১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা চীনা ব্যবসায়ীর ১ কোটি টাকা নিয়ে চালক উধাও, মেসেজে লিখলেন ‘আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি’ কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি, ফেরার অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ অস্ত্রের মুখে বিকাশকর্মীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, পালাল ৬ দুর্বৃত্ত নেপালে বন্যার তাণ্ডব: ‘নিখোঁজদের দেয়ালে’ স্বজন খুঁজছেন হাজারো মানুষ ভারতের ৭.৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কেন উঠছে প্রশ্ন? নেপালের বন্যাবিধ্বস্ত উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই নেই ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ নয়, প্রকৃত তথ্য জানাল পুলিশ সাভারে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মিশেল কোগান: মিশেলিন তারকা পাওয়া রাঁধুনি, যাঁর পাই এখন নিউইয়র্কে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানব পাচারচক্রে আটকে আছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অনলাইন স্ক্যাম কম্পাউন্ডগুলোতে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী আটকে আছেন বলে জানা গেছে। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ক্যাম্বোডিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে সাইবার জালিয়াতির কাজ করতে।

[সম্পাদকীয় নোট: ইউএনবির সংবাদ শিরোনাম নিশ্চিত হয়েছে। পূর্ণ আর্টিকেলের বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

কীভাবে ফাঁদে পড়ছেন তারা

সাধারণত ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস বা মার্কেটিং পেশায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দিয়ে দালালরা তরুণদের এই দেশগুলোতে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরেই পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণা করার কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

সরকারের কাছে পরিবারের আকুল আবেদন

আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারগুলো সরকারের কাছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনও একই ধরনের কম্পাউন্ড থেকে তাদের নাগরিকদের উদ্ধারে সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানব পাচারচক্রে আটকে আছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী

০৭:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অনলাইন স্ক্যাম কম্পাউন্ডগুলোতে ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী আটকে আছেন বলে জানা গেছে। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ক্যাম্বোডিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে সাইবার জালিয়াতির কাজ করতে।

[সম্পাদকীয় নোট: ইউএনবির সংবাদ শিরোনাম নিশ্চিত হয়েছে। পূর্ণ আর্টিকেলের বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

কীভাবে ফাঁদে পড়ছেন তারা

সাধারণত ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস বা মার্কেটিং পেশায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দিয়ে দালালরা তরুণদের এই দেশগুলোতে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরেই পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণা করার কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

সরকারের কাছে পরিবারের আকুল আবেদন

আটকে পড়া কর্মীদের পরিবারগুলো সরকারের কাছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার দাবি জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনও একই ধরনের কম্পাউন্ড থেকে তাদের নাগরিকদের উদ্ধারে সক্রিয় পদক্ষেপ নিয়েছে।