০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা কারাগারে ইমরান খানকে হত্যা করা হচ্ছে—বাবার জীবন নিয়ে চরম শঙ্কায় দুই ছেলে ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্র দুর্বল, ইউক্রেনে বড় পদক্ষেপের সুযোগ দেখছে পুতিন: গোয়েন্দা রিপোর্ট বেসরকারি শিক্ষকদের অধিকার ও সুশাসনে নতুন উদ্যোগ, গঠিত হলো শিক্ষক অ্যালায়েন্স ভারতে প্যাকেটজাত খাবারে লাল সতর্কতা লেবেল, জনরোষের পর অবস্থান বদল সরকারের জলাশয়ের নাম বদলে ট্রাম্পের উদ্যোগে ধাক্কা, মার্কিনদের আগ্রহ নেই: সিএনএনের তথ্য বিশ্লেষক পেনসিলভানিয়ায় ভয়াবহ হাম ছড়িয়ে পড়ছে, ঝুঁকিতে টিকাদান-অযোগ্য শিশুরা নেপালে বন্যার দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা:আগাম সতর্কতার সীমাবদ্ধতা ইরান ছয় মাস পরও অটুট, যুদ্ধের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র জিন কেটে চিরতরে উচ্চ কোলেস্টেরল দূর করার আশায় বিজ্ঞানীরা

হাম আতঙ্কে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, উপসর্গে আক্রান্ত ৫১ হাজার ছাড়াল

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগে মারা গেছে তিন শিশু, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ছয় শিশুর।

মঙ্গলবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১ মে সকাল ৮টা থেকে ১২ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও ১ হাজার ১০৫ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

ক্রমেই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৫১ হাজার ৫৬৭ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৭ হাজার ২৪ শিশুর শরীরে।

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৭ জন শিশুর শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও গভীর হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি হাজারো শিশু

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৬ হাজার ৮৮১ শিশু। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩২ হাজার ৮৭৭ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের মধ্যে জ্বর, শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দেশজুড়ে উদ্বেগ

ক্রমাগত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে বিভিন্ন এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে রোগীর চাপও বাড়ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিত নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সতর্কতা ও দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

হাম ও হামের উপসর্গে দেশে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত মার্চ থেকে আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের পাঁচতারা হোটেল থেকে সুপ্রা, সিভিক ও মিয়াটা জব্দ, আমদানির পথ খতিয়ে দেখছে শুল্ক গোয়েন্দা

হাম আতঙ্কে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, উপসর্গে আক্রান্ত ৫১ হাজার ছাড়াল

০৮:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগে মারা গেছে তিন শিশু, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ছয় শিশুর।

মঙ্গলবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১ মে সকাল ৮টা থেকে ১২ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও ১ হাজার ১০৫ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

ক্রমেই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৫১ হাজার ৫৬৭ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৭ হাজার ২৪ শিশুর শরীরে।

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৭ জন শিশুর শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও গভীর হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি হাজারো শিশু

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৬ হাজার ৮৮১ শিশু। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩২ হাজার ৮৭৭ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের মধ্যে জ্বর, শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দেশজুড়ে উদ্বেগ

ক্রমাগত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে বিভিন্ন এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে রোগীর চাপও বাড়ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিত নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সতর্কতা ও দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

হাম ও হামের উপসর্গে দেশে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত মার্চ থেকে আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।