০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

লোকসভায় আসন বাড়ানো ও সীমানা পুনর্নির্ধারণে কংগ্রেসের আপত্তি

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • 34

ভারতের রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে লোকসভা আসন বৃদ্ধি ও সীমানা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব। এই প্রেক্ষাপটে কংগ্রেস তাদের লোকসভা সদস্যদের জন্য তিনলাইন হুইপ জারি করেছে, যাতে তারা বিশেষ অধিবেশনে উপস্থিত থেকে দলীয় অবস্থান সমর্থন করেন।

বিশেষ অধিবেশন ঘিরে উত্তাপ

সংসদের তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে মূলত নারী সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে। সরকার প্রস্তাব দিয়েছে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলির আসন সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়ানোর। লোকসভায় বর্তমানে ৫৪৩টি আসন থেকে বাড়িয়ে তা ৮১৬-এ নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ২৭২টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছে।

কংগ্রেসের দ্বৈত অবস্থান

কংগ্রেস সূত্রে জানা যাচ্ছে, তারা সীমানা পুনর্নির্ধারণের সাংবিধানিক সংশোধনীকে সমর্থন করবে না। তবে একই সঙ্গে দলটি চায় না যে তারা নারী সংরক্ষণ আইনের বিরোধী হিসেবে চিহ্নিত হোক। তাই বিদ্যমান ৫৪৩টি আসনের মধ্যেই এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণ করে আইন কার্যকর করার প্রস্তাব দিতে পারে দলটি।

আগের অবস্থানের ধারাবাহিকতা

২০২৩ সালে নারী সংরক্ষণ বিল পাসের সময়ই কংগ্রেস নেতৃত্ব দাবি করেছিল, এই আইন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই কার্যকর করা উচিত। সেই অবস্থান এখনও বহাল রয়েছে বলে স্পষ্ট হয়েছে সাম্প্রতিক পদক্ষেপে।

সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে উদ্বেগ

দলীয় শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, সীমানা পুনর্নির্ধারণই এখন মূল বিতর্কের বিষয়। তাদের মতে, এই প্রক্রিয়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা ও ঐকমত্যের প্রয়োজন রয়েছে।

Congress issues three-line whip to its Lok Sabha MPs; unlikely to back  delimitation - The Hindu

সর্বদলীয় বৈঠকের দাবি

কংগ্রেস নেতৃত্ব দাবি করেছে, রাজ্য নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এই বিষয়ে একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকা হোক। তাদের মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব রাজনৈতিক দলের মতামত নেওয়া জরুরি।

সময় নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন

বিশেষ অধিবেশনের সময় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারের মাঝখানে এই অধিবেশন ডেকে সরকার রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে।

ভারতের সংসদীয় রাজনীতিতে এই ইস্যু এখন বড় ধরনের বিতর্কে রূপ নিয়েছে। সামনে কী সিদ্ধান্ত আসে, তা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

লোকসভা আসন বৃদ্ধি ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে কংগ্রেসের আপত্তি, নারী সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন প্রস্তাব

লোকসভা আসন বৃদ্ধি ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ

লোকসভা আসন বাড়ানো ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নতুন বিতর্ক। কংগ্রেসের আপত্তি, নারী সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে ভিন্ন প্রস্তাব।

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

লোকসভায় আসন বাড়ানো ও সীমানা পুনর্নির্ধারণে কংগ্রেসের আপত্তি

০৬:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে লোকসভা আসন বৃদ্ধি ও সীমানা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব। এই প্রেক্ষাপটে কংগ্রেস তাদের লোকসভা সদস্যদের জন্য তিনলাইন হুইপ জারি করেছে, যাতে তারা বিশেষ অধিবেশনে উপস্থিত থেকে দলীয় অবস্থান সমর্থন করেন।

বিশেষ অধিবেশন ঘিরে উত্তাপ

সংসদের তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে মূলত নারী সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে। সরকার প্রস্তাব দিয়েছে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলির আসন সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়ানোর। লোকসভায় বর্তমানে ৫৪৩টি আসন থেকে বাড়িয়ে তা ৮১৬-এ নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ২৭২টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছে।

কংগ্রেসের দ্বৈত অবস্থান

কংগ্রেস সূত্রে জানা যাচ্ছে, তারা সীমানা পুনর্নির্ধারণের সাংবিধানিক সংশোধনীকে সমর্থন করবে না। তবে একই সঙ্গে দলটি চায় না যে তারা নারী সংরক্ষণ আইনের বিরোধী হিসেবে চিহ্নিত হোক। তাই বিদ্যমান ৫৪৩টি আসনের মধ্যেই এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণ করে আইন কার্যকর করার প্রস্তাব দিতে পারে দলটি।

আগের অবস্থানের ধারাবাহিকতা

২০২৩ সালে নারী সংরক্ষণ বিল পাসের সময়ই কংগ্রেস নেতৃত্ব দাবি করেছিল, এই আইন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই কার্যকর করা উচিত। সেই অবস্থান এখনও বহাল রয়েছে বলে স্পষ্ট হয়েছে সাম্প্রতিক পদক্ষেপে।

সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে উদ্বেগ

দলীয় শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, সীমানা পুনর্নির্ধারণই এখন মূল বিতর্কের বিষয়। তাদের মতে, এই প্রক্রিয়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা ও ঐকমত্যের প্রয়োজন রয়েছে।

Congress issues three-line whip to its Lok Sabha MPs; unlikely to back  delimitation - The Hindu

সর্বদলীয় বৈঠকের দাবি

কংগ্রেস নেতৃত্ব দাবি করেছে, রাজ্য নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এই বিষয়ে একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকা হোক। তাদের মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব রাজনৈতিক দলের মতামত নেওয়া জরুরি।

সময় নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন

বিশেষ অধিবেশনের সময় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারের মাঝখানে এই অধিবেশন ডেকে সরকার রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে।

ভারতের সংসদীয় রাজনীতিতে এই ইস্যু এখন বড় ধরনের বিতর্কে রূপ নিয়েছে। সামনে কী সিদ্ধান্ত আসে, তা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

লোকসভা আসন বৃদ্ধি ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে কংগ্রেসের আপত্তি, নারী সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন প্রস্তাব

লোকসভা আসন বৃদ্ধি ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ

লোকসভা আসন বাড়ানো ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নতুন বিতর্ক। কংগ্রেসের আপত্তি, নারী সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে ভিন্ন প্রস্তাব।