০৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানব পাচারচক্রে আটকে আছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অনলাইন স্ক্যাম কম্পাউন্ডগুলোতে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী আটকে আছেন বলে জানা গেছে। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ক্যাম্বোডিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে সাইবার জালিয়াতির কাজ করতে।

[সম্পাদকীয় নোট: ইউএনবির সংবাদ শিরোনাম নিশ্চিত হয়েছে। পূর্ণ আর্টিকেলের বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

কীভাবে ফাঁদে পড়ছেন তারা

সাধারণত ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস বা মার্কেটিং পেশায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দিয়ে দালালরা তরুণদের এই দেশগুলোতে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরেই পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণা করার কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

সরকারের কাছে পরিবারের আকুল আবেদন

আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারগুলো সরকারের কাছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনও একই ধরনের কম্পাউন্ড থেকে তাদের নাগরিকদের উদ্ধারে সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে।

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানব পাচারচক্রে আটকে আছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী

০৭:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অনলাইন স্ক্যাম কম্পাউন্ডগুলোতে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী আটকে আছেন বলে জানা গেছে। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ক্যাম্বোডিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে সাইবার জালিয়াতির কাজ করতে।

[সম্পাদকীয় নোট: ইউএনবির সংবাদ শিরোনাম নিশ্চিত হয়েছে। পূর্ণ আর্টিকেলের বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

কীভাবে ফাঁদে পড়ছেন তারা

সাধারণত ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস বা মার্কেটিং পেশায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দিয়ে দালালরা তরুণদের এই দেশগুলোতে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরেই পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণা করার কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

সরকারের কাছে পরিবারের আকুল আবেদন

আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারগুলো সরকারের কাছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনও একই ধরনের কম্পাউন্ড থেকে তাদের নাগরিকদের উদ্ধারে সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে।