সময়সীমা ঘনিয়ে আসার ঠিক আগে এবং যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমেনি, বরং একাধিক দেশে হামলার খবর পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
সময়সীমার আগে হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি
রাত আটটার নির্ধারিত সময়সীমার কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা আরও জোরদার করে। এই সময়ে সামরিক চাপ স্পষ্টভাবে বাড়তে থাকে এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে আরও সক্রিয় প্রচেষ্টা চালাতে থাকে।
![]()
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও নতুন হামলার খবর
যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলাকালীন এবং চুক্তির পরপরই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর আসে। কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং ইসরায়েল—সব জায়গা থেকেই এমন হামলার তথ্য পাওয়া যায়, যা পরিস্থিতির জটিলতা বাড়িয়ে দেয়।
অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তি
এই হামলাগুলো যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করে হয়েছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। আবার এমনও ধারণা রয়েছে যে, ইরানের সামরিক বাহিনীর কাছে নতুন নির্দেশ পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় এই হামলা হয়ে থাকতে পারে। ফলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

পরিস্থিতির সামগ্রিক চিত্র
সব মিলিয়ে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও মাটিতে উত্তেজনা কমেনি। বরং হামলা ও পাল্টা হামলার খবর প্রমাণ করছে, কূটনৈতিক সমাধান বাস্তবে কার্যকর হতে সময় লাগছে এবং পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















