যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি ও হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে পড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ১৩ শতাংশ কমেছে। মার্কিন ক্রুড ৮ শতাংশ পড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলারে নেমেছে, যা দিনের শুরুতে ১১৭ ডলারে ছিল। মঙ্গলবার ট্রাম্পের হুমকিতে দিনভর বাজারে অস্থিরতা ছিল, কিন্তু যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় রাতে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে যায়। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার্স ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। জাপানের নিক্কেই সূচক ২,৬০০ পয়েন্ট বেড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর বাজারে এটি সবচেয়ে বড় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া।

বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিতে স্বস্তির সম্ভাবনা
বাংলাদেশ জ্বালানি চাহিদার ৯৫ শতাংশ আমদানি করে। তেলের দাম কমলে সরকারের আমদানি খরচ ও ভর্তুকি বোঝা কমবে। ফেব্রুয়ারির শেষে যুদ্ধ শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৭১ ডলার, মার্চে তা রেকর্ড ১৬৬ ডলার ছুঁয়েছিল। যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হলে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি চলাচল স্বাভাবিক হলে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, বীমা খরচ ও শিপিং রুটের পুনর্গঠনে সময় লাগবে। মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ) জানিয়েছে, হরমুজ খুললেও জ্বালানির দাম কয়েক মাস বেশি থাকতে পারে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপ কমার আশা তৈরি হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















