০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
ভূরাজনীতির ঝুঁকি: কোম্পানি কি প্রস্তুত? জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বাবা-ছেলের মৃত্যু গোপালগঞ্জে

আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দুই মাসে হামে প্রাণ গেল ৪৫১ জনের

দেশে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর ফলে গত দুই মাসে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫১ জনে।

শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা জানায়, নতুন করে মারা যাওয়া ১২ শিশুর মধ্যে চারজনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামজনিত বলে শনাক্ত হয়েছে। বাকি আটজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সন্দেহভাজন মৃত্যুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তিনজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আক্রান্ত এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর হিসাব

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ জনে। এছাড়া হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৭৭ জনে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে টিকাদানের ঘাটতি এবং দ্রুত সংক্রমণ বিস্তারের কারণে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। যদিও স্বাস্থ্য বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি, তবে সংক্রমণ ঠেকাতে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম জোরদারের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

দুই মাসে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ গেলো ৪৫১ জনের

একদিনে মিলল ১,১৯২ সন্দেহভাজন রোগী

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১ হাজার ১৯২ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ৬১১ জনে।

একই সময়ে নতুন করে ১১১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৭ হাজার ৪১৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজার ১৭৬ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৬ হাজার ৫৫ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

হাসপাতালগুলোতে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগে শিশু ওয়ার্ডে চাপ বাড়ছে বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হাম প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা জরুরি হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে শিশুদের মধ্যে জ্বর, র‍্যাশ বা হামসদৃশ উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দুই মাসে হামে প্রাণ গেল ৪৫১ জনের

দেশে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূরাজনীতির ঝুঁকি: কোম্পানি কি প্রস্তুত?

আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দুই মাসে হামে প্রাণ গেল ৪৫১ জনের

০৮:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

দেশে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর ফলে গত দুই মাসে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫১ জনে।

শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা জানায়, নতুন করে মারা যাওয়া ১২ শিশুর মধ্যে চারজনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামজনিত বলে শনাক্ত হয়েছে। বাকি আটজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সন্দেহভাজন মৃত্যুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তিনজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আক্রান্ত এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর হিসাব

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ জনে। এছাড়া হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৭৭ জনে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে টিকাদানের ঘাটতি এবং দ্রুত সংক্রমণ বিস্তারের কারণে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। যদিও স্বাস্থ্য বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি, তবে সংক্রমণ ঠেকাতে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম জোরদারের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

দুই মাসে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ গেলো ৪৫১ জনের

একদিনে মিলল ১,১৯২ সন্দেহভাজন রোগী

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১ হাজার ১৯২ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ৬১১ জনে।

একই সময়ে নতুন করে ১১১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৭ হাজার ৪১৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজার ১৭৬ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৬ হাজার ৫৫ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

হাসপাতালগুলোতে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগে শিশু ওয়ার্ডে চাপ বাড়ছে বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হাম প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা জরুরি হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে শিশুদের মধ্যে জ্বর, র‍্যাশ বা হামসদৃশ উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দুই মাসে হামে প্রাণ গেল ৪৫১ জনের

দেশে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।