যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই বিশ্ব অর্থবাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশেষ করে জ্বালানি বাজার ও শেয়ারবাজারে এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
তেলের দামে পতন
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য নির্ধারণের অন্যতম সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ ডলারে নেমে এসেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি শিথিল হওয়ার আশায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসায় এই পতন ঘটেছে।
![]()
এশিয়ার শেয়ারবাজারে উত্থান
বুধবার সকালে এশিয়ার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয় ইতিবাচক ধারা নিয়ে। জাপানের নিক্কেই সূচক প্রায় ৪ শতাংশ বেড়েছে। একইভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক ৫ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিনিয়োগকারীরা যুদ্ধবিরতিকে অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও আশাবাদ
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার খোলার আগেই ফিউচার লেনদেনে উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকের ফিউচার ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, বিনিয়োগকারীরা আগাম বাজারে ইতিবাচক প্রবণতার ওপর বাজি ধরছেন।

সার্বিক চিত্র
সব মিলিয়ে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণার ফলে বিশ্ব অর্থবাজারে স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে। তেলের দাম কমা এবং শেয়ারবাজারে উত্থান—দুইই দেখাচ্ছে যে, বিনিয়োগকারীরা পরিস্থিতির উন্নতির প্রত্যাশা করছেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















