১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

জাপানে প্রথম চালকবিহীন এক্সপ্রেসওয়ে বাসের পথে আইচি, ২০২৭ সালের লক্ষ্য নিয়ে জোরদার প্রস্তুতি

জাপানের আইচি প্রিফেকচার এবার দেশটির প্রথম চালকবিহীন এক্সপ্রেসওয়ে বাস চালুর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে। ইতোমধ্যে একাধিক পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালিয়ে তারা সম্ভাবনা যাচাই করছে এবং চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করছে।

পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে অগ্রগতি

২০২৫ অর্থবছরজুড়ে আইচি প্রশাসন লেভেল ২ পর্যায়ের একাধিক পরীক্ষা চালায়, যেখানে বাসে চালক উপস্থিত থাকলেও কিছু অংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়। এসব পরীক্ষায় বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ সামনে আসে।

গত বছরের নভেম্বরে একটি বড় পর্যটন বাস নিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে পরীক্ষামূলক যাত্রা পরিচালনা করা হয়। এই রুটটি টোকোনামে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আগুই শহর পর্যন্ত প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ছিল। স্বয়ংক্রিয় অবস্থায় বাসটির সর্বোচ্চ গতি নির্ধারণ করা হয় ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, যাত্রাটি ছিল অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ এবং সাধারণ বাস ভ্রমণের মতোই স্বাভাবিক অনুভূতি দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ২০২৭ সালের মধ্যে এটি বাস্তবে চালু করা সম্ভব হবে।

Tag - The Japan Times

লেভেল ৪ প্রযুক্তির লক্ষ্য

লেভেল ৪ প্রযুক্তির অর্থ হলো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বাস সম্পূর্ণভাবে চালক ছাড়াই চলতে পারবে। বর্তমানে জাপানের কিছু এলাকায় ছোট আকারের যানবাহনে এই প্রযুক্তি চালু হলেও এক্সপ্রেসওয়ে বাসে এটি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

আইচির এই উদ্যোগ ২০১৬ সাল থেকে চলমান স্বয়ংক্রিয় যানবাহন উন্নয়ন প্রকল্পেরই অংশ। প্রশাসনের লক্ষ্য হলো বেসরকারি পরিবহন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে একটি কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করা।

প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ ও সমাধান

পরীক্ষায় বাস পরিচালনার জন্য মানচিত্রভিত্তিক অবস্থান নির্ধারণ এবং উপগ্রহভিত্তিক সংকেত ব্যবস্থার সমন্বয় ব্যবহার করা হয়। তবে সংকেত দুর্বল হলে সঠিক অবস্থান নির্ধারণে সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে রাস্তার সাদা লেন শনাক্ত করার একটি নতুন পদ্ধতি যুক্ত করা হয়, যা চালনার স্থিতিশীলতা বাড়ায়।

Level 4' Self-Driving Buses Get First Tokyo Tests | Engoo Daily News

তবুও কিছু জটিলতা রয়ে গেছে। যেমন, ইলেকট্রনিক টোল লেনের প্রস্থ মাত্র তিন মিটার, আর বাসের প্রস্থ প্রায় আড়াই মিটার। ফলে সামান্য বিচ্যুতি ঘটলেও নিরাপদে গেট পার হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া নির্মাণকাজের কারণে রাস্তা পরিবর্তিত হলে বাসকে ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণে নিতে হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব সমস্যা সমাধানে আরও উন্নত নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি এবং সড়ক তথ্যের আগাম সংযোজন জরুরি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আইচি প্রশাসন জানিয়েছে, চলতি বছরের মে মাসের দিকে আবারও পরীক্ষা শুরু করা হবে। এবার সাধারণ যাত্রীদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত চাহিদা বোঝা যায়।

কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় গাড়ির প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং অবকাঠামোগত সমন্বয় করা হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রকল্প সফল হলে ভবিষ্যতে জাপানের পরিবহন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।

 

