ওয়াশিংটন থেকে উঠে এলো নতুন ইঙ্গিত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে তাঁর দেশের রাজনীতিতে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত করার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন। যদিও কী ধরনের ভূমিকা হতে পারে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু বলেননি তিনি।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, মাচাদোর সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ চলছে এবং ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ প্রক্রিয়ায় তাঁকে যুক্ত করার সুযোগ খোঁজা হচ্ছে। তিনি জানান, এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পারলে তা তাঁর জন্য আনন্দের হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, গত সপ্তাহেই মাচাদো ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁকে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার উপহার দেন।

সুর বদলের পেছনের প্রেক্ষাপট
ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে তাঁর আগের অবস্থান থেকে স্পষ্ট সরে আসা বলেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের এক অভিযানে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর ট্রাম্প প্রকাশ্যে মাচাদোর জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। অথচ এখন তিনি ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে অনেক বেশি ইতিবাচক ভাষা ব্যবহার করছেন।
রাজনৈতিক শক্তির হিসাব
ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে মাচাদোর অবস্থান নতুন নয়। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাঁর দল বিপুল ভোটে জয় পেয়েছে বলে দাবি করা হয়, যেখানে প্রায় সত্তর শতাংশ ভোট তাঁদের পক্ষে পড়েছিল বলে দলীয় সূত্র জানায়। এই তথ্যই তাঁকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির আলোচনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
ভেনিজুয়েলা নিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, একসময় তিনি ভেনেজুয়েলার প্রতি কঠোর মনোভাব পোষণ করলেও এখন পরিস্থিতি বদলেছে। তাঁর ভাষায়, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কাজের অভিজ্ঞতা ভালো এবং সহযোগিতামূলক। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের নেতৃত্বে চলমান সমন্বয়ের কথা।
এই বক্তব্য ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে নতুন মোড় আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















