১২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
আঠা-লেবেল ছাড়াই কাগজের প্যাকেজিং, বদলে যেতে পারে পুনর্ব্যবহারের ভবিষ্যৎ বালিতে বিদেশিদের দৌড় ক্লাবে স্থানীয়দের বাদ দেওয়ার অভিযোগ, দুই ডাচ নাগরিক নিষিদ্ধ আসামে ভয়াবহ বন্যা, ছয় দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়ে ৬ লাখের বেশি মানুষ জাপানে প্রথম মসজিদ নির্মাণ ঘিরে তীব্র বিতর্ক, পরিচয় সংকটে ফুজিসাওয়া আয়ারল্যান্ডের উপকূলে বিশাল হাঙরের অবিশ্বাস্য কাছাকাছি দেখা মিলছে বয়স বাড়লেও হাড় শক্ত রাখবে যেসব খাবার, দুধের বাইরেও আছে সহজ উপায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে চীনের নতুন আতঙ্ক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ছড়াচ্ছে ভয়ংকর ভুয়া ভিডিও ওয়াশিংটনে জেলেনস্কি-নেতানিয়াহু, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে দুই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা ট্রাম্পের ১৮ মাসে মার্কিন অর্থনীতি: স্থিতিশীলতার আড়ালে চাকরি, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার চাপে উদ্বেগ ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ইরানই প্রধান আলোচ্য, ওয়াশিংটনের পথে নেতানিয়াহু

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শিল্পে গ্যাস–সংযোগ আপাতত বন্ধ

প্রথম আলো,

দেশে প্রতিবছর গ্যাসের গড় উৎপাদন দিনে কমছে ১৫ কোটি ঘনফুটের বেশি। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করেও ঘাটতি পূরণ হচ্ছে না। কোনো কারণে আমদানি ব্যাহত হলেই গ্যাসের সংকট বেড়ে যাচ্ছে। গ্যাসের অভাবে নিয়মিত ভুগছে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন। এর মধ্যেই বাড়ছে গ্যাসের চাহিদা। তাই শিল্পে নতুন সংযোগ আপাতত দেবে না সরকার।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যানকে ১৪ জুলাই একটি চিঠি পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন কমছে। অন্যদিকে দুটি এফএসআরইউভিত্তিক এলএনজি আমদানি সীমাবদ্ধ থাকায় এ মুহূর্তে শিল্পে নতুন করে গ্যাস-সংযোগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে না।

এফএসআরইউ হলো ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট। আমদানি করা এলএনজি মজুত করে রূপান্তরের মাধ্যমে গ্যাসের পাইপলাইনে সরবরাহ করে এটি। কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান এমন দুটি টার্মিনাল আছে। এ দুটি মিলে গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ১১০ কোটি ঘনফুট। সর্বোচ্চ সরবরাহ করা হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট। একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এখন সরবরাহ হচ্ছে ৫০ কোটি ঘনফুটের কম। এতে এক সপ্তাহ ধরে দেশের সব খাতেই গ্যাসের সংকট বেড়ে গেছে।

তবে শিল্পকারখানায় গ্যাস-সংযোগ না দেওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। গ্যাস–সংকটের কারণে ২০০৯ সালের ২১ জুলাই থেকে শিল্প ও বাণিজ্যিক এবং ২০১০ সালের ১৩ জুলাই থেকে আবাসিক গ্রাহকদের নতুন সংযোগ দেওয়া বন্ধ করা হয়। এরপর গুরুত্বপূর্ণ শিল্পে জরুরি ভিত্তিতে সংযোগ দেওয়া ও বরাদ্দ (লোড) বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটি কিছু কারখানায় গ্যাস-সংযোগ দেয়। তবে কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। পরবর্তী সময়ে ওই কমিটি বাতিল করে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কিছু গ্যাস-সংযোগ দেয় তৎকালীন সরকার।
মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
কালবেলা,

গত শুক্রবার দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। ফলে সর্বত্রই এখন আলোচনা- কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি; কে বসতে যাচ্ছেন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তির আসনে! ঘুরে-ফিরে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার নাম আলোচিত হলেও এ মুহূর্তে সর্বাধিক আলোচিত ব্যক্তিটি হলেন প্রাজ্ঞ রাজনীতিক বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বর্তমানে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং সার্বিক সমীকরণে দল ও দলের বাইরে পছন্দের শীর্ষে তার নাম।

সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা ও দূরদর্শিতা, দল ও রাষ্ট্র পরিচালনায় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং ভারসাম্যপূর্ণ নেতৃত্ব মির্জা ফখরুলকে এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। যে কারণে বিএনপিরও একটি বড় অংশ তাকে রাষ্ট্রপতি করার পক্ষে। এ ছাড়া সংকটকালে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একজন দক্ষ ও বিতর্কহীন রাষ্ট্রপতির গুরুত্ব অপরিসীম। সেই মানদণ্ডে বনেদি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু বিএনপিরই প্রথম পছন্দ নয়; বরং সাধারণ মানুষের কাছেও এক আস্থার নাম। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এআই নির্মিত ছবি

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেড় যুগের বেশি সময় পর বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। এখন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব চাইবে এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি করতে, যিনি রাষ্ট্রের সংকটময় মুহূর্তে শক্ত হাতে হাল ধরতে পারবেন এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবেন। কেননা, দেশের যে কোনো সংকটকালে রাষ্ট্রপতিকে অভিভাবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয়। মির্জা ফখরুল সেটি পারবেন বলেই সংশ্লিষ্টদের মত। সার্বিক বিবেচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই হচ্ছেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। তবে এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের কঠিন সময়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। তার সুচিন্তিত বক্তব্য ও শান্ত রাজনৈতিক কৌশল দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক মহলে তাকে একটি বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে। এ ছাড়া দেশের ভেতরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার সমন্বয়ক ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিত্ব, অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক অভিভাবকের পদে সম্ভাব্য বিবেচনায় শীর্ষ সারিতে রেখেছে।

সোনার গহনার দাম বাড়ার একদিন পরই আবার কমলো

জাগো নিউজ২৪,

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম কমানো হয়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমায় এই দাম কমানো হয়েছে।

সোনার গহনার দাম বাড়ার একদিন পরই আবার কমলো

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

মঙ্গলবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ২৭ জুলাই ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। এই দাম বাড়ানোর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন একই পরিমাণ দাম কমানো হলো।

এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঠা-লেবেল ছাড়াই কাগজের প্যাকেজিং, বদলে যেতে পারে পুনর্ব্যবহারের ভবিষ্যৎ

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

১০:৫০:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

শিল্পে গ্যাস–সংযোগ আপাতত বন্ধ

প্রথম আলো,

দেশে প্রতিবছর গ্যাসের গড় উৎপাদন দিনে কমছে ১৫ কোটি ঘনফুটের বেশি। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করেও ঘাটতি পূরণ হচ্ছে না। কোনো কারণে আমদানি ব্যাহত হলেই গ্যাসের সংকট বেড়ে যাচ্ছে। গ্যাসের অভাবে নিয়মিত ভুগছে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন। এর মধ্যেই বাড়ছে গ্যাসের চাহিদা। তাই শিল্পে নতুন সংযোগ আপাতত দেবে না সরকার।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যানকে ১৪ জুলাই একটি চিঠি পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন কমছে। অন্যদিকে দুটি এফএসআরইউভিত্তিক এলএনজি আমদানি সীমাবদ্ধ থাকায় এ মুহূর্তে শিল্পে নতুন করে গ্যাস-সংযোগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে না।

এফএসআরইউ হলো ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট। আমদানি করা এলএনজি মজুত করে রূপান্তরের মাধ্যমে গ্যাসের পাইপলাইনে সরবরাহ করে এটি। কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান এমন দুটি টার্মিনাল আছে। এ দুটি মিলে গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ১১০ কোটি ঘনফুট। সর্বোচ্চ সরবরাহ করা হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট। একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এখন সরবরাহ হচ্ছে ৫০ কোটি ঘনফুটের কম। এতে এক সপ্তাহ ধরে দেশের সব খাতেই গ্যাসের সংকট বেড়ে গেছে।

তবে শিল্পকারখানায় গ্যাস-সংযোগ না দেওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। গ্যাস–সংকটের কারণে ২০০৯ সালের ২১ জুলাই থেকে শিল্প ও বাণিজ্যিক এবং ২০১০ সালের ১৩ জুলাই থেকে আবাসিক গ্রাহকদের নতুন সংযোগ দেওয়া বন্ধ করা হয়। এরপর গুরুত্বপূর্ণ শিল্পে জরুরি ভিত্তিতে সংযোগ দেওয়া ও বরাদ্দ (লোড) বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটি কিছু কারখানায় গ্যাস-সংযোগ দেয়। তবে কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। পরবর্তী সময়ে ওই কমিটি বাতিল করে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কিছু গ্যাস-সংযোগ দেয় তৎকালীন সরকার।
মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
কালবেলা,

গত শুক্রবার দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। ফলে সর্বত্রই এখন আলোচনা- কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি; কে বসতে যাচ্ছেন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তির আসনে! ঘুরে-ফিরে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার নাম আলোচিত হলেও এ মুহূর্তে সর্বাধিক আলোচিত ব্যক্তিটি হলেন প্রাজ্ঞ রাজনীতিক বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বর্তমানে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং সার্বিক সমীকরণে দল ও দলের বাইরে পছন্দের শীর্ষে তার নাম।

সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা ও দূরদর্শিতা, দল ও রাষ্ট্র পরিচালনায় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং ভারসাম্যপূর্ণ নেতৃত্ব মির্জা ফখরুলকে এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। যে কারণে বিএনপিরও একটি বড় অংশ তাকে রাষ্ট্রপতি করার পক্ষে। এ ছাড়া সংকটকালে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একজন দক্ষ ও বিতর্কহীন রাষ্ট্রপতির গুরুত্ব অপরিসীম। সেই মানদণ্ডে বনেদি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু বিএনপিরই প্রথম পছন্দ নয়; বরং সাধারণ মানুষের কাছেও এক আস্থার নাম। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এআই নির্মিত ছবি

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেড় যুগের বেশি সময় পর বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। এখন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব চাইবে এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি করতে, যিনি রাষ্ট্রের সংকটময় মুহূর্তে শক্ত হাতে হাল ধরতে পারবেন এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবেন। কেননা, দেশের যে কোনো সংকটকালে রাষ্ট্রপতিকে অভিভাবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয়। মির্জা ফখরুল সেটি পারবেন বলেই সংশ্লিষ্টদের মত। সার্বিক বিবেচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই হচ্ছেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। তবে এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের কঠিন সময়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। তার সুচিন্তিত বক্তব্য ও শান্ত রাজনৈতিক কৌশল দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক মহলে তাকে একটি বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে। এ ছাড়া দেশের ভেতরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার সমন্বয়ক ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিত্ব, অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক অভিভাবকের পদে সম্ভাব্য বিবেচনায় শীর্ষ সারিতে রেখেছে।

সোনার গহনার দাম বাড়ার একদিন পরই আবার কমলো

জাগো নিউজ২৪,

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম কমানো হয়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমায় এই দাম কমানো হয়েছে।

সোনার গহনার দাম বাড়ার একদিন পরই আবার কমলো

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

মঙ্গলবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ২৭ জুলাই ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। এই দাম বাড়ানোর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এখন একই পরিমাণ দাম কমানো হলো।

এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা।