কোলেস্টেরলের মাত্রা হৃদ্রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত, আর এই ঝুঁকি দীর্ঘমেয়াদে আরও বাড়তে পারে। সেই প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক নতুন গাইডলাইনে চিকিৎসকেরা কার কোলেস্টেরল কত ঘন ঘন পরীক্ষা করা উচিত, কোন মাত্রা লক্ষ্য ধরা হচ্ছে এবং কোন ক্ষেত্রে ওষুধ শুরু করা যেতে পারে, তা স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ৩০ বছর বয়স থেকেই ঝুঁকি কমানোর আলোচনা শুরু হতে পারে।
কখন পরীক্ষা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ বছর বয়স থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের অন্তত প্রতি পাঁচ বছরে একবার কোলেস্টেরল পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিশুদের ক্ষেত্রেও ৯ থেকে ১১ বছরের মধ্যে একবার পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে, যাতে বংশগত উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি ধরা পড়ে। গাইডলাইনে সব প্রাপ্তবয়স্কের জন্য অন্তত একবার Lipoprotein(a) বা Lp(a) পরীক্ষা করার কথাও উল্লেখ আছে।

ঝুঁকি হিসাবের নতুন পদ্ধতি
প্রতিবেদন বলছে, ৩০ বছর বয়স থেকে হৃদ্রোগের ভবিষ্যৎ ঝুঁকি নিয়ে আরও কাঠামোবদ্ধ আলোচনা করা যেতে পারে। গাইডলাইনে PREVENT নামে একটি নতুন ক্যালকুলেটরের কথা বলা হয়েছে, যেখানে শরীরের ওজন সূচক ও কিডনি রোগের মতো বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়। এতে ১০ বছরের পাশাপাশি ৩০ বছরের ঝুঁকিও মূল্যায়ন করা যায়।
লক্ষ্য ও চিকিৎসা
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে statin এখনো প্রথম সারির ওষুধ হিসেবে বিবেচিত। তবে প্রয়োজন হলে ezetimibe, bempedoic acid এবং PCSK9 inhibitor-এর মতো অন্য ওষুধও ব্যবহার করা যেতে পারে। কার ক্ষেত্রে কোন লক্ষ্য নির্ধারিত হবে, তা ব্যক্তির ঝুঁকি ও পূর্ব ইতিহাসের ওপর নির্ভর করছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















