১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তিন কিলোমিটার সড়কে ৫ হাজারের বেশি গর্ত, ২৬ কোটি টাকার কাজেও থমকে বগুড়ার গোহাইল রোড যুক্তরাষ্ট্রে চীনের সৌন্দর্যপণ্যের দাপট, বাণিজ্যযুদ্ধও ঠেকাতে পারছে না রপ্তানি গাজায় শান্তির দাবি নিয়ে ট্রাম্পকে ম্যাক্রোঁর তীব্র কটাক্ষ, ‘এ দৃশ্য আমাদের লজ্জিত করা উচিত’ স্বামীকে মুক্ত করতে শির কাছে ট্রাম্পের আবেদন, চীনে বন্দি মার্কিন ভূকম্পবিদের পরিবারের আশা জ্বালানি তেলের দামে যাতায়াতে নতুন হিসাব, কাটছাঁট চলাফেরায় স্মার্ট চশমা-এআই ডিভাইসের নতুন দুশ্চিন্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কতটা নিরাপদ? মবের শিকার হাজার শিক্ষক, দুই বছরেও ফিরতে পারেননি কর্মস্থলে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের হুমকি ‘অত্যন্ত মারাত্মক’: শেখ হাসিনা বাড়ছে খরচ, কমছে ক্রয়ক্ষমতা: সংকটে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জীবন ইরানকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি ট্রাম্পের, জাতিসংঘে চুক্তির চেষ্টাও চলছে

মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না

জ্বালানি তেল থেকে ১০ বছরে সরকার পেয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা

প্রথম আলো ,

আমদানি পর্যায়ে একক পণ্য হিসেবে সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে ডিজেল থেকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, গত অর্থবছরে শুধু ডিজেল আমদানিতেই বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারকে ১১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা শুল্ক-কর দিয়েছে।

ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল মিলিয়ে অঙ্কটি আরও বড়। বিপিসির হিসাবে, ২০১৬-১৭ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত ১০ বছরে জ্বালানি তেল আমদানিতে শুল্ক-কর বাবদ সরকারকে প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছে সংস্থাটি।

জ্বালানি তেল

এই বিপুল শুল্ক-কর দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মুনাফায় ছিল বিপিসি। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত নিরীক্ষিত হিসাবে মাত্র এক বছর লোকসান হয়েছে তাদের। সেই লোকসান বাদ দিয়ে বাকি ১০ বছরে সংস্থাটির নিট মুনাফা টিকেছে ৫৩ হাজার ১৩২ কোটি টাকা।

১০ বছরের শুল্ক-কর ও মুনাফার দুই অঙ্ক যোগ করলে পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। এই অর্থ এসেছে শেষ পর্যন্ত ভোক্তার কাছে জ্বালানি বিক্রির আয় থেকেই।

দেশের বাজারে সোনার ভরি কত আজ?

জাগো নিউজ২৪,

দেশের বাজারে ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকার ওপরে। আর কম দামি বা সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। ভালো মানের রুপার গহনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকার ওপরে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর সোনা ও রুপার গহনার এই নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আবার নতুন দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত এই দামেই বিক্রি হবে।

দেশের বাজারে সোনার ভরি কত আজ?

বাজুস নির্ধারণ করা দর অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।

তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয়

যুগান্তর,

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং বহুমাত্রিক করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দুই নেতা।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ প্লাজায় অবস্থিত তুর্কি হাউসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক এ তথ্য জানান।

তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয়

বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময়ের পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা।

এ ছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান।

মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না

সমকাল,

শ্রেণিকক্ষে জীববিজ্ঞানের ক্লাস নিচ্ছিলেন বরিশালের গৌরনদীর শরিকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কণিকা মুখার্জী। হুড়মুড় করে কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ একটি মব শ্রেণিকক্ষে ঢোকে। শিক্ষার্থীদের বের করে দেয়। কণিকাকে লক্ষ্য করে শুরু হয় অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল। নানাভাবে হেনস্তা করা হয় তাঁকে। পদত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া হয়। স্থানীয় এক ব্যক্তির সহযোগিতায় সেদিন নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাণ নিয়ে কোনোমতে বের হতে সক্ষম হন তিনি।

কণিকা মুখার্জীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিনি ওই মবের শিকার হন। কয়েক দিন পর বিদ্যালয়ে গিয়ে একই ধরনের পরিস্থিতির মুখে পড়েন। কণিকা জানান, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে তাঁর প্রাণ হারানোর আশঙ্কা করছিলেন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কণিকার মতোই সারাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল-কলেজে বহু শিক্ষক মবের শিকার হন। তাদের মধ্যে সহস্রাধিক শিক্ষক এখনও নিজ কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি। ভুক্তভোগী শিক্ষকদের একটি সংগঠন এ দাবি করেছে।

মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না

দুই বছর পার হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কিংবা জেলা শিক্ষা অফিসের কাছে মব বা জোরজবরদস্তির মুখে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া কিংবা হেনস্তার শিকার শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নেই।

সরকারি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যে দুই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষককে সরিয়ে দেওয়া বা পদত্যাগে বাধ্য করার তথ্য উঠে এসেছে। পুনর্বহালের দাবিতে আট শতাধিক শিক্ষক আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া শিক্ষকদের সংগঠন ‘পদবঞ্চিত প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষক জোট’-এর দাবি, সারাদেশে প্রায় দুই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাড়ে তিন হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষক হয়রানি, অপমান, পদত্যাগে বাধ্য হওয়া কিংবা কর্মস্থল থেকে বিতাড়নের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচ শতাধিক আহত বা অসুস্থ হয়েছেন। জোটের দাবি, শারীরিক ও মানসিক আঘাতের জেরে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সারাদেশে বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাসহ এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২৮ হাজার। শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন প্রায় পাঁচ লাখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন কিলোমিটার সড়কে ৫ হাজারের বেশি গর্ত, ২৬ কোটি টাকার কাজেও থমকে বগুড়ার গোহাইল রোড

মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না

১০:৩৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেল থেকে ১০ বছরে সরকার পেয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা

প্রথম আলো ,

আমদানি পর্যায়ে একক পণ্য হিসেবে সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে ডিজেল থেকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, গত অর্থবছরে শুধু ডিজেল আমদানিতেই বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারকে ১১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা শুল্ক-কর দিয়েছে।

ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল মিলিয়ে অঙ্কটি আরও বড়। বিপিসির হিসাবে, ২০১৬-১৭ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত ১০ বছরে জ্বালানি তেল আমদানিতে শুল্ক-কর বাবদ সরকারকে প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছে সংস্থাটি।

জ্বালানি তেল

এই বিপুল শুল্ক-কর দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মুনাফায় ছিল বিপিসি। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত নিরীক্ষিত হিসাবে মাত্র এক বছর লোকসান হয়েছে তাদের। সেই লোকসান বাদ দিয়ে বাকি ১০ বছরে সংস্থাটির নিট মুনাফা টিকেছে ৫৩ হাজার ১৩২ কোটি টাকা।

১০ বছরের শুল্ক-কর ও মুনাফার দুই অঙ্ক যোগ করলে পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। এই অর্থ এসেছে শেষ পর্যন্ত ভোক্তার কাছে জ্বালানি বিক্রির আয় থেকেই।

দেশের বাজারে সোনার ভরি কত আজ?

জাগো নিউজ২৪,

দেশের বাজারে ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকার ওপরে। আর কম দামি বা সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। ভালো মানের রুপার গহনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার টাকার ওপরে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর সোনা ও রুপার গহনার এই নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আবার নতুন দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত এই দামেই বিক্রি হবে।

দেশের বাজারে সোনার ভরি কত আজ?

বাজুস নির্ধারণ করা দর অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।

তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয়

যুগান্তর,

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং বহুমাত্রিক করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দুই নেতা।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ প্লাজায় অবস্থিত তুর্কি হাউসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক এ তথ্য জানান।

তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয়

বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময়ের পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা।

এ ছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান।

মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না

সমকাল,

শ্রেণিকক্ষে জীববিজ্ঞানের ক্লাস নিচ্ছিলেন বরিশালের গৌরনদীর শরিকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কণিকা মুখার্জী। হুড়মুড় করে কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ একটি মব শ্রেণিকক্ষে ঢোকে। শিক্ষার্থীদের বের করে দেয়। কণিকাকে লক্ষ্য করে শুরু হয় অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল। নানাভাবে হেনস্তা করা হয় তাঁকে। পদত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া হয়। স্থানীয় এক ব্যক্তির সহযোগিতায় সেদিন নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাণ নিয়ে কোনোমতে বের হতে সক্ষম হন তিনি।

কণিকা মুখার্জীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিনি ওই মবের শিকার হন। কয়েক দিন পর বিদ্যালয়ে গিয়ে একই ধরনের পরিস্থিতির মুখে পড়েন। কণিকা জানান, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে তাঁর প্রাণ হারানোর আশঙ্কা করছিলেন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কণিকার মতোই সারাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল-কলেজে বহু শিক্ষক মবের শিকার হন। তাদের মধ্যে সহস্রাধিক শিক্ষক এখনও নিজ কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি। ভুক্তভোগী শিক্ষকদের একটি সংগঠন এ দাবি করেছে।

মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না

দুই বছর পার হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কিংবা জেলা শিক্ষা অফিসের কাছে মব বা জোরজবরদস্তির মুখে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া কিংবা হেনস্তার শিকার শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নেই।

সরকারি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যে দুই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষককে সরিয়ে দেওয়া বা পদত্যাগে বাধ্য করার তথ্য উঠে এসেছে। পুনর্বহালের দাবিতে আট শতাধিক শিক্ষক আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া শিক্ষকদের সংগঠন ‘পদবঞ্চিত প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষক জোট’-এর দাবি, সারাদেশে প্রায় দুই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাড়ে তিন হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষক হয়রানি, অপমান, পদত্যাগে বাধ্য হওয়া কিংবা কর্মস্থল থেকে বিতাড়নের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচ শতাধিক আহত বা অসুস্থ হয়েছেন। জোটের দাবি, শারীরিক ও মানসিক আঘাতের জেরে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সারাদেশে বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাসহ এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২৮ হাজার। শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন প্রায় পাঁচ লাখ।