১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিক্ষানীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবার বদল ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ’ ম্যাচ, কড়া নিরাপত্তায় আটলান্টা ১৮ শতকের রুটির জাদু, প্রাচীন পদ্ধতিতে নতুন প্রজন্মের মুগ্ধতা হরমুজ প্রণালী নিরাপত্তায় ২০ শতাংশ ফি চাইল যুক্তরাষ্ট্র, তীব্র হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা বৈরিতা: ফুটবলের বাইরে দুই শতকের ইতিহাস, যুদ্ধ ও সম্পর্কের গল্প ভারতে পরীক্ষা সংস্কার ও জবাবদিহির দাবিতে অনশন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সোনম ওয়াংচুকের বার্তা সুপ্রিম কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত, তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ রথযাত্রা উৎসবে বড় ঘোষণা, পশ্চিমবঙ্গে আয়োজকদের ৫ লাখ টাকা করে অনুদান আকাশ ছুঁতে মাটির নিচে শিল্পীর অনন্য যাত্রা, ডেনমার্কে খুলল শততম আলো-আকাশের স্থাপনা মনিপুর সংকট: কুকি-জোদের আলোচনার উদ্যোগে মিজোরামের দ্বারস্থ, শান্তির পথে নতুন চেষ্টা

‘এআই’ কে কি আমরা উন্নতির না ধ্বংসের কাজে লাগাবো

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
  • 150

সারাক্ষণ ডেস্ক

র‌্যান্ড কর্পোরেশন এর প্রেসিডেন্ট জেসন মেথেনি বলেন , এখন ১ লাখ ডলারের চেয়েও কম খরচে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে একটি ভাইরাস ডেভেলপ করা সম্ভব  যা দিয়ে কয়েক মিলিয়ন মানুষকে মেরে ফেলা সম্ভব।

মেথেনি আমাকে বললেন, “একটি প্যাথোজেন তৈরীতে এর চেয়ে বেশী খরচ পড়বেনা যা মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষকে মেরে ফেলতে পারে।”

গবেষণা প্রতিষ্ঠান র‌্যান্ড কর্পোরেশন এর প্রেসিডেন্ট জেসন মেথেনি

তিনি বলেন,অন্যদিকে এর বিরুদ্ধে একটি ভ্যাক্সিন তৈরীতে লাগবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। আমি মেথেনিকে বললাম, ১৯৯৫ সালে আমি টোকিওতে যখন ‘দি টাইমসের’ ব্যুরো চীফ ছিলাম তখন একজন ধর্মীয় গুরু ‘ওম শিংরিকিও’ রাসায়নিক এবং বায়োলজিকাল অস্ত্র ব্যবহার করে টোকিওর সাবওয়েতে সন্ত্রাসী হামলা চালায় এবং তাতে ১৩ জন মানুষ প্রাণ হারায়।

মেথেনি বললেন, বর্তমান সময়ে এধরনের হামলায় আরো বেশী ক্ষয়ক্ষতি হতো। আমি একজন এসপেন স্ট্রাটেজি গ্রুপের আজীবন সদস্য যেটি গ্লোবাল নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে কাজ করে । আমাদের বাৎসরিক মিটিংএ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

এসময়ে মেথেনি এবং অন্য বিশেষজ্ঞরা  আমাদের সাথে উপস্থিত ছিল –কিন্তু তারা আমাদেরকে ভয় দেখিয়েছিল। কয়েক বছর আগে, একটি গবেষণা দল ১ লাখ ডলার খরচ করে ছয়মাসের মধ্যে স্মলপক্স ভাইরাসের কাজিন হর্সপক্স তৈরী করে এবং তিনি বলেন এটি যদি এআই এর সাহায্য নিয়ে করা যেত তাহলে ভাইরাসটিকে আরো বেশী উন্নত এবং সস্তায় তৈরী করা যেত।

একটি কারনে বায়োলজিকাল অস্ত্র ব্যবহার হয়নি কারন এটি বুমেরাং হতে পারে। যদি রাশিয়া ইউক্রেনে একটি ভাইরাসের বিস্তার ঘটায় এটি রাশিয়াতেও ছড়িয়ে পড়বে। কিন্তু একজন চাইনিজ সামরিক জেনারেল  বায়োলজিকাল যুদ্ধের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেননি তিনি বলেছেন, এমন কিছু আসবে যা একটি নির্দিষ্ট এলাকায় নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠিকেই আঘাত করতে পারবে।

বিকল্পভাবে, এমন একটি ভাইরাসের ডেভেলপ করা যায়  যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা কিংবা দূর্বল করে দিতে পারবে। যেমন, একজন ঝামেলাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি  বা একজন রাষ্ট্রদূত। যদি ডিনার কিংবা রিসেপশনের সময় তাদের DNA সংগ্রহ করা যায় তাহলে তাকে হত্যা বা দূর্বল করা সহজ হবে। চায়না সংখ্যালঘুদের লক্ষ করে গবেষণা চালিয়েছে। সেটা হতে পারে, কিন্তু মার্কিন ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট বলছে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এমন একটি দীর্ঘ হুমকি চায়না থেকেই আসছে।

‘এআই’ এর আবার অনেক আশাবাদী দিকও আছে। এটি শিক্ষাকে উন্নত করছে, গাড়ি দূর্ঘটনা কমাচ্ছে, ক্যানসার নিরাময় করছে এবং ঔষধ কোম্পানীগুলোতে অলৌকিক উন্নয়ন ঘটাচ্ছে।

এ্টা নিশ্চিৎ নয় এআই আমাদের বাঁচাবে নাকি আগে মারবে। বিজ্ঞানীরা অনেক বছর ধরে লক্ষ্য    করছেন যে এআই কিভাবে স্বায়ত্বশাসিত ড্রোন এবং রোবট দিয়ে শত্রু পক্ষকে তাৎক্ষনিক খুঁজে নিয়ে ঘায়েল করে  যুদ্ধকে নিয়ন্ত্রণ করে।

যুদ্ধ একসময় হবে রোবটের সাথে রোবটের।  একদিকে রোবোটিক যুদ্ধটা হবে প্রাণহীন কিন্তু সেটি নিশ্চিৎভাবে নৃশংস হবেনা। তারা ধর্ষণ করবেনা এবং মনুষ্য সৈনিকের চেয়ে কম আবেগী হবে। কারন মানুষ প্রচুর ধ্বংসযজ্ঞ ও অত্যাচারী হয়।

একটি বিষয় হলো, এআই আমাকে উদ্বিগ্ন করে তোলে । কারন যখন আমি এর অঙ্গীকার দেখি, অতীতের ২০ বছর আমাদের টেকনোলজির শুধু অত্যাচারের ক্ষমতাই মনে করিয়ে দেয়। স্মার্ট ফোন সত্যিই স্মার্ট কিন্তু এটি যুবকদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারন হয়ে গেছে।

এই মাসে একটি গবেষণা পত্রে দেখা গেছে যে, যে সকল শিশুরা স্মার্ট ফোনের ব্যবহার ছেড়ে দিয়েছে কিংবা কমিয়েছে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের আশ্চর্যজনক উন্নতিম ঘটেছে। স্বৈরাচারীরা নতুন টেকনোলজিতে লাভবান হয়েছে।

নোবেলজয়ী চাইনিজ বিদ্রোহী লিউ জিয়াওবো বলেন,  “ইন্টারনেট হলো চাইনিজদের জন্যে গডের আশির্বাদ।”  লিউ চাইনিজ কাস্টাডিতে মারা গিয়েছে। চায়না তার নাগরিকদের উপরে এআই এর মাধ্যমে  নজরদারী করছে।

বাইডেন প্রশাসন এই বিষয়ে চিন্তা করতে প্রাইভেট সেক্টর থেকে প্রথম শ্রেণীর মানুষকে নিয়োগ দেয়  এবং ‘এআই‘ নিরাপত্তার উপরে গতবছর একটি এক্সিকিউটিভ আদেশ ইস্যু করে। কিন্তু নতুন বছরে  উন্নত শাসন ব্যবস্থার জন্যে নতুন সিস্টেম ডেভেলপ করতে হবে।

 

শিশুদের উপর যৌনহয়রানির ভিডিও আনার ব্যাপারে টেক কোম্পানীগুলো কোনো দায় নিতে চায়না বরং তারা বারবার নিরাপত্তা পায়। আবার কেউই আত্মবিশ্বাস বাড়াতে উৎসাহ দেয়না যাতে এই কোম্পানীগুলো নিজেরাই নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডভাইজার সুসান রাইস বলেন, “ প্রাইভেট সেক্টরে আমাদের কখনোই এমন অবস্থা ছিলনা যা খুবই বিপদজনক এবং প্রভাবান্বিত ছিল।” “এটা হতে পারেনা যে সিলিকন ভ্যালির টেক কোম্পানীগুলো কোনো বাধা ছাড়াই আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশ্বের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।”

আমি মনে করি এটা ঠিক। গরম ছাড়া এআই কে ম্যানেজ করা হবে আমাদের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ কারন আমরা সর্বশেষ প্রজন্মের প্রযুক্তি  ব্যবহার করছি যখন থেকে প্রমিথিউস আমাদের জন্যে আগুন নিয়ে এসেছিলেন। নিউইয়র্ক টাইমস এসব নিয়ে বিশদ পরিসরে আমাদের মতামত  ছাপিয়েছে যাতে এখানে আমরা গঠনমূলক আলোচনা করতে পারি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষানীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবার বদল

‘এআই’ কে কি আমরা উন্নতির না ধ্বংসের কাজে লাগাবো

০৪:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

র‌্যান্ড কর্পোরেশন এর প্রেসিডেন্ট জেসন মেথেনি বলেন , এখন ১ লাখ ডলারের চেয়েও কম খরচে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে একটি ভাইরাস ডেভেলপ করা সম্ভব  যা দিয়ে কয়েক মিলিয়ন মানুষকে মেরে ফেলা সম্ভব।

মেথেনি আমাকে বললেন, “একটি প্যাথোজেন তৈরীতে এর চেয়ে বেশী খরচ পড়বেনা যা মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষকে মেরে ফেলতে পারে।”

গবেষণা প্রতিষ্ঠান র‌্যান্ড কর্পোরেশন এর প্রেসিডেন্ট জেসন মেথেনি

তিনি বলেন,অন্যদিকে এর বিরুদ্ধে একটি ভ্যাক্সিন তৈরীতে লাগবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। আমি মেথেনিকে বললাম, ১৯৯৫ সালে আমি টোকিওতে যখন ‘দি টাইমসের’ ব্যুরো চীফ ছিলাম তখন একজন ধর্মীয় গুরু ‘ওম শিংরিকিও’ রাসায়নিক এবং বায়োলজিকাল অস্ত্র ব্যবহার করে টোকিওর সাবওয়েতে সন্ত্রাসী হামলা চালায় এবং তাতে ১৩ জন মানুষ প্রাণ হারায়।

মেথেনি বললেন, বর্তমান সময়ে এধরনের হামলায় আরো বেশী ক্ষয়ক্ষতি হতো। আমি একজন এসপেন স্ট্রাটেজি গ্রুপের আজীবন সদস্য যেটি গ্লোবাল নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে কাজ করে । আমাদের বাৎসরিক মিটিংএ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।

এসময়ে মেথেনি এবং অন্য বিশেষজ্ঞরা  আমাদের সাথে উপস্থিত ছিল –কিন্তু তারা আমাদেরকে ভয় দেখিয়েছিল। কয়েক বছর আগে, একটি গবেষণা দল ১ লাখ ডলার খরচ করে ছয়মাসের মধ্যে স্মলপক্স ভাইরাসের কাজিন হর্সপক্স তৈরী করে এবং তিনি বলেন এটি যদি এআই এর সাহায্য নিয়ে করা যেত তাহলে ভাইরাসটিকে আরো বেশী উন্নত এবং সস্তায় তৈরী করা যেত।

একটি কারনে বায়োলজিকাল অস্ত্র ব্যবহার হয়নি কারন এটি বুমেরাং হতে পারে। যদি রাশিয়া ইউক্রেনে একটি ভাইরাসের বিস্তার ঘটায় এটি রাশিয়াতেও ছড়িয়ে পড়বে। কিন্তু একজন চাইনিজ সামরিক জেনারেল  বায়োলজিকাল যুদ্ধের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেননি তিনি বলেছেন, এমন কিছু আসবে যা একটি নির্দিষ্ট এলাকায় নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠিকেই আঘাত করতে পারবে।

বিকল্পভাবে, এমন একটি ভাইরাসের ডেভেলপ করা যায়  যা একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা কিংবা দূর্বল করে দিতে পারবে। যেমন, একজন ঝামেলাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি  বা একজন রাষ্ট্রদূত। যদি ডিনার কিংবা রিসেপশনের সময় তাদের DNA সংগ্রহ করা যায় তাহলে তাকে হত্যা বা দূর্বল করা সহজ হবে। চায়না সংখ্যালঘুদের লক্ষ করে গবেষণা চালিয়েছে। সেটা হতে পারে, কিন্তু মার্কিন ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট বলছে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এমন একটি দীর্ঘ হুমকি চায়না থেকেই আসছে।

