যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, চুক্তি না হলে একটি সম্পূর্ণ সভ্যতা আজ রাতে মারা যাবে, আর কখনো ফিরে আসবে না। তিনি ইরানের প্রতিটি সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র মধ্যরাতের মধ্যে ধ্বংস করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। এরপর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চুক্তি হলে তিনি দুই সপ্তাহের জন্য আক্রমণ স্থগিত ঘোষণা করেন। আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বেসামরিক অবকাঠামোতে এই মাত্রার হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

২৫তম সংশোধনীর দাবি ও বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া
ট্রাম্পের এই হুমকিকে কেন্দ্র করে ৮০ জনের বেশি ডেমোক্র্যাট সদস্য ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের দাবি তুলেছেন, যা অযোগ্য রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা থেকে সরানোর বিধান। পোপ লিও চতুর্দশ বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও মানবতার জন্য ঘৃণা ও ধ্বংসের চিহ্ন বলে নিন্দা করেছেন। ইরানে নাগরিকরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে মানববন্ধন তৈরি করেছিলেন, যা ট্রাম্প ‘সম্পূর্ণ অবৈধ’ বলে সমালোচনা করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় ফার্স সংবাদ সংস্থা মানববন্ধনের ভিডিও প্রকাশ করেছে। এই পুরো ঘটনাক্রম বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসে একটি অসাধারণ দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, যেখানে ধ্বংসের চরম হুমকির পরপরই শান্তির পথে ফেরা হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















