০২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
গ্যাসের তীব্র সংকটে নরসিংদীর কারখানায় জ্বলছে কাঠ, কমেছে উৎপাদন ‘কেপপ ডেমন হান্টার্স’-এর নাম নিয়ে নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে মামলা ডেমন হান্টারের এক্সিলারেট টার্মিনালে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, বেড়েছে লোডশেডিং গ্যাসসংকটে নারায়ণগঞ্জের কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, শ্রমিক অসন্তোষের শঙ্কা নারী-পুরুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার পার্থক্যের পেছনে ১,০০০-এর বেশি জেনেটিক সুইচ রোবটের আসছে ‘চ্যাটজিপিটি মুহূর্ত’, বদলে যেতে পারে ঘরের কাজের ধরন গ্যাসসংকটে গাজীপুরের শিল্পকারখানা, হাতে পোশাক ইস্ত্রি—বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ছয় বছর পর ব্রিটেনে ফিরছেন হ্যারি-মেগান, সেপ্টেম্বরে স্কুলে যাবে সন্তানরাও কাশ্মীরকে ভারতের অংশ বলায় ক্ষুব্ধ পাকিস্তান, মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব ক্যানসার কোষেই সক্রিয় হবে নতুন ‘স্মার্ট’ ওষুধ, সুস্থ কোষ থাকবে সুরক্ষিত

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন কিম জং উন, চলতি বছরেই হতে পারে সাক্ষাৎ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তিনি বৈঠক করতে পারেন। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ নতুন করে সক্রিয় করার ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, কিমের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে বর্তমানে ৫৭টি অত্যন্ত শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা তৈরি হতে দেওয়া উচিত হয়নি। তবে এখন যেহেতু দেশটির হাতে এসব অস্ত্র রয়েছে, তাই কিমের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

নভেম্বরে বৈঠকের সম্ভাবনা

ট্রাম্প বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় বা স্থান জানাননি। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরে চীনের শেনঝেনে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্মেলনে যোগ দিতে গেলে কিমের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।

Exclusive | Trump Pushes for Kim Jong Un Meeting This Year - WSJ

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কিমের সঙ্গে তিনবার সরাসরি বৈঠক হয়েছিল। ২০১৯ সালে দুই নেতার শেষ সাক্ষাৎ হয়। সেই সময় ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল। ট্রাম্প একপর্যায়ে বলেছিলেন, চিঠি আদান-প্রদানের পর তাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল।

তবে ওই বৈঠকগুলো উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বড় কোনো বাস্তব অগ্রগতি আনতে পারেনি। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদেও এখন পর্যন্ত কিমের সঙ্গে তার সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি।

সামরিক মহড়া কমানোর সিদ্ধান্ত

কিমের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের ঘোষণা এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে এশিয়ার মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া কিমের কাছে ‘অপমানজনক’। তার ভাষ্য, কিম তার সঙ্গে সম্পর্কের সময়ে ভালো আচরণ করেছেন।

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক মহড়া নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক সপ্তাহ আগে শেষ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এতে তাদের প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হবে না।

উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে এসব মহড়ার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে। দেশটির দাবি, মহড়াগুলো তাদের ওপর সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি।

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ভিন্ন হিসাব

ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার হাতে ৫৭টি পারমাণবিক অস্ত্র থাকার কথা বললেও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গিউ-ব্যাক দেশটির হাতে প্রায় ৮০ থেকে ১২০টি পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন।

Donald Trump-Kim Jong Un Meeting Could Happen In November This Year: Report

বৃহস্পতিবার আইনপ্রণেতাদের তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রচলিত হিসাব অনুযায়ী উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা ৮০ থেকে ১২০টির মধ্যে।

তবে উত্তর কোরিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করেছে সিউল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্য থেকে সরে গেছে বলে তিনি মনে করেন না।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংও ট্রাম্পের উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে সমর্থন করার অঙ্গীকার করেছেন।

কিমের বোনের ভিন্ন বক্তব্য

ট্রাম্পের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার দুই নেতার মধ্যে সাম্প্রতিক যোগাযোগের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

তবে তিনি বলেন, ট্রাম্প সম্পর্কে তার ভাইয়ের ভালো স্মৃতি ও অনুভূতি এখনো রয়েছে এবং দুই নেতার সম্পর্ক ভালো।

সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তকেও কিম ইয়ো জং খুব একটা গুরুত্ব দেননি। তার ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করার মতো কোনো আগ্রহ উত্তর কোরিয়ার নেই।

ন্যাটোকে 'কাপুরুষ' ও 'কাগুজে বাঘ' বললেন ট্রাম্প | STAR NEWS

পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান

ট্রাম্পের বক্তব্যে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতাকে প্রকাশ্যে স্বীকার করার বিষয়টি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।

