সুপার এইট পর্বে সব ম্যাচ জিতে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড। দুই দলই ধারাবাহিক ও আত্মবিশ্বাসী ক্রিকেট খেলছে, ফলে অনেকের চোখে তারাই সম্ভাব্য ফাইনালিস্ট। তবে টি২০ ফরম্যাটে এক-দু’টি ওভারই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে—সেই সুযোগের অপেক্ষায় নিউজিল্যান্ড।
অধিনায়কের কঠিন পরীক্ষা
টি২০ ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব বিশেষ চ্যালেঞ্জের। এক ওভারেই খেলা পাল্টে যেতে পারে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ১৮তম ওভারে গ্লেন ফিলিপসকে বল দেন। আগের ওভারে হ্যারি ব্রুককে আউট করায় তার ওপর আস্থা রাখা স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু ফিলিপস নিয়মিত বোলার নন। ওই ওভারে ২২ রান উঠে যায়, যা ম্যাচ ইংল্যান্ডের দিকে ঘুরিয়ে দেয়।
একই সঙ্গে ড্যারিল মিচেলকে ব্যাটিং অর্ডারে ওপরে না তোলার কৌশল নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ রান হাতছাড়া হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ব্রুক ও জ্যাকসের উত্থান
ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক তিন নম্বরে উঠে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়েছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে দ্বিতীয় বলেই ক্রিজে এসে সেঞ্চুরি করে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন। তাকে ওপেনার হিসেবে দেখার দাবিও উঠছে।
উইল জ্যাকস এই টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের বড় শক্তি। ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই প্রভাব ফেলছেন তিনি। সাত নম্বরে তার মতো অলরাউন্ডার থাকা ইংল্যান্ডকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তি ও সম্ভাবনা
দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম ও কুইন্টন ডি কক থেকে দ্রুত সূচনার আশা থাকবে। যদিও ডি কক এখনো পুরো ছন্দে নেই।
বল হাতে লুঙ্গি এনগিডি অফপেস ডেলিভারিতে সাফল্য পেয়েছেন। কাগিসো রাবাদা ছন্দে ফিরলে নতুন বলে আক্রমণ আরও ভয়ংকর হবে। অলরাউন্ডার করবিন বোশ দলের ভারসাম্য বাড়িয়েছেন।
ফর্মে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা ফেভারিট হলেও নিউজিল্যান্ডকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। বড় মঞ্চে চমক দেখানোর ইতিহাস রয়েছে কিউইদের।
টি২০ ক্রিকেটের অনিশ্চয়তায় সেমিফাইনালের লড়াই তাই রোমাঞ্চকর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















