০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
নওগাঁয় লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত শিল্প-সেচ, কমছে চালকলের উৎপাদন ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৭০, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৮০৫ রোগী মাতৃত্ব আমার উচ্চাকাঙ্ক্ষা কমায়নি, বরং কোন কাজ সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানে এনরনের ছায়া, তবে ধস অনিবার্য নয় বিষণ্নতা আসার আগেই জানাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, চার বছর আগেই মিলবে সতর্কবার্তা ছুঁয়ে না দেখেই বস্তু চিনবে রোবট, চীনের নতুন ‘ইলেকট্রিক ইল’ প্রযুক্তিতে এআই এজেন্টের ভয়ংকর আচরণ: প্রতিদ্বন্দ্বীকে ‘হত্যা’, নজরদারি ফাঁকি ও প্রতারণার তথ্য প্রকাশ ভিসা বাতিল, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ মেক্সিকোর সাবেক প্রেসিডেন্টপুত্রের আফ্রিকায় গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা হয়ে উঠতে পারে চীনের ইউয়ান, কমছে ডলারের নির্ভরতা জোকবো: পুরুষের বংশলিপির ভেতর নারীর হারানো ইতিহাস

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় হামের মতো উপসর্গে ১৯ শিশুর ভর্তি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে হঠাৎ করে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বেড়ে গেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ১৯ জন শিশুকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যা স্থানীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।

উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই আসছে নতুন রোগী

হাসপাতাল সূত্র জানায়, জ্বর, গায়ে ফুসকুড়ি এবং সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন শিশু হাসপাতালে আসছে। এতে ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালটি চাপের মুখে পড়েছে।

আইসোলেশন চালু, তবুও শয্যা সংকট

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রকোপ অব্যাহত, নতুন ভর্তি ১৯ শিশু

পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি আলাদা আইসোলেশন কর্নার চালু করেছে। তবে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক শিশুকে শয্যা না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

সুস্থ হয়ে ফিরছে অনেকে, গুরুতর রোগী স্থানান্তর

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ জন শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। তবে গুরুতর অবস্থায় থাকা তিনজন শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ৭৫ জন শিশু একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

বছরের শুরু থেকে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭২১ জন শিশু হামের মতো উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এ সময়ে চারজন শিশুর মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে, যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছেই, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৩৯ - Digi  Bangla

সব উপসর্গই হাম নয়, সতর্ক থাকার পরামর্শ

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ জানান, সব রোগীই যে হাম আক্রান্ত তা নিশ্চিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে গরমের কারণে হওয়া ফুসকুড়ি, জ্বর ও সর্দি-কাশিকে হাম ভেবে আতঙ্কিত হচ্ছেন অভিভাবকরা।

তিনি বলেন, সব সন্দেহজনক রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই। হালকা উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতেই চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি, বিশেষ করে শয্যা সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত শিল্প-সেচ, কমছে চালকলের উৎপাদন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় হামের মতো উপসর্গে ১৯ শিশুর ভর্তি

০১:৫৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে হঠাৎ করে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বেড়ে গেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ১৯ জন শিশুকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যা স্থানীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।

উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই আসছে নতুন রোগী

হাসপাতাল সূত্র জানায়, জ্বর, গায়ে ফুসকুড়ি এবং সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন শিশু হাসপাতালে আসছে। এতে ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালটি চাপের মুখে পড়েছে।

আইসোলেশন চালু, তবুও শয্যা সংকট

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রকোপ অব্যাহত, নতুন ভর্তি ১৯ শিশু

পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি আলাদা আইসোলেশন কর্নার চালু করেছে। তবে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক শিশুকে শয্যা না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

সুস্থ হয়ে ফিরছে অনেকে, গুরুতর রোগী স্থানান্তর

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ জন শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। তবে গুরুতর অবস্থায় থাকা তিনজন শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ৭৫ জন শিশু একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

বছরের শুরু থেকে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭২১ জন শিশু হামের মতো উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এ সময়ে চারজন শিশুর মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে, যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছেই, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ৩৯ - Digi  Bangla

সব উপসর্গই হাম নয়, সতর্ক থাকার পরামর্শ

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ জানান, সব রোগীই যে হাম আক্রান্ত তা নিশ্চিত নয়। অনেক ক্ষেত্রে গরমের কারণে হওয়া ফুসকুড়ি, জ্বর ও সর্দি-কাশিকে হাম ভেবে আতঙ্কিত হচ্ছেন অভিভাবকরা।

তিনি বলেন, সব সন্দেহজনক রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই। হালকা উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতেই চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি, বিশেষ করে শয্যা সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে।