১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

হরমুজ প্রণালীতে আটকে জাপান-সম্পৃক্ত জাহাজ, অনিশ্চয়তায় জ্বালানি পথ

পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা জাপান-সম্পৃক্ত প্রায় ৪০টি জাহাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে এসব জাহাজ শিগগিরই বের হতে পারবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আলোচনার ভাঙন, বাড়ছে উত্তেজনা

সপ্তাহান্তে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী সব ধরনের নৌযান চলাচলে অবরোধ শুরু করে। ফলে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।

এর আগে ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ঘিরে যে স্বস্তি তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও।

42 Japan-Linked Ships Still Stranded in Persian Gulf | Nippon.com

জাহাজগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা

জাপান সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্য উপসাগরে থাকা জাহাজগুলো কখন বের হতে পারবে, তা বলা কঠিন। যদিও চলমান নিষেধাজ্ঞার কারণে জাপানি জাহাজগুলো সরাসরি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে যুক্ত নয়, তবুও সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

এদিকে নতুন করে আরও একটি জাপান-সম্পৃক্ত জাহাজ পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। জাহাজটি একটি পরিবহন জাহাজ এবং এতে কোনো জাপানি নাগরিক নেই।

কিছু জাহাজ ইতিমধ্যে বের হয়েছে

তবে সব জাহাজ আটকে নেই। যুদ্ধবিরতির আগেই কয়েকটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে উপসাগর ছেড়ে গেছে। এসব জাহাজের মধ্যে কিছু দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশের উদ্দেশে যাচ্ছিল এবং অন্য একটি জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যের একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দিকে রওনা দেয়।

No ships in the Strait of Hormuz – brace for global economic shock? - Navy  Lookout

ধারণা করা হচ্ছে, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে এবং নির্ধারিত ফি প্রদান করে, তাদের জাহাজকে প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব

হরমুজ প্রণালী বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। এখানে অস্থিরতা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। ফলে শুধু জাপান নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পরিস্থিতি কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত নেই। তবে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বাড়ার লক্ষণই দেখা যাচ্ছে, যা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নতুন করে ভাবাচ্ছে।

 

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

হরমুজ প্রণালীতে আটকে জাপান-সম্পৃক্ত জাহাজ, অনিশ্চয়তায় জ্বালানি পথ

১২:১৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা জাপান-সম্পৃক্ত প্রায় ৪০টি জাহাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে এসব জাহাজ শিগগিরই বের হতে পারবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আলোচনার ভাঙন, বাড়ছে উত্তেজনা

সপ্তাহান্তে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী সব ধরনের নৌযান চলাচলে অবরোধ শুরু করে। ফলে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।

এর আগে ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ঘিরে যে স্বস্তি তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও।

42 Japan-Linked Ships Still Stranded in Persian Gulf | Nippon.com

জাহাজগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা

জাপান সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্য উপসাগরে থাকা জাহাজগুলো কখন বের হতে পারবে, তা বলা কঠিন। যদিও চলমান নিষেধাজ্ঞার কারণে জাপানি জাহাজগুলো সরাসরি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে যুক্ত নয়, তবুও সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

এদিকে নতুন করে আরও একটি জাপান-সম্পৃক্ত জাহাজ পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। জাহাজটি একটি পরিবহন জাহাজ এবং এতে কোনো জাপানি নাগরিক নেই।

কিছু জাহাজ ইতিমধ্যে বের হয়েছে

তবে সব জাহাজ আটকে নেই। যুদ্ধবিরতির আগেই কয়েকটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে উপসাগর ছেড়ে গেছে। এসব জাহাজের মধ্যে কিছু দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশের উদ্দেশে যাচ্ছিল এবং অন্য একটি জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যের একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দিকে রওনা দেয়।

No ships in the Strait of Hormuz – brace for global economic shock? - Navy  Lookout

ধারণা করা হচ্ছে, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে এবং নির্ধারিত ফি প্রদান করে, তাদের জাহাজকে প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব

হরমুজ প্রণালী বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। এখানে অস্থিরতা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। ফলে শুধু জাপান নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পরিস্থিতি কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত নেই। তবে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বাড়ার লক্ষণই দেখা যাচ্ছে, যা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নতুন করে ভাবাচ্ছে।