দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বেশ সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে, যার প্রভাবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব বৃষ্টির সঙ্গে অস্থায়ী দমকা হাওয়া এবং বজ্রপাতের ঘটনাও ঘটতে পারে।
অন্যদিকে রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতও হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
নেত্রকোনায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নেত্রকোনায়। শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সেখানে ১৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের মধ্যে অন্যতম।
-6a21361f294d5.webp)
আবহাওয়া পরিস্থিতি কী বলছে
আবহাওয়াবিদদের মতে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি বায়ুচাপের বর্ধিতাংশ বিদ্যমান রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু বেশ সক্রিয় রয়েছে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যান্য অংশে মৌসুমি বায়ুর কার্যক্রম দুর্বল থেকে মাঝারি পর্যায়ে রয়েছে।
তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তন নয়
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দিনের তাপমাত্রায় তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নাও হতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা দেশের বিভিন্ন স্থানে সামান্য কমতে পারে। ফলে দিনের তুলনায় রাত কিছুটা স্বস্তিদায়ক হতে পারে।
বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার আশঙ্কা থাকায় খোলা স্থানে অবস্থানকারী মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ভারী বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বর্ষাকালের এই সক্রিয় আবহাওয়া পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক জনজীবন ও যাতায়াতে সাময়িক প্রভাব ফেলতে পারে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















