০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
নভেম্বরে বাংলাদেশ এলডিসি তালিকা ছাড়ছে — সুযোগ ও ঝুঁকি একসঙ্গে বশুন্ধরা সিটির সপ্তম তলা থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু বাংলাদেশ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ শিরোপা ফিরে পেয়েছে ভারতকে হারিয়ে গরমে ঘরের ভেতরে তাপের বিপদ নিয়ে সতর্কতা — রেড ক্রসের রিপোর্টে বাংলাদেশ ও নেপালের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক শরীয়তপুরের গ্রামে রঙিন পাকা বাড়ি — ইতালিপ্রবাসীদের রেমিট্যান্সে বদলে গেছে গ্রামীণ চিত্র বাজেটে সৌরশক্তি, ইলেকট্রিক গাড়ি ও ইলেকট্রনিক্সে বড় শুল্কছাড় আসছে — ৯০% শুল্ক কমার সম্ভাবনা ১৩ জুন বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্মেলন — এলডিসি উত্তরণের আগে বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ এল নিনোর তাপ আসছে বাংলাদেশে — আগামী তিন মাসে ৮-১০টি তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস, মৌসুমি বৃষ্টি কম হবে হজে লাগেজ চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন — হজমন্ত্রী মিল্লাতের স্পষ্ট বার্তা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন — চালুর দোরগোড়ায় বাংলাদেশ

হামের মহামারিতে মৃত শিশুর সংখ্যা ছাড়াল ৬০৫, প্রতিদিনই মরছে নতুন শিশু

বাংলাদেশে হামের প্রকোপে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৬০৫ শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে — এর মধ্যে ৯১ জন নিশ্চিত হাম রোগী এবং ৫১৪ জন হামসদৃশ উপসর্গে মারা গেছেন। মহামারি শুরু হয়েছিল ১৫ মার্চ থেকে। ৪ জুন পর্যন্ত মাত্র ২৪ ঘণ্টায় আরও চারটি শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্যমতে, সন্দেহজনক মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫,৭০৮ জনে, নিশ্চিত আক্রান্ত ৯,২৬০ জন। হাসপাতালগুলোতে এখনও রোগীর চাপ রয়েছে, বিশেষ করে আইসিইউ সুবিধার অভাব নিয়ে অভিভাবকরা হতাশ। শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিশ্চিত ও সন্দেহজনক উভয় শ্রেণির রোগীর সংখ্যা এখন কমছে — তবে এই ধারা বজায় থাকবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

পটভূমি: গত আট বছরে বাংলাদেশে কোনো জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান অভিযান পরিচালিত হয়নি। অপুষ্টি ও টিকাদানের ফাঁক মিলিয়ে এ মৌসুমের প্রকোপকে দশকের ভয়াবহতম বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মিলে জরুরি টিকাদান কার্যক্রম চালাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নভেম্বরে বাংলাদেশ এলডিসি তালিকা ছাড়ছে — সুযোগ ও ঝুঁকি একসঙ্গে

হামের মহামারিতে মৃত শিশুর সংখ্যা ছাড়াল ৬০৫, প্রতিদিনই মরছে নতুন শিশু

০৪:৫৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে হামের প্রকোপে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৬০৫ শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে — এর মধ্যে ৯১ জন নিশ্চিত হাম রোগী এবং ৫১৪ জন হামসদৃশ উপসর্গে মারা গেছেন। মহামারি শুরু হয়েছিল ১৫ মার্চ থেকে। ৪ জুন পর্যন্ত মাত্র ২৪ ঘণ্টায় আরও চারটি শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্যমতে, সন্দেহজনক মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫,৭০৮ জনে, নিশ্চিত আক্রান্ত ৯,২৬০ জন। হাসপাতালগুলোতে এখনও রোগীর চাপ রয়েছে, বিশেষ করে আইসিইউ সুবিধার অভাব নিয়ে অভিভাবকরা হতাশ। শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিশ্চিত ও সন্দেহজনক উভয় শ্রেণির রোগীর সংখ্যা এখন কমছে — তবে এই ধারা বজায় থাকবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

পটভূমি: গত আট বছরে বাংলাদেশে কোনো জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান অভিযান পরিচালিত হয়নি। অপুষ্টি ও টিকাদানের ফাঁক মিলিয়ে এ মৌসুমের প্রকোপকে দশকের ভয়াবহতম বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মিলে জরুরি টিকাদান কার্যক্রম চালাচ্ছে।