যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা বৈশ্বিক কূটনীতিতে ইসলামাবাদকে কেন্দ্রমঞ্চে নিয়ে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ট্রাম্পকে চরমসীমা বাড়াতে এবং ইরানকে হরমুজ খুলতে রাজি করাতে মূল ভূমিকা রেখেছেন। শরিফ এক্সে লিখেছেন, তিনি উভয় দেশের প্রতিনিধি দলকে শুক্রবার ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ইসলামাবাদ আলোচনা টেকসই শান্তি অর্জনে সফল হবে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন।

বাংলাদেশের প্রতিবেশীর কূটনৈতিক সাফল্য
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও এই মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ট্রাম্প তার ঘোষণায় শরিফ ও মুনির উভয়ের নাম উল্লেখ করেছেন। চীনও শেষ মুহূর্তে ইরানকে যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে চাপ দিয়েছে বলে জানা গেছে। ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালীতে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ে ‘নিয়ন্ত্রিত চলাচল’ এবং পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি রয়েছে। এই শর্তগুলো মেনে নেওয়া হলে তা ৪৭ বছরের মার্কিন-ইরান শত্রুতায় অসাধারণ পরিবর্তন হবে। বাংলাদেশের জন্য পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক সাফল্য আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