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

জাপানে প্রথম চালকবিহীন এক্সপ্রেসওয়ে বাসের পথে আইচি, ২০২৭ সালের লক্ষ্য নিয়ে জোরদার প্রস্তুতি

১২:৩৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

জাপানের আইচি প্রিফেকচার এবার দেশটির প্রথম চালকবিহীন এক্সপ্রেসওয়ে বাস চালুর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে। ইতোমধ্যে একাধিক পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালিয়ে তারা সম্ভাবনা যাচাই করছে এবং চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করছে।

পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে অগ্রগতি

২০২৫ অর্থবছরজুড়ে আইচি প্রশাসন লেভেল ২ পর্যায়ের একাধিক পরীক্ষা চালায়, যেখানে বাসে চালক উপস্থিত থাকলেও কিছু অংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়। এসব পরীক্ষায় বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ সামনে আসে।

গত বছরের নভেম্বরে একটি বড় পর্যটন বাস নিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে পরীক্ষামূলক যাত্রা পরিচালনা করা হয়। এই রুটটি টোকোনামে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আগুই শহর পর্যন্ত প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ছিল। স্বয়ংক্রিয় অবস্থায় বাসটির সর্বোচ্চ গতি নির্ধারণ করা হয় ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, যাত্রাটি ছিল অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ এবং সাধারণ বাস ভ্রমণের মতোই স্বাভাবিক অনুভূতি দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ২০২৭ সালের মধ্যে এটি বাস্তবে চালু করা সম্ভব হবে।

Tag - The Japan Times

লেভেল ৪ প্রযুক্তির লক্ষ্য

লেভেল ৪ প্রযুক্তির অর্থ হলো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বাস সম্পূর্ণভাবে চালক ছাড়াই চলতে পারবে। বর্তমানে জাপানের কিছু এলাকায় ছোট আকারের যানবাহনে এই প্রযুক্তি চালু হলেও এক্সপ্রেসওয়ে বাসে এটি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

আইচির এই উদ্যোগ ২০১৬ সাল থেকে চলমান স্বয়ংক্রিয় যানবাহন উন্নয়ন প্রকল্পেরই অংশ। প্রশাসনের লক্ষ্য হলো বেসরকারি পরিবহন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে একটি কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করা।

প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ ও সমাধান

পরীক্ষায় বাস পরিচালনার জন্য মানচিত্রভিত্তিক অবস্থান নির্ধারণ এবং উপগ্রহভিত্তিক সংকেত ব্যবস্থার সমন্বয় ব্যবহার করা হয়। তবে সংকেত দুর্বল হলে সঠিক অবস্থান নির্ধারণে সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে রাস্তার সাদা লেন শনাক্ত করার একটি নতুন পদ্ধতি যুক্ত করা হয়, যা চালনার স্থিতিশীলতা বাড়ায়।

Level 4' Self-Driving Buses Get First Tokyo Tests | Engoo Daily News

তবুও কিছু জটিলতা রয়ে গেছে। যেমন, ইলেকট্রনিক টোল লেনের প্রস্থ মাত্র তিন মিটার, আর বাসের প্রস্থ প্রায় আড়াই মিটার। ফলে সামান্য বিচ্যুতি ঘটলেও নিরাপদে গেট পার হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া নির্মাণকাজের কারণে রাস্তা পরিবর্তিত হলে বাসকে ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণে নিতে হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব সমস্যা সমাধানে আরও উন্নত নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি এবং সড়ক তথ্যের আগাম সংযোজন জরুরি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আইচি প্রশাসন জানিয়েছে, চলতি বছরের মে মাসের দিকে আবারও পরীক্ষা শুরু করা হবে। এবার সাধারণ যাত্রীদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত চাহিদা বোঝা যায়।

কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় গাড়ির প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং অবকাঠামোগত সমন্বয় করা হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রকল্প সফল হলে ভবিষ্যতে জাপানের পরিবহন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।