০৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
পানি সংকট সমাধানে শুধু বরাদ্দ নয়, দরকার বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা ইরান যুদ্ধের জ্বালানি সংকট: আসল ধাক্কা এখনো সামনে পাকিস্তানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তার নির্দেশ শাহবাজ শরিফের ঝিনাইদহে মানসিক প্রতিবন্ধী কৃষককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা, চাচা-চাচাতো ভাইকে খুঁজছে পুলিশ বুরকিনা ফাসোয় সবচেয়ে বড় ছাত্র সংগঠন স্থগিত, নেতাসহ গ্রেপ্তার ১০ মালদ্বীপে রাতে উড়বে সি-প্লেন, নতুন দুই উভচর বিমানে বাড়ছে আকাশপথের সক্ষমতা বিশ্ব হাতি দিবসে চিতওয়ানে ৫৬ হাতির ভোজ, ছিল ২০ ধরনের খাবার নেপালে প্রসাধনী আমদানি বেড়ে ১৩ বিলিয়ন রুপি, সোশ্যাল মিডিয়ায় বাড়ছে চাহিদা বর্ষায় বারবার বন্ধ নেপাল-চীন বাণিজ্যপথ, বাড়ছে আমদানি খরচ ঢাকার চীনা দূতাবাসে ইমেইলে হামলার হুমকি, জোরদার কূটনৈতিক নিরাপত্তা

ঢাকায় ফের বাড়ল লোডশেডিং, সন্ধ্যায় ৫৯৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি

ঢাকায় আবারও বেড়েছে লোডশেডিং। দিন-রাত বিভিন্ন এলাকায় একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা দিচ্ছে সন্ধ্যার পিক আওয়ারে। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ কম থাকায় এ সময়ে লোডশেডিংও বাড়ছে।

পিক আওয়ারে বেড়েছে বিদ্যুৎ ঘাটতি

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, ২২ আগস্ট সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ঢাকা জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬ হাজার ৪৮৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে লোডশেডিং করতে হয়েছে ৫৯৯ মেগাওয়াট।

এর আগের দিন ২১ আগস্ট একই সময়ে ঢাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৫ হাজার ৬৩৫ মেগাওয়াট। তখন লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল ২১৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে ঢাকায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে ৮৫৪ মেগাওয়াট। একই সময়ে লোডশেডিং বেড়েছে ৩৮৫ মেগাওয়াট।

রাজধানীসহ সারাদেশে বেড়েছে লোডশেডিং

কয়েক দিন ধরেই ওঠানামা

ঢাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতিতে গত কয়েক দিন ধরেই উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। ২০ আগস্ট সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ঢাকা জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬ হাজার ২৫১ মেগাওয়াট। ওই সময় লোডশেডিং করা হয় ৫৫৪ মেগাওয়াট।

এর আগের দিন ১৯ আগস্ট সন্ধ্যার পিক আওয়ারে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল ৬৪০ মেগাওয়াট, যা ১৮ থেকে ২২ আগস্টের পাঁচ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর ১৮ আগস্ট একই সময়ে ঢাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬ হাজার ১৮৪ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিং করতে হয়েছিল ১৫৪ মেগাওয়াট।

গ্যাস সংকটে উৎপাদনে চাপ

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, গ্যাসের সংকট, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়া এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতির কারণে লোডশেডিং পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না থাকলে উৎপাদন কমে যায়। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের সরবরাহ কমে গিয়ে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করতে হয়।

সন্ধ্যায় বাড়ছে ভোগান্তি

সম্প্রতি দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ সংকট অব্যাহত থাকায় গ্যাসভিত্তিক বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। এর প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায়।

ফলে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ করে সন্ধ্যার পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মাত্রা বাড়ছে। দিন ও রাতের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনেও বাড়ছে ভোগান্তি।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পানি সংকট সমাধানে শুধু বরাদ্দ নয়, দরকার বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা

ঢাকায় ফের বাড়ল লোডশেডিং, সন্ধ্যায় ৫৯৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি

০৩:০০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকায় আবারও বেড়েছে লোডশেডিং। দিন-রাত বিভিন্ন এলাকায় একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা দিচ্ছে সন্ধ্যার পিক আওয়ারে। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ কম থাকায় এ সময়ে লোডশেডিংও বাড়ছে।

পিক আওয়ারে বেড়েছে বিদ্যুৎ ঘাটতি

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, ২২ আগস্ট সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ঢাকা জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬ হাজার ৪৮৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে লোডশেডিং করতে হয়েছে ৫৯৯ মেগাওয়াট।

এর আগের দিন ২১ আগস্ট একই সময়ে ঢাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৫ হাজার ৬৩৫ মেগাওয়াট। তখন লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল ২১৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে ঢাকায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে ৮৫৪ মেগাওয়াট। একই সময়ে লোডশেডিং বেড়েছে ৩৮৫ মেগাওয়াট।

রাজধানীসহ সারাদেশে বেড়েছে লোডশেডিং

কয়েক দিন ধরেই ওঠানামা

ঢাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতিতে গত কয়েক দিন ধরেই উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। ২০ আগস্ট সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ঢাকা জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬ হাজার ২৫১ মেগাওয়াট। ওই সময় লোডশেডিং করা হয় ৫৫৪ মেগাওয়াট।

এর আগের দিন ১৯ আগস্ট সন্ধ্যার পিক আওয়ারে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল ৬৪০ মেগাওয়াট, যা ১৮ থেকে ২২ আগস্টের পাঁচ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর ১৮ আগস্ট একই সময়ে ঢাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬ হাজার ১৮৪ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিং করতে হয়েছিল ১৫৪ মেগাওয়াট।

গ্যাস সংকটে উৎপাদনে চাপ

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, গ্যাসের সংকট, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়া এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতির কারণে লোডশেডিং পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না থাকলে উৎপাদন কমে যায়। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের সরবরাহ কমে গিয়ে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করতে হয়।

সন্ধ্যায় বাড়ছে ভোগান্তি

সম্প্রতি দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ সংকট অব্যাহত থাকায় গ্যাসভিত্তিক বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। এর প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায়।

ফলে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ করে সন্ধ্যার পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মাত্রা বাড়ছে। দিন ও রাতের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনেও বাড়ছে ভোগান্তি।