০৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস মালয়েশিয়ায় একক মায়ের সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ছাড়াল, দারিদ্র্য ও জীবনযুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে চীনের নতুন বার্তা: দেশের টাকা দেশে রাখুন, বিদেশে বিনিয়োগে বাড়ছে কড়াকড়ি মালয়েশিয়ায় ডিজেলে বাড়ছে পাম অয়েলের ব্যবহার, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপ ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবিতে জি-৭ নেতারা সিঙ্গাপুরের নেতৃত্বে আসিয়ানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুগ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও তথ্যপ্রবাহে জোর ভারতে  টমেটো-পেঁয়াজ-আলুর দামে আগুন, কৃষকের হাতে নেই ন্যায্য মূল্য পশ্চিমবঙ্গে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রাজপথে মমতা, হকারদের পক্ষে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন কোটা থেকে রাহুলের শিক্ষা বার্তা: ‘স্বপ্ন গড়ার বদলে শিক্ষাব্যবস্থা চাপ ও খরচ বাড়াচ্ছে’ টেলিগ্রামে প্রশ্নফাঁস আতঙ্ক, সতর্কবার্তার পরই ভারতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানব পাচারচক্রে আটকে আছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অনলাইন স্ক্যাম কম্পাউন্ডগুলোতে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী আটকে আছেন বলে জানা গেছে। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ক্যাম্বোডিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে সাইবার জালিয়াতির কাজ করতে।

[সম্পাদকীয় নোট: ইউএনবির সংবাদ শিরোনাম নিশ্চিত হয়েছে। পূর্ণ আর্টিকেলের বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

কীভাবে ফাঁদে পড়ছেন তারা

সাধারণত ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস বা মার্কেটিং পেশায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দিয়ে দালালরা তরুণদের এই দেশগুলোতে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরেই পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণা করার কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

সরকারের কাছে পরিবারের আকুল আবেদন

আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারগুলো সরকারের কাছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনও একই ধরনের কম্পাউন্ড থেকে তাদের নাগরিকদের উদ্ধারে সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানব পাচারচক্রে আটকে আছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী

০৭:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অনলাইন স্ক্যাম কম্পাউন্ডগুলোতে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী আটকে আছেন বলে জানা গেছে। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ক্যাম্বোডিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে সাইবার জালিয়াতির কাজ করতে।

[সম্পাদকীয় নোট: ইউএনবির সংবাদ শিরোনাম নিশ্চিত হয়েছে। পূর্ণ আর্টিকেলের বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

কীভাবে ফাঁদে পড়ছেন তারা

সাধারণত ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস বা মার্কেটিং পেশায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দিয়ে দালালরা তরুণদের এই দেশগুলোতে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরেই পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণা করার কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

সরকারের কাছে পরিবারের আকুল আবেদন

আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারগুলো সরকারের কাছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনও একই ধরনের কম্পাউন্ড থেকে তাদের নাগরিকদের উদ্ধারে সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে।