০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ওপেক প্লাসের সিদ্ধান্তে স্থিতিশীল জ্বালানি ব্যয়ের ইঙ্গিত, উচ্চ দামে আটকে তেলের বাজার ইরানে বিক্ষোভ-পরবর্তী দমনযজ্ঞ, গ্রেপ্তার চিকিৎসক – বন্ধ ব্যবসা—ভয় আর নীরবতায় আবদ্ধ সমাজ আফ্রিকায় পুরোনো রোগের পুনরুত্থানের শঙ্কা, সহায়তা কমায় বাড়ছে অন্ধত্বের ঝুঁকি রাশিয়ায় ভারতীয় শ্রমিকের চাহিদা বাড়াল ইউক্রেন যুদ্ধ, বছরে যাচ্ছে চল্লিশ হাজার অস্ট্রেলিয়ায় হারজগ সফর ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল শহর, গ্রেপ্তার একাধিক সামরিক অভিযানের গুজবে সীমান্তে বাস্তুচ্যুত হাজারো মানুষ, পরিকল্পনা অস্বীকার পাকিস্তানের অভিযানের আতঙ্কে শৈশব বিপর্যস্ত, মিনেসোটার শিশুদের জীবনে স্থায়ী ভয় উত্তর আটলান্টিকে নতুন ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের কেন্দ্রে ফারো দ্বীপপুঞ্জ মজুত কৌশলে টিকে থাকা কার্পেট নির্মাতা, কিন্তু কমে আসছে পুরোনো ভাণ্ডার এশিয়ার কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শেখার শিক্ষা

টিআইবির সূচকে তলানির দিক থেকে ১৩তম বাংলাদেশ, বৈশ্বিক দুর্নীতিতে অবস্থান আরও অবনতি

বৈশ্বিক দুর্নীতি ধারণা সূচক ২০২৫-এ বাংলাদেশ আরও পিছিয়ে পড়েছে। সর্বশেষ সূচকে ১০০-এর মধ্যে ২৪ নম্বর পেয়ে বিশ্বের নিম্নক্রমের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে তলানির দিক থেকে ১৩তম, যা আগের বছরের তুলনায় অবনতির ইঙ্গিত দেয়।

যদিও বাংলাদেশের স্কোর এক পয়েন্ট বেড়েছে, তবু বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উভয় র‌্যাংকিংয়েই দেশের অবস্থান দুর্বল হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সূচকের এই তথ্য তুলে ধরেন।

এর আগে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ২৩ নম্বর পেয়ে ১৫১তম অবস্থানে ছিল।

সূচক নির্ধারণের পদ্ধতি ও আঞ্চলিক অবস্থান
দুর্নীতি ধারণা সূচকে দেশগুলোর স্কোর ০ থেকে ১০০-এর মধ্যে নির্ধারণ করা হয়। এখানে ০ সর্বোচ্চ দুর্নীতির মাত্রা এবং ১০০ সর্বোচ্চ সুশাসনের প্রতীক।

সর্বশেষ সূচক অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্কোর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। কেবল আফগানিস্তান বাংলাদেশের নিচে রয়েছে, যার স্কোর ১৬।

২০১২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ২৫ থেকে ২৮-এর মধ্যে ওঠানামা করেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে তা কমে ২৪ এবং ২০২৪ সালে আরও নেমে ২৩-এ দাঁড়ায়, যা ১৩ বছরের গড়ের তুলনায় তিন পয়েন্ট কম।

নির্বাচনে অর্থ, ধর্ম ও পেশিশক্তির প্রভাব
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, চলতি বছরে এক পয়েন্ট স্কোর বৃদ্ধি দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণার প্রতিফলন হতে পারে, যা জুলাই অভ্যুত্থানের পর তৈরি হয়েছিল।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়ার পরবর্তী বাস্তবতা সূচকে প্রতিফলিত হয়নি, কারণ ব্যবহৃত তথ্যসূত্রগুলো আগের সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ফলে রাষ্ট্র সংস্কারে দৃশ্যমান অগ্রগতির অভাব বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থানে বাস্তব অর্থে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওপেক প্লাসের সিদ্ধান্তে স্থিতিশীল জ্বালানি ব্যয়ের ইঙ্গিত, উচ্চ দামে আটকে তেলের বাজার

টিআইবির সূচকে তলানির দিক থেকে ১৩তম বাংলাদেশ, বৈশ্বিক দুর্নীতিতে অবস্থান আরও অবনতি

০৫:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বৈশ্বিক দুর্নীতি ধারণা সূচক ২০২৫-এ বাংলাদেশ আরও পিছিয়ে পড়েছে। সর্বশেষ সূচকে ১০০-এর মধ্যে ২৪ নম্বর পেয়ে বিশ্বের নিম্নক্রমের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে তলানির দিক থেকে ১৩তম, যা আগের বছরের তুলনায় অবনতির ইঙ্গিত দেয়।

যদিও বাংলাদেশের স্কোর এক পয়েন্ট বেড়েছে, তবু বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উভয় র‌্যাংকিংয়েই দেশের অবস্থান দুর্বল হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সূচকের এই তথ্য তুলে ধরেন।

এর আগে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ২৩ নম্বর পেয়ে ১৫১তম অবস্থানে ছিল।

সূচক নির্ধারণের পদ্ধতি ও আঞ্চলিক অবস্থান
দুর্নীতি ধারণা সূচকে দেশগুলোর স্কোর ০ থেকে ১০০-এর মধ্যে নির্ধারণ করা হয়। এখানে ০ সর্বোচ্চ দুর্নীতির মাত্রা এবং ১০০ সর্বোচ্চ সুশাসনের প্রতীক।

সর্বশেষ সূচক অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্কোর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। কেবল আফগানিস্তান বাংলাদেশের নিচে রয়েছে, যার স্কোর ১৬।

২০১২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ২৫ থেকে ২৮-এর মধ্যে ওঠানামা করেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে তা কমে ২৪ এবং ২০২৪ সালে আরও নেমে ২৩-এ দাঁড়ায়, যা ১৩ বছরের গড়ের তুলনায় তিন পয়েন্ট কম।

নির্বাচনে অর্থ, ধর্ম ও পেশিশক্তির প্রভাব
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, চলতি বছরে এক পয়েন্ট স্কোর বৃদ্ধি দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণার প্রতিফলন হতে পারে, যা জুলাই অভ্যুত্থানের পর তৈরি হয়েছিল।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়ার পরবর্তী বাস্তবতা সূচকে প্রতিফলিত হয়নি, কারণ ব্যবহৃত তথ্যসূত্রগুলো আগের সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ফলে রাষ্ট্র সংস্কারে দৃশ্যমান অগ্রগতির অভাব বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থানে বাস্তব অর্থে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেনি।