০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
ফ্রান্স-আলজেরিয়া সম্পর্কের শিক্ষা: সংঘাত নয়, কূটনীতির পথই কি শেষ পর্যন্ত জয়ী? নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা, বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে দেশে মৃত ৫৪, আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৮ হাজারের বেশি মানুষ বাংলাদেশে আরও এক সন্দেহভাজন হামে শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭৫৯ কর্ণাটকের মুকাম্বিকা মন্দিরে হাতি চেয়ে কেরালাকে অনুরোধ, নতুন আলোচনা দুই রাজ্যে ওলি রবিনসের আইনি লড়াই, বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ঘিরে যুক্তরাজ্যে নতুন বিতর্ক চীনের বিমানবাহী রণতরী শক্তি বাড়ানোর নতুন পরিকল্পনা, পাইলট ও নাবিক তৈরিতে বড় পরিবর্তন জাপানে বিদেশি কর্মী বাড়ায় রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এক বছরে বিদেশে পাঠানো হলো ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন ভিয়েতনামে ৩০ কোটি ডলারের বিশাল কারখানা খুলল সানটোরি পেপসিকো, লক্ষ্য স্বাস্থ্যকর পানীয়ের বাড়তি বাজার যুক্তরাষ্ট্রের দখলে হিলিয়াম বাজার, ইরান যুদ্ধ ও চীনের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় চাপে এশিয়ার চিপ শিল্প

কানাডার বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায়, গ্যালারিতে তারকাদের উচ্ছ্বাসে প্রথম পয়েন্ট

নিজেদের মাটিতে প্রথমবারের মতো পুরুষদের ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নেমে ইতিহাস গড়েছে কানাডা। টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে বসনিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপের পুরুষ আসরে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট অর্জন করেছে স্বাগতিক দল। শেষ মুহূর্তে ফরোয়ার্ড সাইল লারিনের গোল শুধু হার এড়ায়নি, বরং গ্যালারিজুড়ে তৈরি করেছে উৎসবের আবহ।

৪৩ হাজারেরও বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি কানাডিয়ান ফুটবলের জন্য এক স্মরণীয় মুহূর্তে পরিণত হয়। গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের পরিচিত তারকারাও। তাদের মধ্যে ছিলেন অভিনেতা ও রেক্সহ্যামের সহ-মালিক রায়ান রেনল্ডস, এনএইচএল তারকা কনর ম্যাকডেভিড এবং অভিনেতা মাইক মায়ার্স।

তারকাদের উপস্থিতিতে জমজমাট গ্যালারি

ম্যাচের শুরু থেকেই দর্শকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। কানাডার জার্সি ও লাল রঙের টুপি পরে মাঠে আসেন মাইক মায়ার্স। আর ম্যাচের শেষ দিকে লারিন সমতাসূচক গোল করার পর রায়ান রেনল্ডসকেও অন্য সমর্থকদের সঙ্গে উল্লাস করতে দেখা যায়।

May be an image of football, soccer and text

স্টেডিয়ামের অধিকাংশ আসনই দর্শকে পূর্ণ ছিল। খুব কম সংখ্যক আসন খালি দেখা গেছে। দর্শকদের আবেগ ও সমর্থন পুরো ম্যাচজুড়ে কানাডিয়ান খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করেছে।

কোচের নজর ছিল মাঠে

কানাডার প্রধান কোচ জেসি মার্শ স্বীকার করেছেন যে দেশের অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তি বিশ্বকাপ ঘিরে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তবে তার মূল মনোযোগ ছিল দলের পারফরম্যান্সে। তিনি জানান, টেলিভিশনে সংগীত প্রযোজক বোই-ওয়ানডাকে দেখতে পেলেও তার প্রধান লক্ষ্য ছিল এমন একটি পারফরম্যান্স উপহার দেওয়া, যা নিয়ে কানাডিয়ানরা গর্ব করতে পারে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগীতের ছোঁয়া

ম্যাচের আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্র্যামি বিজয়ী গায়িকা ও গীতিকার অ্যালানিস মরিসেট। তিনি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন কানাডার জাতীয় সংগীত ‘ও কানাডা’ পরিবেশনের মাধ্যমে। এতে ম্যাচের আবহ আরও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

বিশ্বকাপ আয়োজনে নতুন অভিজ্ঞতা

May be an image of soccer, football and text that says 'I WOR MILLAR 11 ica ic 22 22 M က်'

কানাডা এর আগে ২০১৫ সালের নারী বিশ্বকাপ, দুটি শীতকালীন অলিম্পিক এবং ১৯৭৬ সালের মন্ট্রিয়ল গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আয়োজন করেছে। তবে পুরুষদের ফিফা বিশ্বকাপ এই প্রথম দেশটিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

চলতি আসরে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার মিলিয়ে মোট ১৩টি ম্যাচ আয়োজন করবে কানাডা। ফলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে দেশটির ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সমর্থকদের আবেগে ভরপুর পরিবেশ

কানাডার ডিফেন্ডার অ্যালিস্টার জনস্টন ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামের পরিবেশের প্রশংসা করেন। তার মতে, দর্শকরা শুধু বিনোদনের জন্য মাঠে আসেননি; তারা পুরো ম্যাচে আবেগ, প্রত্যাশা এবং সমর্থন নিয়ে সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই আবহই খেলোয়াড়দের বাড়তি শক্তি জুগিয়েছে।

নিজেদের মাটিতে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে পয়েন্ট অর্জনের এই সাফল্য কানাডার ফুটবল ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

May be an image of football, soccer and text that says 'TIEA'

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্স-আলজেরিয়া সম্পর্কের শিক্ষা: সংঘাত নয়, কূটনীতির পথই কি শেষ পর্যন্ত জয়ী?

কানাডার বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায়, গ্যালারিতে তারকাদের উচ্ছ্বাসে প্রথম পয়েন্ট

১২:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

নিজেদের মাটিতে প্রথমবারের মতো পুরুষদের ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নেমে ইতিহাস গড়েছে কানাডা। টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে বসনিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপের পুরুষ আসরে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট অর্জন করেছে স্বাগতিক দল। শেষ মুহূর্তে ফরোয়ার্ড সাইল লারিনের গোল শুধু হার এড়ায়নি, বরং গ্যালারিজুড়ে তৈরি করেছে উৎসবের আবহ।

৪৩ হাজারেরও বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি কানাডিয়ান ফুটবলের জন্য এক স্মরণীয় মুহূর্তে পরিণত হয়। গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের পরিচিত তারকারাও। তাদের মধ্যে ছিলেন অভিনেতা ও রেক্সহ্যামের সহ-মালিক রায়ান রেনল্ডস, এনএইচএল তারকা কনর ম্যাকডেভিড এবং অভিনেতা মাইক মায়ার্স।

তারকাদের উপস্থিতিতে জমজমাট গ্যালারি

ম্যাচের শুরু থেকেই দর্শকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। কানাডার জার্সি ও লাল রঙের টুপি পরে মাঠে আসেন মাইক মায়ার্স। আর ম্যাচের শেষ দিকে লারিন সমতাসূচক গোল করার পর রায়ান রেনল্ডসকেও অন্য সমর্থকদের সঙ্গে উল্লাস করতে দেখা যায়।

May be an image of football, soccer and text

স্টেডিয়ামের অধিকাংশ আসনই দর্শকে পূর্ণ ছিল। খুব কম সংখ্যক আসন খালি দেখা গেছে। দর্শকদের আবেগ ও সমর্থন পুরো ম্যাচজুড়ে কানাডিয়ান খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করেছে।

কোচের নজর ছিল মাঠে

কানাডার প্রধান কোচ জেসি মার্শ স্বীকার করেছেন যে দেশের অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তি বিশ্বকাপ ঘিরে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তবে তার মূল মনোযোগ ছিল দলের পারফরম্যান্সে। তিনি জানান, টেলিভিশনে সংগীত প্রযোজক বোই-ওয়ানডাকে দেখতে পেলেও তার প্রধান লক্ষ্য ছিল এমন একটি পারফরম্যান্স উপহার দেওয়া, যা নিয়ে কানাডিয়ানরা গর্ব করতে পারে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগীতের ছোঁয়া

ম্যাচের আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্র্যামি বিজয়ী গায়িকা ও গীতিকার অ্যালানিস মরিসেট। তিনি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন কানাডার জাতীয় সংগীত ‘ও কানাডা’ পরিবেশনের মাধ্যমে। এতে ম্যাচের আবহ আরও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

বিশ্বকাপ আয়োজনে নতুন অভিজ্ঞতা

May be an image of soccer, football and text that says 'I WOR MILLAR 11 ica ic 22 22 M က်'

কানাডা এর আগে ২০১৫ সালের নারী বিশ্বকাপ, দুটি শীতকালীন অলিম্পিক এবং ১৯৭৬ সালের মন্ট্রিয়ল গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আয়োজন করেছে। তবে পুরুষদের ফিফা বিশ্বকাপ এই প্রথম দেশটিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

চলতি আসরে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার মিলিয়ে মোট ১৩টি ম্যাচ আয়োজন করবে কানাডা। ফলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে দেশটির ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সমর্থকদের আবেগে ভরপুর পরিবেশ

কানাডার ডিফেন্ডার অ্যালিস্টার জনস্টন ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামের পরিবেশের প্রশংসা করেন। তার মতে, দর্শকরা শুধু বিনোদনের জন্য মাঠে আসেননি; তারা পুরো ম্যাচে আবেগ, প্রত্যাশা এবং সমর্থন নিয়ে সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই আবহই খেলোয়াড়দের বাড়তি শক্তি জুগিয়েছে।

নিজেদের মাটিতে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে পয়েন্ট অর্জনের এই সাফল্য কানাডার ফুটবল ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

May be an image of football, soccer and text that says 'TIEA'