০৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ট্রাম্প-শি বৈঠকে বড় চুক্তির চেয়ে স্থিতাবস্থাই গুরুত্বপূর্ণ অ্যালকোহলের বোতলে স্বাস্থ্যঝুঁকির তথ্যই নেই, ‘দায়িত্বশীলভাবে পান’ বার্তাই বেশি চীনা রাষ্ট্রীয় টিভিতে শির প্রশংসায় ইলন মাস্ক, ওয়াশিংটনে অস্বস্তি হোয়াইট হাউসে শি জিনপিং, বাণিজ্য বিরতির মেয়াদ ফুরানোর আগে বৈঠক বিশ্বে তেল-গ্যাসের নতুন খনি আবিষ্কার ৪০ বছরে সর্বনিম্নে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, একই দিনে ট্রাম্পের ধ্বংসের হুমকি মিয়ানমারে সোয়া লাখ তরুণ জোর করে সেনাবাহিনীতে, জান্তাপ্রধান যোগ দিলেন দলে এআই জোয়ারে এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশে, এল নিনো ও জ্বালানি বড় ঝুঁকি এডিবির পূর্বাভাসে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি নামল ৪ শতাংশে, মূল্যস্ফীতি ৯ ইরান যুদ্ধ ঘিরে হরমুজে জাহাজে হামলা, জ্বালানি বাজারে নতুন চাপ

ইউক্রেন শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার অবস্থান অপরিবর্তিত, ল্যাভরভ-রুবিও বৈঠকের আগে বার্তা ক্রেমলিনের

  • Sarakhon Report
  • ০৬:১৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 17

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরুর আগে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের নিউইয়র্কে সম্ভাব্য বৈঠকের আগে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসার মতো প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। তবে একই সঙ্গে মস্কো শান্তি আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি বলেও জানিয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিপূর্ণ আলোচনার পথে এগিয়ে যাওয়ার মতো কোনো পূর্বশর্ত বা ভিত্তি এখনো তৈরি হয়নি। তবে রাশিয়া শান্তি আলোচনার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগের কথা বলেছেন। মঙ্গলবার তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসতে তিনি প্রস্তুত। তাঁর আশা, যুক্তরাষ্ট্র মস্কোকে আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখবে।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও মধ্যস্থতার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু চলতি বছরের শুরুর দিকে শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি সমঝোতার সম্ভাবনা আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে রুবিও-ল্যাভরভ বৈঠককে ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পুতিন-ট্রাম্প বৈঠকের সম্ভাবনা

ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন ও ট্রাম্প দুজনই যদি মনে করেন যে সরাসরি বৈঠক প্রয়োজন, তাহলে রুশ প্রেসিডেন্ট ওয়ান-টু-ওয়ান বৈঠকে বসতে প্রস্তুত আছেন।

তবে পুতিনের সঙ্গে জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠকের প্রশ্নে মস্কোর অবস্থান এখনো বদলায়নি। ক্রেমলিনের বক্তব্য অনুযায়ী, জেলেনস্কিকে মস্কোতে গিয়ে বৈঠক করতে হবে এবং তার আগে রাশিয়া যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে, সেগুলো গ্রহণ করতে হবে।

কিয়েভ এই অবস্থান বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে গিয়ে এমন বৈঠকে বসা গ্রহণযোগ্য নয়। বরং কোনো আলোচনা হলে তা নিরপেক্ষ কোনো দেশে আয়োজন করা উচিত।

ফলে দুই পক্ষের মধ্যে শুধু যুদ্ধের অবসান নয়, আলোচনার স্থান, আলোচনার কাঠামো এবং সম্ভাব্য সমঝোতার ভিত্তি নিয়েও বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।US top diplomat Rubio to meet Russian Foreign Minister Lavrov on Wednesday  | Reuters

শীর্ষ বৈঠকের আগে প্রস্তুতি চায় মস্কো

পেসকভ একই সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক আয়োজনের ধারণা নিয়েও সতর্ক অবস্থান প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ভিত্তি তৈরি হওয়ার আগে সরাসরি শীর্ষ বৈঠক আয়োজন করা হলে তা সময় নষ্ট করার শামিল হতে পারে।

অর্থাৎ, মস্কো এখনই পুতিন-জেলেনস্কি বা অন্য কোনো বড় আকারের শীর্ষ সম্মেলনের দিকে যেতে চাইছে না। রাশিয়ার দৃষ্টিতে আগে আলোচনার বিষয়, সম্ভাব্য সমঝোতার কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট শর্তগুলো নিয়ে নিম্ন ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

এতে বোঝা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে চায়, তাহলে শুধু শীর্ষ নেতাদের বৈঠক আয়োজন করাই যথেষ্ট হবে না। মস্কো যে বিষয়গুলোকে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে দেখছে, সেগুলো নিয়েও আগে অগ্রগতি প্রয়োজন হবে।

রুবিও-ল্যাভরভ বৈঠকের তাৎপর্য

এই প্রেক্ষাপটে রুবিও ও ল্যাভরভের সম্ভাব্য বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ, শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা এবং রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভবিষ্যৎ যোগাযোগের পথ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

তবে বৈঠকের আগে ক্রেমলিনের বক্তব্য থেকে অন্তত একটি বিষয় স্পষ্ট—মস্কো এখনো তার মূল অবস্থান থেকে সরে আসেনি। রাশিয়া আলোচনায় বসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না, কিন্তু একই সঙ্গে বলছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি শান্তি আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি হয়নি।

