০৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
পরমাণু বোমার আগের হিরোশিমা-নাগাসাকি ফিরিয়ে আনছে মাইনক্রাফটের কর্মশালা সাইনসবুরির দোকানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভুল শনাক্তকরণ, বন্ধ হলো মুখ স্ক্যান ব্যবস্থা খরা মোকাবিলার জরুরি পরিকল্পনা প্রকাশে ব্রিটিশ সরকারের ‘নিরাপত্তা’ যুক্তি, বাড়ছে উদ্বেগ ‘হিরোস’ ও ‘ন্যাশভিল’-খ্যাত অভিনেত্রী হেইডেন প্যানেটিয়েরে ৩৬ বছর বয়সে মারা গেছেন ইউরোভিশন ২০২৭: রাজধানী সোফিয়াকে হারিয়ে আয়োজক হচ্ছে কৃষ্ণসাগরের শহর বুর্গাস ভ্রমণে হালকা ব্যাগ? না, বরং বেশি করে সঙ্গে নিন! আফগান নারীদের পাশে দাঁড়ানো মানে শুধু অধিকার রক্ষা নয়, ভবিষ্যৎ আফগানিস্তানকে বাঁচিয়ে রাখা হোয়াইট হাউসের বিশাল বলরুম নির্মাণে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি চাইলেন ট্রাম্প ইরান চুক্তির পথে বাধা দিলে ওমানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের এআইয়ের দৌড়ে জৈব অস্ত্রের ভয়: বিপদ আসার আগেই বিশ্বকে কেন প্রস্তুত হতে হবে

ইরান চুক্তির পথে বাধা দিলে ওমানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যখন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে, তখন ওমানকে ফের বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর হুমকিতে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ওমানকে সরাসরি হুমকি

গতকাল এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে তাঁর চুক্তির প্রচেষ্টার পথে ওমান বাধা হয়ে দাঁড়ালে দেশটিতে ভয়াবহ বোমা হামলা চালানো হবে। এটি ওমানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এমন দ্বিতীয় হুমকি।

ওমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের কোনো পক্ষ নয়। বরং বহু বছর ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে গোপন যোগাযোগ ও মধ্যস্থতার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আসছে দেশটি। ফলে ওমানকে এমন হুমকি দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ অংশীদারদের মধ্যেও অস্বস্তি বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

৬০ দিনের কূটনৈতিক সময়সীমা শেষ

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার জন্য যে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছিল, গতকাল তা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে।

গত ১৭ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে ট্রাম্প ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই সমঝোতায় যুদ্ধবিরতি বজায় রেখে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং অন্যান্য বিরোধপূর্ণ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ রাখা হয়েছিল।

তবে সময়সীমা শেষ হলেও চূড়ান্ত সমঝোতার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন, তিনি চুক্তিতে পৌঁছাতে তাড়াহুড়ো করছেন না এবং ইরানের জন্য নতুন কোনো সময়সীমাও নির্ধারণ করছেন না।

একই সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। এর আগে তিনি একাধিকবার দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে। কিন্তু প্রায় ছয় মাস ধরে চলা সংঘাতের পরও সেই প্রতিশ্রুত শান্তির কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি।

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন উত্তেজনা

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িয়ে রয়েছে হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবহন করা জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই পথ দিয়ে যায়। ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ প্রায় বন্ধ হয়ে আছে।

প্রণালিটির উত্তরে ইরান এবং দক্ষিণে ওমান। নৌপথটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে ওমানকে ট্রাম্পের হুমকি আঞ্চলিক কূটনীতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এর আগেও মে মাসে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ট্রাম্প ওমানকে ‘আচরণ ঠিক না করলে’ দেশটি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। শুক্রবার তিনি হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করারও হুমকি দেন।

প্রায় ৫৩ লাখ মানুষের দেশ ওমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রেও দেশটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। সংঘাতের মধ্যে ইরানের হামলার শিকারও হয়েছে ওমান।

Trump says Iran won't make deal he thinks is needed, threatens to bomb Oman  | Reuters

ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত

ট্রাম্পের সর্বশেষ হুমকির পরও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে আলোচনা গুরুত্বের সঙ্গেই অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ট্রাম্প প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর সঙ্গে সরাসরি গোপন যোগাযোগের পথ খুলেছে। যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল এই বাহিনী।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, বাহিনীর নেতারা দক্ষ আলোচক হলেও তারা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়েও প্রশ্ন

প্রায় ছয় মাসের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার কতটা ক্ষয় হয়েছে, তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তা খুবই সামান্য।

তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু উন্নত অস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাঁর পূর্বসূরি জো বাইডেনের সময় ইউক্রেনকে দেওয়া হয়েছিল। যুদ্ধের শুরু থেকেই প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অস্ত্রের মজুত দ্রুত কমছে এবং সেই ঘাটতি পূরণের চেয়ে ব্যবহারের গতি বেশি।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে তাঁর প্রধান শর্তও ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেছেন—ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না।

মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক ফ্রন্টে সংঘাত অব্যাহত থাকায় ট্রাম্পের ‘শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী’ হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি গড়ার প্রচেষ্টা এখন বড় পরীক্ষার মুখে। ওমানকে সামরিক হামলার হুমকি এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অচলাবস্থা সেই সংকট আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পরমাণু বোমার আগের হিরোশিমা-নাগাসাকি ফিরিয়ে আনছে মাইনক্রাফটের কর্মশালা

ইরান চুক্তির পথে বাধা দিলে ওমানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের

০৭:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যখন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে, তখন ওমানকে ফের বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর হুমকিতে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ওমানকে সরাসরি হুমকি

গতকাল এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে তাঁর চুক্তির প্রচেষ্টার পথে ওমান বাধা হয়ে দাঁড়ালে দেশটিতে ভয়াবহ বোমা হামলা চালানো হবে। এটি ওমানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এমন দ্বিতীয় হুমকি।

ওমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের কোনো পক্ষ নয়। বরং বহু বছর ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে গোপন যোগাযোগ ও মধ্যস্থতার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আসছে দেশটি। ফলে ওমানকে এমন হুমকি দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ অংশীদারদের মধ্যেও অস্বস্তি বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

৬০ দিনের কূটনৈতিক সময়সীমা শেষ

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার জন্য যে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছিল, গতকাল তা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে।

গত ১৭ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে ট্রাম্প ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই সমঝোতায় যুদ্ধবিরতি বজায় রেখে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং অন্যান্য বিরোধপূর্ণ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ রাখা হয়েছিল।

তবে সময়সীমা শেষ হলেও চূড়ান্ত সমঝোতার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন, তিনি চুক্তিতে পৌঁছাতে তাড়াহুড়ো করছেন না এবং ইরানের জন্য নতুন কোনো সময়সীমাও নির্ধারণ করছেন না।

একই সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। এর আগে তিনি একাধিকবার দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে। কিন্তু প্রায় ছয় মাস ধরে চলা সংঘাতের পরও সেই প্রতিশ্রুত শান্তির কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি।

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন উত্তেজনা

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িয়ে রয়েছে হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবহন করা জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই পথ দিয়ে যায়। ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ প্রায় বন্ধ হয়ে আছে।

প্রণালিটির উত্তরে ইরান এবং দক্ষিণে ওমান। নৌপথটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে ওমানকে ট্রাম্পের হুমকি আঞ্চলিক কূটনীতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এর আগেও মে মাসে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ট্রাম্প ওমানকে ‘আচরণ ঠিক না করলে’ দেশটি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। শুক্রবার তিনি হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করারও হুমকি দেন।

প্রায় ৫৩ লাখ মানুষের দেশ ওমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রেও দেশটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। সংঘাতের মধ্যে ইরানের হামলার শিকারও হয়েছে ওমান।

Trump says Iran won't make deal he thinks is needed, threatens to bomb Oman  | Reuters

ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত

ট্রাম্পের সর্বশেষ হুমকির পরও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে আলোচনা গুরুত্বের সঙ্গেই অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ট্রাম্প প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ইসলামি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর সঙ্গে সরাসরি গোপন যোগাযোগের পথ খুলেছে। যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল এই বাহিনী।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, বাহিনীর নেতারা দক্ষ আলোচক হলেও তারা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়েও প্রশ্ন

প্রায় ছয় মাসের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার কতটা ক্ষয় হয়েছে, তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তা খুবই সামান্য।

তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু উন্নত অস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাঁর পূর্বসূরি জো বাইডেনের সময় ইউক্রেনকে দেওয়া হয়েছিল। যুদ্ধের শুরু থেকেই প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অস্ত্রের মজুত দ্রুত কমছে এবং সেই ঘাটতি পূরণের চেয়ে ব্যবহারের গতি বেশি।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে তাঁর প্রধান শর্তও ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেছেন—ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না।

মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক ফ্রন্টে সংঘাত অব্যাহত থাকায় ট্রাম্পের ‘শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী’ হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি গড়ার প্রচেষ্টা এখন বড় পরীক্ষার মুখে। ওমানকে সামরিক হামলার হুমকি এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অচলাবস্থা সেই সংকট আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।