নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের সিরাব এলাকায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় এক যুবদল নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন শাহিদুল ইসলাম শাহিদ (৪০), যিনি জামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, এবং শাহিন মিয়া।
ঘটনার বিবরণ
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সিরাব এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। গত ১০ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। এ সময় তার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না।
অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা ওই নারীর মুখ চেপে ধরে এবং সন্তানদের ক্ষতির ভয় দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক কাছাকাছি একটি চারতলা ভবনের নিচতলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে বেঁধে রেখে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে অভিযুক্তরা চলে গেলে তিনি নিজ বাসায় ফিরে আসেন। সন্ধ্যায় স্বামী বাড়ি ফেরার পর পুরো ঘটনার কথা তাকে জানান।
অভিযোগের পর পুলিশের অভিযান
ঘটনার পর ভুক্তভোগী সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অভিযান চালিয়ে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারওয়ার জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ অভিযান শুরু করে এবং অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তদন্ত চলছে
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
সোনারগাঁয়ে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সোনারগাঁ সংঘবদ্ধ ধর্ষণ অভিযোগ
সোনারগাঁয়ে নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার। অভিযোগের পরপরই অভিযানে নামে পুলিশ, চলছে তদন্ত ও অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