অন্যদিকে কিয়েভ দ্রুত কোনো সমাধানের জন্য শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক চাইলেও রাশিয়ার শর্ত মেনে আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে তাদের অবস্থান ভিন্ন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে দুই পক্ষের অবস্থানের এই ব্যবধান কমানো।

শেষ পর্যন্ত রুবিও-ল্যাভরভ বৈঠক নতুন কোনো আলোচনার দরজা খুলতে পারে কি না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তবে বৈঠকের আগেই ক্রেমলিন যে বার্তা দিয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে—শান্তি আলোচনায় ফেরার ব্যাপারে মস্কো আগ্রহ দেখালেও তার শর্ত ও অবস্থান এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প-শি বৈঠকে বড় চুক্তির চেয়ে স্থিতাবস্থাই গুরুত্বপূর্ণ

ইউক্রেন শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার অবস্থান অপরিবর্তিত, ল্যাভরভ-রুবিও বৈঠকের আগে বার্তা ক্রেমলিনের

০৬:১৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরুর আগে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের নিউইয়র্কে সম্ভাব্য বৈঠকের আগে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসার মতো প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। তবে একই সঙ্গে মস্কো শান্তি আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি বলেও জানিয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিপূর্ণ আলোচনার পথে এগিয়ে যাওয়ার মতো কোনো পূর্বশর্ত বা ভিত্তি এখনো তৈরি হয়নি। তবে রাশিয়া শান্তি আলোচনার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগের কথা বলেছেন। মঙ্গলবার তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসতে তিনি প্রস্তুত। তাঁর আশা, যুক্তরাষ্ট্র মস্কোকে আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখবে।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও মধ্যস্থতার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু চলতি বছরের শুরুর দিকে শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়ার পর দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি সমঝোতার সম্ভাবনা আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে রুবিও-ল্যাভরভ বৈঠককে ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পুতিন-ট্রাম্প বৈঠকের সম্ভাবনা

ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন ও ট্রাম্প দুজনই যদি মনে করেন যে সরাসরি বৈঠক প্রয়োজন, তাহলে রুশ প্রেসিডেন্ট ওয়ান-টু-ওয়ান বৈঠকে বসতে প্রস্তুত আছেন।

তবে পুতিনের সঙ্গে জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠকের প্রশ্নে মস্কোর অবস্থান এখনো বদলায়নি। ক্রেমলিনের বক্তব্য অনুযায়ী, জেলেনস্কিকে মস্কোতে গিয়ে বৈঠক করতে হবে এবং তার আগে রাশিয়া যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে, সেগুলো গ্রহণ করতে হবে।

কিয়েভ এই অবস্থান বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে গিয়ে এমন বৈঠকে বসা গ্রহণযোগ্য নয়। বরং কোনো আলোচনা হলে তা নিরপেক্ষ কোনো দেশে আয়োজন করা উচিত।

ফলে দুই পক্ষের মধ্যে শুধু যুদ্ধের অবসান নয়, আলোচনার স্থান, আলোচনার কাঠামো এবং সম্ভাব্য সমঝোতার ভিত্তি নিয়েও বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।US top diplomat Rubio to meet Russian Foreign Minister Lavrov on Wednesday  | Reuters

শীর্ষ বৈঠকের আগে প্রস্তুতি চায় মস্কো

পেসকভ একই সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক আয়োজনের ধারণা নিয়েও সতর্ক অবস্থান প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ভিত্তি তৈরি হওয়ার আগে সরাসরি শীর্ষ বৈঠক আয়োজন করা হলে তা সময় নষ্ট করার শামিল হতে পারে।

অর্থাৎ, মস্কো এখনই পুতিন-জেলেনস্কি বা অন্য কোনো বড় আকারের শীর্ষ সম্মেলনের দিকে যেতে চাইছে না। রাশিয়ার দৃষ্টিতে আগে আলোচনার বিষয়, সম্ভাব্য সমঝোতার কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট শর্তগুলো নিয়ে নিম্ন ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

এতে বোঝা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি নতুন করে রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে চায়, তাহলে শুধু শীর্ষ নেতাদের বৈঠক আয়োজন করাই যথেষ্ট হবে না। মস্কো যে বিষয়গুলোকে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে দেখছে, সেগুলো নিয়েও আগে অগ্রগতি প্রয়োজন হবে।

রুবিও-ল্যাভরভ বৈঠকের তাৎপর্য

এই প্রেক্ষাপটে রুবিও ও ল্যাভরভের সম্ভাব্য বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ, শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা এবং রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভবিষ্যৎ যোগাযোগের পথ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

তবে বৈঠকের আগে ক্রেমলিনের বক্তব্য থেকে অন্তত একটি বিষয় স্পষ্ট—মস্কো এখনো তার মূল অবস্থান থেকে সরে আসেনি। রাশিয়া আলোচনায় বসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না, কিন্তু একই সঙ্গে বলছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি শান্তি আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি হয়নি।

অন্যদিকে কিয়েভ দ্রুত কোনো সমাধানের জন্য শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক চাইলেও রাশিয়ার শর্ত মেনে আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে তাদের অবস্থান ভিন্ন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে দুই পক্ষের অবস্থানের এই ব্যবধান কমানো।

শেষ পর্যন্ত রুবিও-ল্যাভরভ বৈঠক নতুন কোনো আলোচনার দরজা খুলতে পারে কি না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তবে বৈঠকের আগেই ক্রেমলিন যে বার্তা দিয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে—শান্তি আলোচনায় ফেরার ব্যাপারে মস্কো আগ্রহ দেখালেও তার শর্ত ও অবস্থান এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়নি।