১১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপে ফরমেশনের লড়াই: ভিন্ন কৌশলে বাড়তি সুবিধা খুঁজছে দলগুলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারককে স্বাগত জানাল চীন, দ্বিতীয় দফা আলোচনায় ইতিবাচক ফলের আশা ইয়েনের রেকর্ড দুর্বলতায় হস্তক্ষেপের শঙ্কা, প্রথমবার ৭১ হাজার ছাড়াল নিক্কেই স্মৃতিশক্তি থেকে মানসিক স্বাস্থ্য: গাঁজার প্রভাব নিয়ে নতুন গবেষণায় উঠে এলো ৭ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপালগঞ্জে তিন দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে ২৫ জন আহত, আতঙ্কে মুকসুদপুর ১১ লাখ কোটি টাকার ‘ঋণখেলাপি’ বিতর্ক, মুখোমুখি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-রুমিন জি-৭ সম্মেলনে তাকাইচির কূটনৈতিক ছাপ, খনিজ ও ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তায় জাপানের জোর বালু উত্তোলন বিরোধে ভয়াবহ হামলা: ট্রাকের মাঝে আটকে গাড়িতে আগুন, জীবন্ত দগ্ধ বিজেপি নেতা সহ নিহত ৩ মেসির হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপ শুরু, ক্লোসের রেকর্ডে ভাগ বসিয়ে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয় পরীমণির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে অবশেষে বাধ্যতামূলক অবসরে সাবেক ডিবি কর্মকর্তা সাকলায়েন

বিশ্বের সবচেয়ে নজরকাড়া নির্বাচনের একটি হতে পারে বাংলাদেশের ভোট, বললেন জামায়াত আমির

বাংলাদেশের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন চলতি বছরে বিশ্বের সবচেয়ে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষিত নির্বাচনের একটি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম শুধু ফলাফল নয়, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার দিকেও গভীর নজর রাখবে।

নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বৈশ্বিক দৃষ্টি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এখন এই প্রশ্নে নিবদ্ধ—নির্বাচনটি আদৌ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে কি না।

রাজনীতিতে নীতি ও মতাদর্শের গুরুত্ব
দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চান যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক শক্তি প্রদর্শনের ওপর নয়, বরং নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে ভোটাররা যেন ভয় বা চাপমুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

মূলধারার শক্তি হিসেবে জামায়াত
জামায়াত আমির দাবি করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আর প্রান্তিক রাজনৈতিক শক্তি নয়; বরং দলটি এখন দেশের মূলধারার রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যে দায়িত্ব অর্পণ করবে, দল তা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।

রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়
শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে জাতীয় স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করতে তিনি প্রস্তুত থাকবেন, যার লক্ষ্য হবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা।

বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
তিনি আরও বলেন, জনগণের জানার অধিকার রয়েছে—নির্বাচনে পরাজিত হলে প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা জনগণের রায় মেনে নেবে কি না, গঠনমূলক বিরোধী ভূমিকা পালন করবে কি না এবং ফলাফল যাই হোক দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকবে কি না।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে ফরমেশনের লড়াই: ভিন্ন কৌশলে বাড়তি সুবিধা খুঁজছে দলগুলো

বিশ্বের সবচেয়ে নজরকাড়া নির্বাচনের একটি হতে পারে বাংলাদেশের ভোট, বললেন জামায়াত আমির

০৬:১৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন চলতি বছরে বিশ্বের সবচেয়ে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষিত নির্বাচনের একটি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম শুধু ফলাফল নয়, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার দিকেও গভীর নজর রাখবে।

নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বৈশ্বিক দৃষ্টি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি এখন এই প্রশ্নে নিবদ্ধ—নির্বাচনটি আদৌ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে কি না।

রাজনীতিতে নীতি ও মতাদর্শের গুরুত্ব
দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে চান যেখানে রাজনৈতিক বিতর্ক শক্তি প্রদর্শনের ওপর নয়, বরং নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে ভোটাররা যেন ভয় বা চাপমুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

মূলধারার শক্তি হিসেবে জামায়াত
জামায়াত আমির দাবি করেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আর প্রান্তিক রাজনৈতিক শক্তি নয়; বরং দলটি এখন দেশের মূলধারার রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যে দায়িত্ব অর্পণ করবে, দল তা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।

রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়
শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে জাতীয় স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করতে তিনি প্রস্তুত থাকবেন, যার লক্ষ্য হবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা।

বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
তিনি আরও বলেন, জনগণের জানার অধিকার রয়েছে—নির্বাচনে পরাজিত হলে প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা জনগণের রায় মেনে নেবে কি না, গঠনমূলক বিরোধী ভূমিকা পালন করবে কি না এবং ফলাফল যাই হোক দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকবে কি না।