হুব্বালির সমতল উইকেটে আজ রণজি ট্রফির ফাইনালে দুই ভিন্ন গল্পের মুখোমুখি লড়াই। ১১ বছর পর ফাইনালে দেখা কর্ণাটক কে, চ্যাম্পিয়নের পুরস্কার ফেরার লড়াইয়ে নিজের স্টার ব্যাটিং ইউনিটকে ভরসা করছে। অপরদিকে ৬৭ বছর পরে প্রথম ফাইনালে পৌঁছেছে জম্মু ও কাশ্মীর, যেখানে তাদের পেস বোলিং আক্রমণই ম্যাচের মূল চাবিকাঠি হতে পারে।
করোনাটকের ব্যাটিং ইউনিটের নির্ভরতা
কর্ণাটকের ব্যাটসম্যানেরা যথেষ্ট অভিজ্ঞ এবং রক্ষণশীল গতিতে বড় স্কোর তুলতে পারার ক্ষমতা রাখে। অধিনায়ক দেবদত্ত পাডিক্কলের নেতৃত্বে এই ইউনিট ফাইনালে খেলার স্বাভাবিক পরিকল্পনা নিয়ে এসেছে। হুব্বালির উইকেট স্বভাবতই ব্যাটসম্যানদের পক্ষে আনন্দদায়ক বলে পরিচিত। কর্ণাটক জানে, দীর্ঘ ইনিংস এবং স্থির ব্যাটিংই তাদের কাছে টাইটাল জয়ের পথ খুলে দেবে।
জম্মু ও কাশ্মীরের পেস ফায়ারপাওয়ার
অন্যদিকে মরসুমের প্রথম ফাইনালে খেলা জম্মু ও কাশ্মীর তার পেসার আউকিব নাবির ওপর অনেকটাই আস্থা রাখছে। নাবি গত কয়েক মৌসুমে ঝড়ো বোলিং করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং এখন(selector)-দের নজর কাঁটতে পারার সুযোগ হিসেবে এই ম্যাচটিকে দেখছেন। উইদ্ধভীর সিং ও সুনিল কুমারও এই পেস আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে। দলের অধিনায়ক পারস ডোগরা দীর্ঘ সময় ধরে সাদা পোশাকে রান সংগ্রহ করেছেন এবং বিশ্বাস করেন তাদের বোলিং আক্রমণ ঘরোয়া ধারণাকেই চ্যালেঞ্জ করতে পারবে।
ম্যাচের পরিসংখ্যান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
বিগত চার মরশুমে রণজি ট্রফির ফাইনালে সাতটি আলাদা টিম উঠে এসেছে এবং চারটি ভিন্ন দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা দেখায় এই টুর্নামেন্টে কোন এক দল বারবার শাসন করছে না। কর্ণাটক এবং জম্মু ও কাশ্মীর—দুই পক্ষেই ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লেখার সুযোগ রয়েছে। নাবির চাই হয়ে দাঁড়িয়েছে নিজের দক্ষতা দিয়ে বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করা। কর্ণাটকের পক্ষে আবার বড় স্কোর তৈরি করা হবে তাদের সেরা মুখ্য লক্ষ্য।
শেষ পর্যন্ত এই ফাইনাল শুধু রণজি ট্রফির শিরোপা নির্ধারন নয়; তা ভবিষ্যতের টেস্ট দলের পেস বোলিং সম্ভাবনারই এক বড় পরীক্ষা। আজকের লড়াইয়ে মাঝারি পেস থেকে শুরু করে দ্রুততম বোলারদের মাঝেই সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















