০৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
তাইওয়ানের পূর্ব জলসীমায় প্রথমবার চীনের মৎস্য জরিপ, গবেষণায় নতুন দিগন্ত দেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র, মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটিতে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় রান্নায় দুর্ভোগ কাঁচা মরিচের ঝাল এখন বাজারেও, পাঁচ দিনে কেজিতে ৬০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে বাংলাদেশে হেপাটাইটিস সি রোগীর সংখ্যা বিশ্বের শীর্ষ ১০-এ, জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিঙ্গাপুরে ৯৫০ কোটি ডলারের তান বুন লিয়াট বিক্রি, জেগে উঠছে যৌথ সম্পত্তি বিক্রির বাজার লোহিত সাগরে হুথি হামলার নিন্দা কুয়েতের, খুলছে কূটনৈতিক সমাধানের পথ প্রতিবন্ধী লুতুর টং দোকানে ফের চুরি, একমাত্র জীবিকার সম্বল হারিয়ে বিপাকে পরিবার কুয়েতে ৪৮ ডিগ্রি তাপমাত্রার সঙ্গে ধুলিঝড়ের সতর্কতা ইরান যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে লোহিত ও কাস্পিয়ান সাগরে, উপসাগরে হামলা থামাল যুক্তরাষ্ট্র চীনের কাছে আত্মসমর্পণ নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অন্ধ নির্ভরতাও নয়: ভারতের সামনে তৃতীয় পথের চ্যালেঞ্জ

টিআইবির সূচকে তলানির দিক থেকে ১৩তম বাংলাদেশ, বৈশ্বিক দুর্নীতিতে অবস্থান আরও অবনতি

বৈশ্বিক দুর্নীতি ধারণা সূচক ২০২৫-এ বাংলাদেশ আরও পিছিয়ে পড়েছে। সর্বশেষ সূচকে ১০০-এর মধ্যে ২৪ নম্বর পেয়ে বিশ্বের নিম্নক্রমের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে তলানির দিক থেকে ১৩তম, যা আগের বছরের তুলনায় অবনতির ইঙ্গিত দেয়।

যদিও বাংলাদেশের স্কোর এক পয়েন্ট বেড়েছে, তবু বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উভয় র‌্যাংকিংয়েই দেশের অবস্থান দুর্বল হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সূচকের এই তথ্য তুলে ধরেন।

এর আগে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ২৩ নম্বর পেয়ে ১৫১তম অবস্থানে ছিল।

সূচক নির্ধারণের পদ্ধতি ও আঞ্চলিক অবস্থান
দুর্নীতি ধারণা সূচকে দেশগুলোর স্কোর ০ থেকে ১০০-এর মধ্যে নির্ধারণ করা হয়। এখানে ০ সর্বোচ্চ দুর্নীতির মাত্রা এবং ১০০ সর্বোচ্চ সুশাসনের প্রতীক।

সর্বশেষ সূচক অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্কোর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। কেবল আফগানিস্তান বাংলাদেশের নিচে রয়েছে, যার স্কোর ১৬।

২০১২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ২৫ থেকে ২৮-এর মধ্যে ওঠানামা করেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে তা কমে ২৪ এবং ২০২৪ সালে আরও নেমে ২৩-এ দাঁড়ায়, যা ১৩ বছরের গড়ের তুলনায় তিন পয়েন্ট কম।

নির্বাচনে অর্থ, ধর্ম ও পেশিশক্তির প্রভাব
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, চলতি বছরে এক পয়েন্ট স্কোর বৃদ্ধি দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণার প্রতিফলন হতে পারে, যা জুলাই অভ্যুত্থানের পর তৈরি হয়েছিল।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়ার পরবর্তী বাস্তবতা সূচকে প্রতিফলিত হয়নি, কারণ ব্যবহৃত তথ্যসূত্রগুলো আগের সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ফলে রাষ্ট্র সংস্কারে দৃশ্যমান অগ্রগতির অভাব বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থানে বাস্তব অর্থে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

তাইওয়ানের পূর্ব জলসীমায় প্রথমবার চীনের মৎস্য জরিপ, গবেষণায় নতুন দিগন্ত

টিআইবির সূচকে তলানির দিক থেকে ১৩তম বাংলাদেশ, বৈশ্বিক দুর্নীতিতে অবস্থান আরও অবনতি

০৫:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বৈশ্বিক দুর্নীতি ধারণা সূচক ২০২৫-এ বাংলাদেশ আরও পিছিয়ে পড়েছে। সর্বশেষ সূচকে ১০০-এর মধ্যে ২৪ নম্বর পেয়ে বিশ্বের নিম্নক্রমের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে তলানির দিক থেকে ১৩তম, যা আগের বছরের তুলনায় অবনতির ইঙ্গিত দেয়।

যদিও বাংলাদেশের স্কোর এক পয়েন্ট বেড়েছে, তবু বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উভয় র‌্যাংকিংয়েই দেশের অবস্থান দুর্বল হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সূচকের এই তথ্য তুলে ধরেন।

এর আগে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ২৩ নম্বর পেয়ে ১৫১তম অবস্থানে ছিল।

সূচক নির্ধারণের পদ্ধতি ও আঞ্চলিক অবস্থান
দুর্নীতি ধারণা সূচকে দেশগুলোর স্কোর ০ থেকে ১০০-এর মধ্যে নির্ধারণ করা হয়। এখানে ০ সর্বোচ্চ দুর্নীতির মাত্রা এবং ১০০ সর্বোচ্চ সুশাসনের প্রতীক।

সর্বশেষ সূচক অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্কোর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। কেবল আফগানিস্তান বাংলাদেশের নিচে রয়েছে, যার স্কোর ১৬।

২০১২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ২৫ থেকে ২৮-এর মধ্যে ওঠানামা করেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে তা কমে ২৪ এবং ২০২৪ সালে আরও নেমে ২৩-এ দাঁড়ায়, যা ১৩ বছরের গড়ের তুলনায় তিন পয়েন্ট কম।

নির্বাচনে অর্থ, ধর্ম ও পেশিশক্তির প্রভাব
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, চলতি বছরে এক পয়েন্ট স্কোর বৃদ্ধি দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণার প্রতিফলন হতে পারে, যা জুলাই অভ্যুত্থানের পর তৈরি হয়েছিল।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়ার পরবর্তী বাস্তবতা সূচকে প্রতিফলিত হয়নি, কারণ ব্যবহৃত তথ্যসূত্রগুলো আগের সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ফলে রাষ্ট্র সংস্কারে দৃশ্যমান অগ্রগতির অভাব বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থানে বাস্তব অর্থে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেনি।