০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পেছনে ‘কোটি কোটি টাকা’ নিয়ে ঘোরার অভিযোগের প্রমাণ চাইলেন আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালক উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে রাখার ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ, মন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দাবি হান্টার বাইডেনের খোলামেলা পোস্টে নতুন জনপ্রিয়তা, রিপাবলিকানদের মধ্যেও বাড়ছে সমর্থন শেখ মুজিবের ম্যুরালে কালি লেপনের প্রতিবাদে কাশিয়ানীতে মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচলে ভোগান্তি নতুন বৈশ্বিক জ্বালানি বাস্তবতা: যুদ্ধের মূল্য দিচ্ছে এশিয়া, বদলে যাচ্ছে অর্থনীতির মানচিত্র প্রতিযোগিতার সমাজে বিরতির খোঁজ: কেন কোরিয়ার তরুণরা আবার বৌদ্ধচিন্তার দিকে ঝুঁকছে শুধু লক্ষ্য থাকলেই হয় না, দরকার তা বাস্তবায়নের সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় হরমুজ প্রণালি খোলার আশা, তবে কঠিন আলোচনা এখনো বাকি পরিবার কার্ড কর্মসূচিতে স্বচ্ছতার নির্দেশ, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে সুবিধা পৌঁছানোর তাগিদ উত্তরায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল ৮৫ বছরের বৃদ্ধের

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। নবজাতক ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটি দায়ের করেন। তবে হাসপাতালের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, এই রিট আবেদনের সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

নবজাতকদের মৃত্যুর পর পদক্ষেপ

গত ২৭ মে মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালের প্রসূতি-পরবর্তী ওয়ার্ডে মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

নিহত শিশুদের একজনের বাবা হাবিবুর রহমান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার অভিযোগ এনে রমনা থানায় মামলা করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্তে অবহেলার প্রমাণ

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ৪ জুন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। তিনি জানান, তদন্তে নবজাতকদের মৃত্যুর পেছনে অবহেলার বিষয়টি উঠে এসেছে।

একই দিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। নোটিশে জানতে চাওয়া হয়, নবজাতকদের মৃত্যুর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না।

লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত

পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশের জবাব জমা দেয়। তবে সরকারের মূল্যায়নে সেই ব্যাখ্যা সন্তোষজনক বলে বিবেচিত হয়নি। এর ফলে গত ১১ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী হাসপাতাল চাইলে ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবে।

আপিলের পর নতুন আইনি লড়াই

লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে আপিল করেছে। এর মধ্যেই হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের হওয়ায় বিষয়টি এখন আইনি পর্যালোচনার আওতায় এসেছে।

নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের তদন্ত, লাইসেন্স বাতিল এবং পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়া স্বাস্থ্য খাতের জবাবদিহিতা ও চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে আলোচনাকে আরও জোরদার করেছে। এখন হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও পরবর্তী শুনানির দিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পেছনে ‘কোটি কোটি টাকা’ নিয়ে ঘোরার অভিযোগের প্রমাণ চাইলেন আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালক

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট

০৫:৪২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। নবজাতক ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটি দায়ের করেন। তবে হাসপাতালের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, এই রিট আবেদনের সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

নবজাতকদের মৃত্যুর পর পদক্ষেপ

গত ২৭ মে মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালের প্রসূতি-পরবর্তী ওয়ার্ডে মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

নিহত শিশুদের একজনের বাবা হাবিবুর রহমান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার অভিযোগ এনে রমনা থানায় মামলা করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্তে অবহেলার প্রমাণ

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ৪ জুন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। তিনি জানান, তদন্তে নবজাতকদের মৃত্যুর পেছনে অবহেলার বিষয়টি উঠে এসেছে।

একই দিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। নোটিশে জানতে চাওয়া হয়, নবজাতকদের মৃত্যুর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না।

লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত

পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশের জবাব জমা দেয়। তবে সরকারের মূল্যায়নে সেই ব্যাখ্যা সন্তোষজনক বলে বিবেচিত হয়নি। এর ফলে গত ১১ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী হাসপাতাল চাইলে ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবে।

আপিলের পর নতুন আইনি লড়াই

লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে আপিল করেছে। এর মধ্যেই হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের হওয়ায় বিষয়টি এখন আইনি পর্যালোচনার আওতায় এসেছে।

নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের তদন্ত, লাইসেন্স বাতিল এবং পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়া স্বাস্থ্য খাতের জবাবদিহিতা ও চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে আলোচনাকে আরও জোরদার করেছে। এখন হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও পরবর্তী শুনানির দিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।