‘এআই’ এর আবার অনেক আশাবাদী দিকও আছে। এটি শিক্ষাকে উন্নত করছে, গাড়ি দূর্ঘটনা কমাচ্ছে, ক্যানসার নিরাময় করছে এবং ঔষধ কোম্পানীগুলোতে অলৌকিক উন্নয়ন ঘটাচ্ছে।

এ্টা নিশ্চিৎ নয় এআই আমাদের বাঁচাবে নাকি আগে মারবে। বিজ্ঞানীরা অনেক বছর ধরে লক্ষ্য    করছেন যে এআই কিভাবে স্বায়ত্বশাসিত ড্রোন এবং রোবট দিয়ে শত্রু পক্ষকে তাৎক্ষনিক খুঁজে নিয়ে ঘায়েল করে  যুদ্ধকে নিয়ন্ত্রণ করে।

যুদ্ধ একসময় হবে রোবটের সাথে রোবটের।  একদিকে রোবোটিক যুদ্ধটা হবে প্রাণহীন কিন্তু সেটি নিশ্চিৎভাবে নৃশংস হবেনা। তারা ধর্ষণ করবেনা এবং মনুষ্য সৈনিকের চেয়ে কম আবেগী হবে। কারন মানুষ প্রচুর ধ্বংসযজ্ঞ ও অত্যাচারী হয়।

একটি বিষয় হলো, এআই আমাকে উদ্বিগ্ন করে তোলে । কারন যখন আমি এর অঙ্গীকার দেখি, অতীতের ২০ বছর আমাদের টেকনোলজির শুধু অত্যাচারের ক্ষমতাই মনে করিয়ে দেয়। স্মার্ট ফোন সত্যিই স্মার্ট কিন্তু এটি যুবকদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারন হয়ে গেছে।

এই মাসে একটি গবেষণা পত্রে দেখা গেছে যে, যে সকল শিশুরা স্মার্ট ফোনের ব্যবহার ছেড়ে দিয়েছে কিংবা কমিয়েছে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের আশ্চর্যজনক উন্নতিম ঘটেছে। স্বৈরাচারীরা নতুন টেকনোলজিতে লাভবান হয়েছে।

নোবেলজয়ী চাইনিজ বিদ্রোহী লিউ জিয়াওবো বলেন,  “ইন্টারনেট হলো চাইনিজদের জন্যে গডের আশির্বাদ।”  লিউ চাইনিজ কাস্টাডিতে মারা গিয়েছে। চায়না তার নাগরিকদের উপরে এআই এর মাধ্যমে  নজরদারী করছে।

বাইডেন প্রশাসন এই বিষয়ে চিন্তা করতে প্রাইভেট সেক্টর থেকে প্রথম শ্রেণীর মানুষকে নিয়োগ দেয়  এবং ‘এআই‘ নিরাপত্তার উপরে গতবছর একটি এক্সিকিউটিভ আদেশ ইস্যু করে। কিন্তু নতুন বছরে  উন্নত শাসন ব্যবস্থার জন্যে নতুন সিস্টেম ডেভেলপ করতে হবে।

 

শিশুদের উপর যৌনহয়রানির ভিডিও আনার ব্যাপারে টেক কোম্পানীগুলো কোনো দায় নিতে চায়না বরং তারা বারবার নিরাপত্তা পায়। আবার কেউই আত্মবিশ্বাস বাড়াতে উৎসাহ দেয়না যাতে এই কোম্পানীগুলো নিজেরাই নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এডভাইজার সুসান রাইস বলেন, “ প্রাইভেট সেক্টরে আমাদের কখনোই এমন অবস্থা ছিলনা যা খুবই বিপদজনক এবং প্রভাবান্বিত ছিল।” “এটা হতে পারেনা যে সিলিকন ভ্যালির টেক কোম্পানীগুলো কোনো বাধা ছাড়াই আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশ্বের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।”

আমি মনে করি এটা ঠিক। গরম ছাড়া এআই কে ম্যানেজ করা হবে আমাদের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ কারন আমরা সর্বশেষ প্রজন্মের প্রযুক্তি  ব্যবহার করছি যখন থেকে প্রমিথিউস আমাদের জন্যে আগুন নিয়ে এসেছিলেন। নিউইয়র্ক টাইমস এসব নিয়ে বিশদ পরিসরে আমাদের মতামত  ছাপিয়েছে যাতে এখানে আমরা গঠনমূলক আলোচনা করতে পারি।