পাবনা শহরে পৃথক দুটি সহিংস ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে এক ব্যক্তিকে তার ১২ বছর বয়সী ছেলের সামনেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অন্য ঘটনায় পূর্ব বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন এক যুবক। একই দিনে ঘটে যাওয়া এই দুই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ছেলের সামনে গুলিতে প্রাণ গেল বাবার
সোমবার সন্ধ্যায় পাবনা পৌর এলাকার একটি মাদ্রাসার সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন সদর উপজেলার গয়েশপুর জাফরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা হোসেন আলী (৫৫)।
জানা গেছে, তিনি তার ছেলে রোহানকে মাদ্রাসায় রেখে আসতে গিয়েছিলেন। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হামলার পরপরই দুর্বৃত্তরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার সময় তার ছেলে ঘটনাস্থলেই ছিল, যা পুরো ঘটনাকে আরও মর্মান্তিক করে তুলেছে।

পূর্ব বিরোধে ছুরিকাঘাতে নিহত যুবক
একই দিন বিকেলে পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পেছনে আরেকটি প্রাণঘাতী ঘটনা ঘটে। পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে মনিরুল ইসলাম (২২) ও রাকিব নামে এক যুবকের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে রাকিব ছুরি দিয়ে মনিরুলকে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
অভিযুক্ত আটক, তদন্ত শুরু
ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে অভিযুক্ত রাকিব পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে।

নিহত হোসেন আলীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে মনিরুল ইসলামের মরদেহও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য আনা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হোসেন আলীকে হত্যার পেছনের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। দুই ঘটনারই তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















