জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সংসদে জানিয়েছেন, প্রয়োজনে মে মাস থেকে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে। সাংসদ শওকাতুল ইসলামের জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি এই ইঙ্গিত দেন। এপ্রিলে জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা টানা তৃতীয় মাস। ডিজেল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা ও পেট্রোল ১১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে সরকারের ভর্তুকি বোঝা ক্রমশ বাড়ছে।

ভর্তুকি চাপ ও আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা
শুধু মার্চ মাসেই সরকার জ্বালানি ভর্তুকিতে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ করেছে। হরমুজ প্রণালী সংকটের কারণে জ্বালানি আমদানি খরচ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭১ ডলার ছিল, যা মার্চে ১৬৬ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। তবে মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় তেলের দাম ১৩ শতাংশ পড়েছে। যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হলে আমদানি খরচ কমতে পারে, তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দাম স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। মন্ত্রীর এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন সারা দেশে জ্বালানি সংকট চলছে এবং নোয়াখালীতে ক্ষুব্ধ গাড়িচালকরা পাম্প ভাংচুর করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















