০২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
বিমানে রহস্যজনক ওয়াই-ফাই, যাত্রীদের তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ বাবা-মাকে হত্যার আগে ওত পেতে ছিলেন নিক রেইনার, নতুন অভিযোগপত্রে চাঞ্চল্যকর তথ্য ইরানকে সামরিক চাপে নত করাতে ব্যর্থ ট্রাম্প, এবার অর্থনৈতিক অবরোধে জোর হাসানের আগুনে বোলিং, ১৯৮ রানেই অস্ট্রেলিয়া অলআউট; প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের দাপট ২০২৬ সালের সূর্যগ্রহণ: রাশিয়া ও ইউরোপের কোথায়, কখন দেখা যাবে টেক্সাসে মার্কিন সেনাবাহিনীর অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, দুই পাইলট নিহত দক্ষিণ লেবাননে আগুন লাগাতে ইসরায়েলি বাহিনী ড্রোন ও গোলাবারুদ ব্যবহার করছে: অগ্নিনির্বাপকদের অভিযোগ রাশিয়ার উত্তর–দক্ষিণ করিডরে গওয়াদর: ইউরেশিয়ার বাণিজ্য মানচিত্র কি বদলে যাচ্ছে? নীরব কূটনীতির পথে রাশিয়া-পাকিস্তান, আফগানিস্তানকে ঘিরে বাড়ছে কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা ২৭ সেপ্টেম্বরের লং মার্চ: খাইবার থেকে রাজপথের আন্দোলন শুরু করলেন কেপি মুখ্যমন্ত্রী

মির্জা ফখরুলই বিএনপির প্রার্থী, তবে আগাম ঘোষণা করবে না দল

এসএসসিতে জিপিএ-৩-এর নিচে ৫০.৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী

জাগো নিউজ২৪,

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার পাস করা মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকই জিপিএ-৩-এর নিচে পেয়েছে। ফলে পাস করলেও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী খারাপ ফল নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পড়াশোনায় প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও কর্মজীবনে গিয়ে তাদের পদে পদে বিপাকে পড়তে হবে। পাশাপাশি খারাপ ফল করায় ঝরে পড়ার হারও বাড়তে পারে।

গত সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, এবার ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

এসএসসিতে জিপিএ-৩-এর নিচে ৫০.৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী

ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার শুধু পাসের হারই কমেনি, ভালো জিপিএ প্রাপ্তিও আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। এবার পাস করা মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকই জিপিএ-৩-এর কম পেয়েছে, শতাংশের হিসাবে যা ৫০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

জিপিএ-৪-এর কম পেয়েছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৫২৩ জন, যা মোট পাস করা শিক্ষার্থীর ৬০ শতাংশ। আর জিপিএ-৪ বা এর বেশি পেয়েছে চার লাখ ৬০ হাজার ৩৫৪ জন শিক্ষার্থী, যা শতকরা হিসাবে প্রায় ৪০ শতাংশ।

মির্জা ফখরুলই বিএনপির প্রার্থী, তবে আগাম ঘোষণা করবে না দল

প্রথম আলো,

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী কে, তা জানা যাবে শেষ মুহূর্তে। এ জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। তবে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র।

বিএনপির দায়িত্বশীল একজন নেতা গতকাল বুধবার প্রথম আলোকে বলেছেন, যেহেতু দলের স্থায়ী কমিটি রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করেছে, সে জন্য দল কোনো আগাম ঘোষণা দেবে না। ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জানা যাবে, প্রার্থী কে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুসারে, ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি পদে ভোট গ্রহণ হবে।

এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি পদে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য বিএনপির সাবেক নেতা, বর্তমানে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

ক্ষমতাসীন দল বিএনপির দিক থেকে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম অনেকটা নিশ্চিত বলে জানা গেছে। দুই দিন আগে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে যে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন।

মূল্যস্ফীতির চাপ শহরের তুলনায় গ্রামে বেশি

কালবেলা,

সরকারি হিসেবে দেশে মূল্যস্ফীতির উত্তাপ কিছুটা কমেছে। জুলাইয়ে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ৪৬। জুলাইয়ে শহরের তুলনায় গ্রামীণ এলাকায় মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি ছিল।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জুলাইয়ের ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

সিপিআইয়ের তথ্যানুসারে, সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমার পেছনে খাদ্য মূল্যস্ফীতির বড় ভূমিকা রয়েছে। এক মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবায় মূল্যবৃদ্ধির চাপ এখনো বেশি। মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩২ শতাংশের অর্থ হলো ২০২৫ সালের জুলাই মাসে যে পণ্য বা সেবা কিনতে ১০০ টাকা ব্যয় করতে হতো, চলতি বছরের জুলাইতে সেই একই পণ্য কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১০৮ টাকা ৩২ পয়সা। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে একই পণ্য কিনতে খরচ বেড়েছে ৮ টাকা ৩২ পয়সা।

ছবি: কালবেলা গ্রাফিক্স

সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমার পেছনে খাদ্য মূল্যস্ফীতির বড় ভূমিকা রয়েছে। সিপিআই সূচক অনুযায়ী, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে। জুনে যা ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমেছে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবায় মূল্যবৃদ্ধির চাপ এখনো বেশি। জুলাইয়ে এ খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ।

অর্থাৎ পরিবারের দৈনন্দিন ব্যয়ের বড় একটি অংশজুড়ে এখনো ৯ শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতির চাপ রয়েছে। খাবারের বাইরে পোশাক, পরিবহন, শিক্ষা, বাসস্থান, যোগাযোগ, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাতে এই চাপ ছড়িয়ে আছে। জুলাইয়ে পোশাক ও জুতায় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। পরিবহন খাতে ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং শিক্ষায় ৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানে রহস্যজনক ওয়াই-ফাই, যাত্রীদের তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

মির্জা ফখরুলই বিএনপির প্রার্থী, তবে আগাম ঘোষণা করবে না দল

১০:৫১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

এসএসসিতে জিপিএ-৩-এর নিচে ৫০.৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী

জাগো নিউজ২৪,

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার পাস করা মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকই জিপিএ-৩-এর নিচে পেয়েছে। ফলে পাস করলেও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী খারাপ ফল নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পড়াশোনায় প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও কর্মজীবনে গিয়ে তাদের পদে পদে বিপাকে পড়তে হবে। পাশাপাশি খারাপ ফল করায় ঝরে পড়ার হারও বাড়তে পারে।

গত সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, এবার ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

এসএসসিতে জিপিএ-৩-এর নিচে ৫০.৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী

ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার শুধু পাসের হারই কমেনি, ভালো জিপিএ প্রাপ্তিও আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। এবার পাস করা মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকই জিপিএ-৩-এর কম পেয়েছে, শতাংশের হিসাবে যা ৫০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

জিপিএ-৪-এর কম পেয়েছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৫২৩ জন, যা মোট পাস করা শিক্ষার্থীর ৬০ শতাংশ। আর জিপিএ-৪ বা এর বেশি পেয়েছে চার লাখ ৬০ হাজার ৩৫৪ জন শিক্ষার্থী, যা শতকরা হিসাবে প্রায় ৪০ শতাংশ।

মির্জা ফখরুলই বিএনপির প্রার্থী, তবে আগাম ঘোষণা করবে না দল

প্রথম আলো,

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী কে, তা জানা যাবে শেষ মুহূর্তে। এ জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। তবে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র।

বিএনপির দায়িত্বশীল একজন নেতা গতকাল বুধবার প্রথম আলোকে বলেছেন, যেহেতু দলের স্থায়ী কমিটি রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করেছে, সে জন্য দল কোনো আগাম ঘোষণা দেবে না। ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জানা যাবে, প্রার্থী কে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুসারে, ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি পদে ভোট গ্রহণ হবে।

এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি পদে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য বিএনপির সাবেক নেতা, বর্তমানে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

ক্ষমতাসীন দল বিএনপির দিক থেকে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম অনেকটা নিশ্চিত বলে জানা গেছে। দুই দিন আগে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে যে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন।

মূল্যস্ফীতির চাপ শহরের তুলনায় গ্রামে বেশি

কালবেলা,

সরকারি হিসেবে দেশে মূল্যস্ফীতির উত্তাপ কিছুটা কমেছে। জুলাইয়ে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ৪৬। জুলাইয়ে শহরের তুলনায় গ্রামীণ এলাকায় মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি ছিল।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জুলাইয়ের ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

সিপিআইয়ের তথ্যানুসারে, সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমার পেছনে খাদ্য মূল্যস্ফীতির বড় ভূমিকা রয়েছে। এক মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবায় মূল্যবৃদ্ধির চাপ এখনো বেশি। মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩২ শতাংশের অর্থ হলো ২০২৫ সালের জুলাই মাসে যে পণ্য বা সেবা কিনতে ১০০ টাকা ব্যয় করতে হতো, চলতি বছরের জুলাইতে সেই একই পণ্য কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১০৮ টাকা ৩২ পয়সা। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে একই পণ্য কিনতে খরচ বেড়েছে ৮ টাকা ৩২ পয়সা।

ছবি: কালবেলা গ্রাফিক্স

সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমার পেছনে খাদ্য মূল্যস্ফীতির বড় ভূমিকা রয়েছে। সিপিআই সূচক অনুযায়ী, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে। জুনে যা ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমেছে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবায় মূল্যবৃদ্ধির চাপ এখনো বেশি। জুলাইয়ে এ খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ।

অর্থাৎ পরিবারের দৈনন্দিন ব্যয়ের বড় একটি অংশজুড়ে এখনো ৯ শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতির চাপ রয়েছে। খাবারের বাইরে পোশাক, পরিবহন, শিক্ষা, বাসস্থান, যোগাযোগ, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাতে এই চাপ ছড়িয়ে আছে। জুলাইয়ে পোশাক ও জুতায় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। পরিবহন খাতে ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং শিক্ষায় ৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ।