ডিজেল ও অকটেনের দাম রেকর্ড উচ্চতায় ওঠার পর জ্বালানি সংকটের আঁচ এখন সরাসরি কৃষিক্ষেত্রেও পড়ছে। পেট্রোলপাম্পে দীর্ঘ লাইন ও সরবরাহ ঘাটতি অব্যাহত থাকায় সেচকাজ পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে।
বোরো মৌসুমের সংকটজনক সময়
এপ্রিল-মে মাস বাংলাদেশের বোরো ধানের পরিপক্বতার সময়। এ সময় সেচ পাম্প চালাতে ডিজেলের বিকল্প নেই। ডিজেল এখন ১১৫ টাকা প্রতি লিটার — যা আগের ১০০ টাকার চেয়ে ১৫ টাকা বেশি। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা ধানের ন্যায্য দাম পাবেন কিনা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
ভর্তুকির প্রশ্ন
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির এই চাপ কৃষকের কাঁধে না পড়িয়ে ভর্তুকির মাধ্যমে সরকারকে বোঝা ভাগ করে নিতে হবে। অন্যথায় উৎপাদন কমলে খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ঝুঁকি তৈরি হবে।
সার সংকটও যোগ হয়েছে
হরমুজ বন্ধে সার আমদানিও ব্যাহত হচ্ছে। বাংলার জয়যাত্রায় আটকে থাকা ৩৭,০০০ টন সার এখনো দেশে পৌঁছায়নি। জ্বালানি ও সার — দুই সংকট একসাথে বোরো মৌসুমে কৃষকের জন্য দ্বিগুণ বিপদ।
Sarakhon Report 

























