০১:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ নিলাম আবার, ব্যাংকের টাকায় ভরসা সরকারের

সরকারের বাড়তি অর্থের চাহিদা মেটাতে আবারও ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ নিলামে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি মাসেই দ্বিতীয়বারের মতো এই নিলামের মাধ্যমে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির তারল্য পরিস্থিতিকেও নতুনভাবে সামনে এনেছে।

আবারও বিশেষ নিলামের সিদ্ধান্ত

আগামী ৮ তারিখ ৯১ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে এই বিশেষ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এর ফলে চলতি মাসে বিশেষ নিলামের মাধ্যমে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ১০ হাজার কোটি টাকা। সাধারণ সময়সূচির বাইরে গিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সরকারের জরুরি অর্থের প্রয়োজনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কেন বাড়ছে ঋণের প্রয়োজন

অর্থনীতির ভেতরে রাজস্ব ঘাটতি এবং সরকারের বাড়তি ব্যয়ের চাপ এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি ও ভর্তুকিমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য কোষাগারে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। ফলে ব্যাংকিং খাত এখন সরকারের প্রধান নির্ভরতার জায়গা হয়ে উঠেছে।

বেসরকারি খাতের ঋণ-প্রবৃদ্ধি কমতির দিকেই | The Business Standard

ব্যাংকে বাড়তি তারল্য, সুযোগ নিচ্ছে সরকার

বর্তমানে ব্যাংকগুলোর হাতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রয়েছে। বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি কম থাকায় সেই অর্থের বড় অংশ অব্যবহৃত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলো নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ট্রেজারি বিল ও বন্ডে অর্থ রাখছে। এতে সরকার সহজেই বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছে।

ডলার কেনা ও বাজারে টাকার প্রবাহ

বছরের শুরু থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনে আসছে। এর ফলে ব্যাংকিং খাতে টাকার পরিমাণ আরও বেড়েছে। এই বাড়তি তারল্যই সরকারের জন্য ঋণ নেওয়ার পথকে সহজ করেছে।

ঋণ পরিকল্পনা আরও বড় পরিসরে

এপ্রিল থেকে জুন—এই তিন মাসে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে সরকার ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। পাশাপাশি ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে আরও ৩৯ হাজার কোটি টাকার মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডলারের দাম বাড়বে কমবে টাকার প্রবাহ

ঋণ নেওয়ার বাস্তব চিত্র

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঋণ সরকারের নিট ঋণ নয়। কারণ পুরোনো বিল ও বন্ডের মেয়াদ শেষ হলে নতুন নিলামের মাধ্যমে সেগুলো নবায়ন করা হয়। ফলে মোট ঋণের হিসাব বুঝতে হলে এই বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হয়।

বেসরকারি বিনিয়োগে ধীরগতি

বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি খুবই কম। নতুন বিনিয়োগের অভাব এবং ব্যবসায়ীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা কমেছে। এতে ব্যাংকের হাতে থাকা অর্থ সরকার সহজেই টেনে নিতে পারছে।

 

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ নিলাম আবার, ব্যাংকের টাকায় ভরসা সরকারের

১১:১৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

সরকারের বাড়তি অর্থের চাহিদা মেটাতে আবারও ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ নিলামে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি মাসেই দ্বিতীয়বারের মতো এই নিলামের মাধ্যমে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির তারল্য পরিস্থিতিকেও নতুনভাবে সামনে এনেছে।

আবারও বিশেষ নিলামের সিদ্ধান্ত

আগামী ৮ তারিখ ৯১ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে এই বিশেষ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এর ফলে চলতি মাসে বিশেষ নিলামের মাধ্যমে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ১০ হাজার কোটি টাকা। সাধারণ সময়সূচির বাইরে গিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সরকারের জরুরি অর্থের প্রয়োজনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কেন বাড়ছে ঋণের প্রয়োজন

অর্থনীতির ভেতরে রাজস্ব ঘাটতি এবং সরকারের বাড়তি ব্যয়ের চাপ এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি ও ভর্তুকিমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য কোষাগারে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। ফলে ব্যাংকিং খাত এখন সরকারের প্রধান নির্ভরতার জায়গা হয়ে উঠেছে।

বেসরকারি খাতের ঋণ-প্রবৃদ্ধি কমতির দিকেই | The Business Standard

ব্যাংকে বাড়তি তারল্য, সুযোগ নিচ্ছে সরকার

বর্তমানে ব্যাংকগুলোর হাতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রয়েছে। বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি কম থাকায় সেই অর্থের বড় অংশ অব্যবহৃত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলো নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ট্রেজারি বিল ও বন্ডে অর্থ রাখছে। এতে সরকার সহজেই বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছে।

ডলার কেনা ও বাজারে টাকার প্রবাহ

বছরের শুরু থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনে আসছে। এর ফলে ব্যাংকিং খাতে টাকার পরিমাণ আরও বেড়েছে। এই বাড়তি তারল্যই সরকারের জন্য ঋণ নেওয়ার পথকে সহজ করেছে।

ঋণ পরিকল্পনা আরও বড় পরিসরে

এপ্রিল থেকে জুন—এই তিন মাসে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে সরকার ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। পাশাপাশি ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে আরও ৩৯ হাজার কোটি টাকার মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডলারের দাম বাড়বে কমবে টাকার প্রবাহ

ঋণ নেওয়ার বাস্তব চিত্র

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঋণ সরকারের নিট ঋণ নয়। কারণ পুরোনো বিল ও বন্ডের মেয়াদ শেষ হলে নতুন নিলামের মাধ্যমে সেগুলো নবায়ন করা হয়। ফলে মোট ঋণের হিসাব বুঝতে হলে এই বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হয়।

বেসরকারি বিনিয়োগে ধীরগতি

বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি খুবই কম। নতুন বিনিয়োগের অভাব এবং ব্যবসায়ীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা কমেছে। এতে ব্যাংকের হাতে থাকা অর্থ সরকার সহজেই টেনে নিতে পারছে।