১১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

তেলের দাম কমেছে: ব্যারেলপ্রতি ৯৫ ডলারে ব্রেন্ট, যুদ্ধবিরতির প্রভাবে বাজারে স্বস্তি

যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। দামের দ্রুত পতনে সাময়িক স্বস্তি এলেও বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ পুরোপুরি দূর হয়নি। এখন সবার নজর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির দিকে।

তেলের দামে তীব্র পতন

আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম নেমে এসেছে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৫ ডলারে। যুদ্ধবিরতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দাম প্রায় ১৩ শতাংশ কমে যায়।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দাম দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৬ ডলারে, যা প্রায় ১৫ শতাংশ পতনের ইঙ্গিত দেয়। এই দুই সূচকই বাজারে দ্রুত পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রমাণ।

ঘোষণা ছাড়াই ২০ হাজার ডলার দেশে আনার সুযোগ

হরমুজ প্রণালী নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

বিশ্ব জ্বালানি বাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালী এখন বিনিয়োগকারীদের মূল চিন্তার জায়গা। ইরান ও ওমানের মাঝখানে অবস্থিত এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে সাধারণ সময়ে বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়।

কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।

জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার প্রভাব

ইসরায়েল ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদে তেল ও গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভিয়েতনামী জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত  তথ্য প্রদান করে।

সামগ্রিকভাবে, যুদ্ধবিরতি তেলের দামে তাৎক্ষণিক পতন এনে বাজারে কিছুটা স্বস্তি দিলেও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

তেলের দাম কমেছে: ব্যারেলপ্রতি ৯৫ ডলারে ব্রেন্ট, যুদ্ধবিরতির প্রভাবে বাজারে স্বস্তি

০২:১৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। দামের দ্রুত পতনে সাময়িক স্বস্তি এলেও বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ পুরোপুরি দূর হয়নি। এখন সবার নজর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির দিকে।

তেলের দামে তীব্র পতন

আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম নেমে এসেছে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৫ ডলারে। যুদ্ধবিরতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দাম প্রায় ১৩ শতাংশ কমে যায়।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দাম দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৬ ডলারে, যা প্রায় ১৫ শতাংশ পতনের ইঙ্গিত দেয়। এই দুই সূচকই বাজারে দ্রুত পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রমাণ।

ঘোষণা ছাড়াই ২০ হাজার ডলার দেশে আনার সুযোগ

হরমুজ প্রণালী নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

বিশ্ব জ্বালানি বাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালী এখন বিনিয়োগকারীদের মূল চিন্তার জায়গা। ইরান ও ওমানের মাঝখানে অবস্থিত এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে সাধারণ সময়ে বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়।

কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।

জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার প্রভাব

ইসরায়েল ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষতি দীর্ঘমেয়াদে তেল ও গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভিয়েতনামী জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত  তথ্য প্রদান করে।

সামগ্রিকভাবে, যুদ্ধবিরতি তেলের দামে তাৎক্ষণিক পতন এনে বাজারে কিছুটা স্বস্তি দিলেও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।