স্কুল খোলার পর শিশুদের মধ্যে ছোটখাটো সংক্রমণ বাড়ে—এটি নতুন কিছু নয়। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, অনেক অভিভাবক এখনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণকে হালকাভাবে নেন। ফলে ঠান্ডা-কাশি বা গলা ব্যথার মতো সাধারণ উপসর্গও কখনো জটিলতায় রূপ নিতে পারে।
কোন অসুখগুলো বেশি দেখা যায়
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কুল খোলার পর শিশুদের মধ্যে সাধারণ সর্দি, ফ্লু-জাতীয় সংক্রমণ, ভাইরাল sore throat, গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস, conjunctivitis এবং কিছু ক্ষেত্রে hand-foot-mouth disease ছড়াতে পারে। কারণ, দীর্ঘ বিরতির পর শিশুরা আবার একসঙ্গে ক্লাসরুম, বাস, খেলার মাঠ ও বন্ধ পরিবেশে মেলামেশা শুরু করে।
চিকিৎসকেরা আরও বলেছেন, শুধু সংক্রমণ নয়, আবহাওয়ার পরিবর্তন, ধুলাবালি, এয়ারকন্ডিশনড কক্ষ এবং পর্যাপ্ত পানি না খাওয়াও কিছু শিশুর allergy, asthma বা শ্বাসতন্ত্রের জ্বালা বাড়াতে পারে।

কোন লক্ষণ অবহেলা নয়
অভিভাবকদের যেসব লক্ষণে দ্রুত সতর্ক হতে বলা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, শ্বাসকষ্ট, wheezing, তীব্র গলা ব্যথা, বারবার বমি, ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, অথবা জ্বরের সঙ্গে র্যাশ। শিশুর আচরণ হঠাৎ বদলে যাওয়া, স্বাভাবিকের তুলনায় কম সক্রিয় হয়ে পড়া, বা কয়েক দিন ধরে উপসর্গ খারাপ হওয়াও সতর্কতার সংকেত।
চিকিৎসকদের মতে, শ্বাসকষ্ট, খাওয়া কমে যাওয়া, তীব্র ব্যথা, বা উপসর্গ কয়েক দিন ধরে না কমলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া দরকার।
অভিভাবকদের সাধারণ ভুল
একটি বড় ভুল হলো শিশু পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার আগেই তাকে স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়া। এতে যেমন তার সুস্থ হতে দেরি হতে পারে, তেমনি অন্য শিশুদের মধ্যেও রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে।
প্রতিরোধে নিয়মিত হাত ধোয়া, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান এবং অসুস্থ শিশুকে বাসায় রাখা—এসব সাধারণ পদক্ষেপই সবচেয়ে কার্যকর।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