তবে উত্তর কোরিয়ার হাতে ৫০ থেকে ৬০টি পারমাণবিক অস্ত্র থাকার যে হিসাব আগে বিভিন্ন মার্কিন সরকারি সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান দিয়েছে, ট্রাম্পের ৫৭টির হিসাব তার কাছাকাছি।

এদিকে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন এবং দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে ঠেকানোর যুক্তি দিচ্ছেন। একই সময়ে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের বাস্তবতা মেনে নিয়ে কিমের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করায় তার নীতির সামঞ্জস্য নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের পর থেকে দেশটির প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। যুদ্ধটি আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তির মাধ্যমে নয়, বরং যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাসের তীব্র সংকটে নরসিংদীর কারখানায় জ্বলছে কাঠ, কমেছে উৎপাদন

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন কিম জং উন, চলতি বছরেই হতে পারে সাক্ষাৎ

০১:১১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তিনি বৈঠক করতে পারেন। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ নতুন করে সক্রিয় করার ইঙ্গিত দিলেন তিনি।

বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, কিমের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে বর্তমানে ৫৭টি অত্যন্ত শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা তৈরি হতে দেওয়া উচিত হয়নি। তবে এখন যেহেতু দেশটির হাতে এসব অস্ত্র রয়েছে, তাই কিমের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

নভেম্বরে বৈঠকের সম্ভাবনা

ট্রাম্প বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় বা স্থান জানাননি। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরে চীনের শেনঝেনে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্মেলনে যোগ দিতে গেলে কিমের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।

Exclusive | Trump Pushes for Kim Jong Un Meeting This Year - WSJ

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কিমের সঙ্গে তিনবার সরাসরি বৈঠক হয়েছিল। ২০১৯ সালে দুই নেতার শেষ সাক্ষাৎ হয়। সেই সময় ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল। ট্রাম্প একপর্যায়ে বলেছিলেন, চিঠি আদান-প্রদানের পর তাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল।

তবে ওই বৈঠকগুলো উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বড় কোনো বাস্তব অগ্রগতি আনতে পারেনি। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদেও এখন পর্যন্ত কিমের সঙ্গে তার সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি।

সামরিক মহড়া কমানোর সিদ্ধান্ত

কিমের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের ঘোষণা এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে এশিয়ার মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া কিমের কাছে ‘অপমানজনক’। তার ভাষ্য, কিম তার সঙ্গে সম্পর্কের সময়ে ভালো আচরণ করেছেন।

দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক মহড়া নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক সপ্তাহ আগে শেষ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এতে তাদের প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হবে না।

উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে এসব মহড়ার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে। দেশটির দাবি, মহড়াগুলো তাদের ওপর সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি।

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ভিন্ন হিসাব

ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার হাতে ৫৭টি পারমাণবিক অস্ত্র থাকার কথা বললেও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গিউ-ব্যাক দেশটির হাতে প্রায় ৮০ থেকে ১২০টি পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন।

Donald Trump-Kim Jong Un Meeting Could Happen In November This Year: Report

বৃহস্পতিবার আইনপ্রণেতাদের তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রচলিত হিসাব অনুযায়ী উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা ৮০ থেকে ১২০টির মধ্যে।

তবে উত্তর কোরিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করেছে সিউল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্য থেকে সরে গেছে বলে তিনি মনে করেন না।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংও ট্রাম্পের উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে সমর্থন করার অঙ্গীকার করেছেন।

কিমের বোনের ভিন্ন বক্তব্য

ট্রাম্পের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার দুই নেতার মধ্যে সাম্প্রতিক যোগাযোগের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

তবে তিনি বলেন, ট্রাম্প সম্পর্কে তার ভাইয়ের ভালো স্মৃতি ও অনুভূতি এখনো রয়েছে এবং দুই নেতার সম্পর্ক ভালো।

সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তকেও কিম ইয়ো জং খুব একটা গুরুত্ব দেননি। তার ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করার মতো কোনো আগ্রহ উত্তর কোরিয়ার নেই।

ন্যাটোকে 'কাপুরুষ' ও 'কাগুজে বাঘ' বললেন ট্রাম্প | STAR NEWS

পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান

ট্রাম্পের বক্তব্যে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতাকে প্রকাশ্যে স্বীকার করার বিষয়টি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।

তবে উত্তর কোরিয়ার হাতে ৫০ থেকে ৬০টি পারমাণবিক অস্ত্র থাকার যে হিসাব আগে বিভিন্ন মার্কিন সরকারি সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান দিয়েছে, ট্রাম্পের ৫৭টির হিসাব তার কাছাকাছি।

এদিকে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন এবং দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে ঠেকানোর যুক্তি দিচ্ছেন। একই সময়ে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের বাস্তবতা মেনে নিয়ে কিমের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করায় তার নীতির সামঞ্জস্য নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের পর থেকে দেশটির প্রতিরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। যুদ্ধটি আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তির মাধ্যমে নয়, বরং যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল।