০২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সংকটে কৃষিযন্ত্রের বাজারে ধস, বিক্রি কমে ৭০ শতাংশ—চাপে পড়ছে কৃষি উৎপাদন রিকন্ডিশন গাড়ির বাজারে ধস, এক মাসে বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে জ্বালানি সংকটে ধস মোটরসাইকেল বাজারে, গ্রামে বিক্রি কমেছে ৭০-৮০ শতাংশ বাংলাদেশে হাম ঝুঁকি এখনও উচ্চ, জরুরি টিকাদান জোরদারের তাগিদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরে নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতা: প্রবৃদ্ধির মাঝেও বাড়ছে অনিশ্চয়তা ব্রিটেন-আমেরিকা সম্পর্কের টানাপোড়েন: ট্রাম্প যুগে ‘স্পেশাল রিলেশনশিপ’ কি নতুন পথে? আইফোনের যুগের শেষপ্রান্তে অ্যাপল: নতুন নেতৃত্বে কি বদলাবে কৌশল? ইসলামাবাদ আলোচনায় প্রতিনিধিত্বের মান নামালো যুক্তরাষ্ট্র, তবু ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার ইসরায়েলের জন্য আসল সংকট: আমেরিকার সমর্থন হারানোর ঝুঁকি ইরান যুদ্ধ দীর্ঘ হওয়াতে সংকটে ইসরায়েল 

জ্বালানি সংকট এখন মাঠে: সেচ পাম্প বন্ধ, কৃষকরা বিপাকে — বোরো ধানের ক্ষতির আশঙ্কা

  • Sarakhon Report
  • ০৭:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • 33

ডিজেল ও অকটেনের দাম রেকর্ড উচ্চতায় ওঠার পর জ্বালানি সংকটের আঁচ এখন সরাসরি কৃষিক্ষেত্রেও পড়ছে। পেট্রোলপাম্পে দীর্ঘ লাইন ও সরবরাহ ঘাটতি অব্যাহত থাকায় সেচকাজ পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে।

বোরো মৌসুমের সংকটজনক সময়

এপ্রিল-মে মাস বাংলাদেশের বোরো ধানের পরিপক্বতার সময়। এ সময় সেচ পাম্প চালাতে ডিজেলের বিকল্প নেই। ডিজেল এখন ১১৫ টাকা প্রতি লিটার — যা আগের ১০০ টাকার চেয়ে ১৫ টাকা বেশি। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা ধানের ন্যায্য দাম পাবেন কিনা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

ভর্তুকির প্রশ্ন

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির এই চাপ কৃষকের কাঁধে না পড়িয়ে ভর্তুকির মাধ্যমে সরকারকে বোঝা ভাগ করে নিতে হবে। অন্যথায় উৎপাদন কমলে খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ঝুঁকি তৈরি হবে।

সার সংকটও যোগ হয়েছে

হরমুজ বন্ধে সার আমদানিও ব্যাহত হচ্ছে। বাংলার জয়যাত্রায় আটকে থাকা ৩৭,০০০ টন সার এখনো দেশে পৌঁছায়নি। জ্বালানি ও সার — দুই সংকট একসাথে বোরো মৌসুমে কৃষকের জন্য দ্বিগুণ বিপদ।

জ্বালানি সংকটে কৃষিযন্ত্রের বাজারে ধস, বিক্রি কমে ৭০ শতাংশ—চাপে পড়ছে কৃষি উৎপাদন

জ্বালানি সংকট এখন মাঠে: সেচ পাম্প বন্ধ, কৃষকরা বিপাকে — বোরো ধানের ক্ষতির আশঙ্কা

০৭:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ডিজেল ও অকটেনের দাম রেকর্ড উচ্চতায় ওঠার পর জ্বালানি সংকটের আঁচ এখন সরাসরি কৃষিক্ষেত্রেও পড়ছে। পেট্রোলপাম্পে দীর্ঘ লাইন ও সরবরাহ ঘাটতি অব্যাহত থাকায় সেচকাজ পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে।

বোরো মৌসুমের সংকটজনক সময়

এপ্রিল-মে মাস বাংলাদেশের বোরো ধানের পরিপক্বতার সময়। এ সময় সেচ পাম্প চালাতে ডিজেলের বিকল্প নেই। ডিজেল এখন ১১৫ টাকা প্রতি লিটার — যা আগের ১০০ টাকার চেয়ে ১৫ টাকা বেশি। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা ধানের ন্যায্য দাম পাবেন কিনা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

ভর্তুকির প্রশ্ন

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির এই চাপ কৃষকের কাঁধে না পড়িয়ে ভর্তুকির মাধ্যমে সরকারকে বোঝা ভাগ করে নিতে হবে। অন্যথায় উৎপাদন কমলে খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ঝুঁকি তৈরি হবে।

সার সংকটও যোগ হয়েছে

হরমুজ বন্ধে সার আমদানিও ব্যাহত হচ্ছে। বাংলার জয়যাত্রায় আটকে থাকা ৩৭,০০০ টন সার এখনো দেশে পৌঁছায়নি। জ্বালানি ও সার — দুই সংকট একসাথে বোরো মৌসুমে কৃষকের জন্য দ্বিগুণ বিপদ।