ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে অভিবাসন সংক্রান্ত একটি জটিলতার কারণে প্রধান উপদেষ্টার তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে সাময়িকভাবে আটকে রাখা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দেয়।
ঘটনাটি ঘটে ১৪ জুন, যখন একটি সরকারি বৈঠকে অংশ নিতে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে তিনি ভারতে পৌঁছান। বিমানবন্দরের নিয়মিত যাচাইয়ের সময় তার নাম একটি নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট নজরদারি তালিকায় দেখা গেলে অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য আটকে রাখেন।
প্রশাসনিক ত্রুটির ইঙ্গিত
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্যমতে, এটি মূলত একটি প্রশাসনিক বিভ্রাটের ফল হতে পারে। আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংক্রান্ত একটি কালো তালিকা থেকে তার নাম সরিয়ে নেওয়া হলেও অভিবাসন সংক্রান্ত নজরদারি তালিকায় সেটি রয়ে গিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে বিমানবন্দরের স্বয়ংক্রিয় যাচাই ব্যবস্থায় সতর্কবার্তা দেখা দেয়।

পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অসঙ্গতি দূর করে এবং তাকে প্রবেশের অনুমতি দেয়।
সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা ছিল
জাহেদ উর রহমানের ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সহযোগিতা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি তৃতীয় একটি দেশের মাধ্যমে ফ্লাইটে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
সংবেদনশীল সময়ে ঘটনা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ইস্যু নিয়ে আলোচনা ও কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি ঘটেছে। যদিও বিষয়টি শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক ত্রুটি হিসেবে সমাধান করা হয়েছে, তবুও এটি দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে চলমান আলোচনার সময় বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।
জাহেদকে ঘিরে এই সাময়িক জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি হলেও ঘটনাটি অভিবাসন ও নিরাপত্তা তালিকার তথ্য হালনাগাদ রাখার গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















