্যয় বহুল চারটি ড্রোন | NTV Online