০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

বিশ্বের সবচেয়ে নজরকাড়া নির্বাচনের একটি হতে পারে বাংলাদেশের ভোট, বললেন জামায়াত আমির

বাংলাদেশের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন চলতি বছরে বিশ্বের সবচেয়ে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষিত নির্বাচনের একটি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম শুধু ফলাফল নয়, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার দিকেও গভীর নজর রাখবে।

নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বৈশ্বিক দৃষ্টি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এখন এই প্রশ্নে নিবদ্ধ—নির্বাচনটি আদৌ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে কি না।

রাজনীতিতে নীতি ও মতাদর্শের গুরুত্ব
দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চান যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক শক্তি প্রদর্শনের ওপর নয়, বরং নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে ভোটাররা যেন ভয় বা চাপমুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

মূলধারার শক্তি হিসেবে জামায়াত
জামায়াত আমির দাবি করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আর প্রান্তিক রাজনৈতিক শক্তি নয়; বরং দলটি এখন দেশের মূলধারার রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যে দায়িত্ব অর্পণ করবে, দল তা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।

রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়
শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে জাতীয় স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করতে তিনি প্রস্তুত থাকবেন, যার লক্ষ্য হবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা।

বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
তিনি আরও বলেন, জনগণের জানার অধিকার রয়েছে—নির্বাচনে পরাজিত হলে প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা জনগণের রায় মেনে নেবে কি না, গঠনমূলক বিরোধী ভূমিকা পালন করবে কি না এবং ফলাফল যাই হোক দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকবে কি না।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

বিশ্বের সবচেয়ে নজরকাড়া নির্বাচনের একটি হতে পারে বাংলাদেশের ভোট, বললেন জামায়াত আমির

০৬:১৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন চলতি বছরে বিশ্বের সবচেয়ে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষিত নির্বাচনের একটি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম শুধু ফলাফল নয়, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার দিকেও গভীর নজর রাখবে।

নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বৈশ্বিক দৃষ্টি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এখন এই প্রশ্নে নিবদ্ধ—নির্বাচনটি আদৌ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে কি না।

রাজনীতিতে নীতি ও মতাদর্শের গুরুত্ব
দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চান যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক শক্তি প্রদর্শনের ওপর নয়, বরং নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে ভোটাররা যেন ভয় বা চাপমুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

মূলধারার শক্তি হিসেবে জামায়াত
জামায়াত আমির দাবি করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আর প্রান্তিক রাজনৈতিক শক্তি নয়; বরং দলটি এখন দেশের মূলধারার রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যে দায়িত্ব অর্পণ করবে, দল তা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।

রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়
শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে জাতীয় স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করতে তিনি প্রস্তুত থাকবেন, যার লক্ষ্য হবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা।

বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
তিনি আরও বলেন, জনগণের জানার অধিকার রয়েছে—নির্বাচনে পরাজিত হলে প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা জনগণের রায় মেনে নেবে কি না, গঠনমূলক বিরোধী ভূমিকা পালন করবে কি না এবং ফলাফল যাই হোক দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকবে কি না।