১০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম ৪ ডলার ছাড়াল, চাপে ভোক্তা অর্থনীতি ইউরোপের ‘গানস বনাম বাটার’ সংকট তীব্রতর, ইরান যুদ্ধ নতুন চাপ তৈরি করেছে জ্বালানি সংকটে আবারও ‘কমিউনিটি প্যান্ট্রি’ আন্দোলন বাংলার ভোটার তালিকা থেকে মীর জাফরের ৩৪৬ বংশধর বাদ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত ফের ঊর্ধ্বমুখী সোনার বাজার: ভরিতে বাড়ল ৩,২৬৬ টাকা, ২২ ক্যারেট এখন ২,৪৪,৭১১ টাকা জ্বালানি সংকটে স্কুলে হাইব্রিড ক্লাস চালুর পরিকল্পনা, ষষ্ঠ দিনও বিবেচনায়: শিক্ষামন্ত্রী আজ মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে অনলাইন আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ঈদযাত্রায় ১৫ দিনে ৩৯৪ জনের মৃত্যু: মোটরসাইকেল সবচেয়ে মরণঘাতী বাহন ৩০ বছরের পুরনো সেতু ধসে সুনামগঞ্জে ৫০ হাজার মানুষ কার্যত বিচ্ছিন্ন

ইশকুল (পর্ব-১১)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
  • 118
আর্কাদি গাইদার

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

সুকুমার কুসুমের মতো তোমরা এখানে লালিত হচ্ছ স্নেহশীল মালাকারের যত্নে- রাখা কাচের ঘরে, জীবনের ঝড়ঝাপ্‌টা, দুঃখ-কষ্ট যে কী তা-ই তোমরা জান না, আন্তে-আন্তে তোমরা ফুটে উঠছ শান্তিতে, আর তাই দেখে তোমাদের শিক্ষকদের চোখ যাচ্ছে জুড়িয়ে। কিন্তু ওরা… জীবনের সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করতে যদি ওরা পারেও, তবু ওরা বেড়ে উঠবে অযত্নে, আগাছার মতো, বাতাসের ঝাপ্‌টা খেয়ে- খেয়ে, পথের পাশের ধুলোর সঙ্গে মিশে।’
ভবিষ্যদ্‌বক্তার ঐশ্বরিক মহিমা আর জ্যোতি ছড়াতে-ছড়াতে ফাদার গেন্নাদি যখন ক্লাস ছেড়ে ধীর পায়ে চলে গেলেন, দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে আমি তখন ভাবনায় ডুবে গেলুম।
বললুম, ‘ফেদুকা!’ ‘উ’?’
‘স্বাভাবিক গুণের বিকাশ সম্বন্ধে তোর কী মনে হয় রে?’
‘কিছু না। তোর?’
‘আমার?’
এক মুহূর্ত আমতা-আমতা করে শেষে নিচু গলায় বললুম:
‘আমার কথা যদি বলিস ফেদ্‌কা, আমিও গুণগুলোকে পাথর-চাপ্য দিয়ে রাখতে চাই। ব্যবসাদার কিংবা সরকারী কর্মচারী হয়ে লাভ কী?’
অল্প একটুক্ষণ চুপ করে থেকে ফেকাও স্বীকার করল, ‘জানিস, আমিও তাই করতুম রে। কাচের ঘরের ফুল হয়ে বেড়ে উঠে কী হবে? এক দলা থুে ফেললেই তো সে ফুল ঘাড় লটকে পড়বে। আগাছা, আর যাই হোক, বেশ পোক্ত জিনিস- অন্তত রোদবিষ্টি সহ্য করতে পারে তারা।’
জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম ৪ ডলার ছাড়াল, চাপে ভোক্তা অর্থনীতি

ইশকুল (পর্ব-১১)

০৮:০০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
আর্কাদি গাইদার

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

সুকুমার কুসুমের মতো তোমরা এখানে লালিত হচ্ছ স্নেহশীল মালাকারের যত্নে- রাখা কাচের ঘরে, জীবনের ঝড়ঝাপ্‌টা, দুঃখ-কষ্ট যে কী তা-ই তোমরা জান না, আন্তে-আন্তে তোমরা ফুটে উঠছ শান্তিতে, আর তাই দেখে তোমাদের শিক্ষকদের চোখ যাচ্ছে জুড়িয়ে। কিন্তু ওরা… জীবনের সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করতে যদি ওরা পারেও, তবু ওরা বেড়ে উঠবে অযত্নে, আগাছার মতো, বাতাসের ঝাপ্‌টা খেয়ে- খেয়ে, পথের পাশের ধুলোর সঙ্গে মিশে।’
ভবিষ্যদ্‌বক্তার ঐশ্বরিক মহিমা আর জ্যোতি ছড়াতে-ছড়াতে ফাদার গেন্নাদি যখন ক্লাস ছেড়ে ধীর পায়ে চলে গেলেন, দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে আমি তখন ভাবনায় ডুবে গেলুম।
বললুম, ‘ফেদুকা!’ ‘উ’?’
‘স্বাভাবিক গুণের বিকাশ সম্বন্ধে তোর কী মনে হয় রে?’
‘কিছু না। তোর?’
‘আমার?’
এক মুহূর্ত আমতা-আমতা করে শেষে নিচু গলায় বললুম:
‘আমার কথা যদি বলিস ফেদ্‌কা, আমিও গুণগুলোকে পাথর-চাপ্য দিয়ে রাখতে চাই। ব্যবসাদার কিংবা সরকারী কর্মচারী হয়ে লাভ কী?’
অল্প একটুক্ষণ চুপ করে থেকে ফেকাও স্বীকার করল, ‘জানিস, আমিও তাই করতুম রে। কাচের ঘরের ফুল হয়ে বেড়ে উঠে কী হবে? এক দলা থুে ফেললেই তো সে ফুল ঘাড় লটকে পড়বে। আগাছা, আর যাই হোক, বেশ পোক্ত জিনিস- অন্তত রোদবিষ্টি সহ্য করতে পারে তারা।’