০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
৭ এএসপি ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার সিলেটে হামসদৃশ উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ নানদেদে সুখবীর সিং বাদালকে হামলা, ষাটোর্ধ্ব নিহাং সেবাদার আটক ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন পাচারের শিকার তিন বাংলাদেশি নারী মাগুরায় সবজি বিক্রি করে ফেরার পথে নসিমনচালককে চাপা দিয়ে হত্যা মানসিক রোগ কি বংশগত? জেনেটিক পরীক্ষা নিয়ে পরিবারগুলোর ভুল ধারণা ভাঙছেন বিশেষজ্ঞরা অগ্রণী ব্যাংকের ভল্টে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার হিসাব নেই, গ্রেপ্তার দুই হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা ৮৯৪ কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠক হয়নি, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়ে নেতাদের ব্যাখ্যা

দিল্লি বৈঠকে সীমান্ত হত্যা ও চোরাচালান রোধে জোর, যৌথ টহল বাড়াতে একমত বিজিবি-বিএসএফ

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ছিল আলোচনার প্রধান বিষয়। চার দিনব্যাপী বৈঠক শেষে দুই দেশ যৌথ টহল জোরদার করা এবং তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ৫৭তম সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন শেষ হয়েছে ইতিবাচক পরিবেশে। বৈঠকে দুই পক্ষই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সীমান্ত নিরাপত্তায় নতুন গুরুত্ব

সম্মেলনে সীমান্তে চলমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সীমান্তে মাদক, অস্ত্র, জাল মুদ্রা, স্বর্ণ ও অন্যান্য অবৈধ পণ্যের চোরাচালান প্রতিরোধে আরও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এছাড়া মানবপাচার, অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম এবং সংঘবদ্ধ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

যৌথ টহল ও তথ্য বিনিময় বাড়বে

দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সীমান্ত এলাকায় সমন্বিত টহল আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক তথ্য বিনিময় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তবর্তী জনগণের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমারেখার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেছে।

শূন্য সহনশীলতার বার্তা

বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, সশস্ত্র তৎপরতা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

দুই দেশের প্রতিনিধিদল বৈঠকের ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং পারস্পরিক আস্থা, পেশাগত সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করে।

আগামী বৈঠক ঢাকায়

সম্মেলনের শেষে যৌথ আলোচনার নথিতে স্বাক্ষর করা হয়। বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো ভবিষ্যতে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করবে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

পরবর্তী মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে ঢাকায় আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে যৌথ টহল ও তথ্য বিনিময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত।

জনপ্রিয় সংবাদ

৭ এএসপি ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার

দিল্লি বৈঠকে সীমান্ত হত্যা ও চোরাচালান রোধে জোর, যৌথ টহল বাড়াতে একমত বিজিবি-বিএসএফ

০৪:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ছিল আলোচনার প্রধান বিষয়। চার দিনব্যাপী বৈঠক শেষে দুই দেশ যৌথ টহল জোরদার করা এবং তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে।

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ৫৭তম সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন শেষ হয়েছে ইতিবাচক পরিবেশে। বৈঠকে দুই পক্ষই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সীমান্ত নিরাপত্তায় নতুন গুরুত্ব

সম্মেলনে সীমান্তে চলমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সীমান্তে মাদক, অস্ত্র, জাল মুদ্রা, স্বর্ণ ও অন্যান্য অবৈধ পণ্যের চোরাচালান প্রতিরোধে আরও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এছাড়া মানবপাচার, অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম এবং সংঘবদ্ধ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

যৌথ টহল ও তথ্য বিনিময় বাড়বে

দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সীমান্ত এলাকায় সমন্বিত টহল আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক তথ্য বিনিময় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তবর্তী জনগণের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমারেখার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেছে।

শূন্য সহনশীলতার বার্তা

বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ, সশস্ত্র তৎপরতা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

দুই দেশের প্রতিনিধিদল বৈঠকের ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং পারস্পরিক আস্থা, পেশাগত সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করে।

আগামী বৈঠক ঢাকায়

সম্মেলনের শেষে যৌথ আলোচনার নথিতে স্বাক্ষর করা হয়। বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো ভবিষ্যতে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করবে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

পরবর্তী মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে ঢাকায় আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে যৌথ টহল ও তথ্য বিনিময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত।