০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
মাদকবিরোধী লড়াইয়ে গ্রেপ্তারই কি শেষ কথা? সাগরে ১৬ ঘণ্টা ভেসে থাকার পর বাবা ও দুই ছেলেকে জীবিত উদ্ধার ব্রিটিশ ব্যবসার নীরবতা: রাজনীতিতে কথা না বলার খেসারত দিচ্ছে ব্যবসায়ীরা মোগাদিশুতে ফিরছে স্বস্তি, তবে শান্তির আড়ালে রয়ে গেছে বড় শঙ্কা জাম্বিয়ার তামার সমৃদ্ধি, কিন্তু মানুষের ঘরে স্বস্তি কোথায়? মক্কা চুক্তি: সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোটে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২৬৫ মৃত্যু, উদ্ধার তৎপরতায় বৈষম্যের অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ইসলামের পতন, তবু শেষ হয়ে যায়নি মুসলিম ব্রাদারহুড ইউরোপকে এক করার অদৃশ্য কারিগর কারা? লেবার ও ব্যবসা: অ্যান্ডি বার্নহামের সামনে সম্পর্ক মেরামতের নতুন সুযোগ

ইশকুল (পর্ব-১১)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
  • 155
আর্কাদি গাইদার

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

সুকুমার কুসুমের মতো তোমরা এখানে লালিত হচ্ছ স্নেহশীল মালাকারের যত্নে- রাখা কাচের ঘরে, জীবনের ঝড়ঝাপ্‌টা, দুঃখ-কষ্ট যে কী তা-ই তোমরা জান না, আন্তে-আন্তে তোমরা ফুটে উঠছ শান্তিতে, আর তাই দেখে তোমাদের শিক্ষকদের চোখ যাচ্ছে জুড়িয়ে। কিন্তু ওরা… জীবনের সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করতে যদি ওরা পারেও, তবু ওরা বেড়ে উঠবে অযত্নে, আগাছার মতো, বাতাসের ঝাপ্‌টা খেয়ে- খেয়ে, পথের পাশের ধুলোর সঙ্গে মিশে।’
ভবিষ্যদ্‌বক্তার ঐশ্বরিক মহিমা আর জ্যোতি ছড়াতে-ছড়াতে ফাদার গেন্নাদি যখন ক্লাস ছেড়ে ধীর পায়ে চলে গেলেন, দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে আমি তখন ভাবনায় ডুবে গেলুম।
বললুম, ‘ফেদুকা!’ ‘উ’?’
‘স্বাভাবিক গুণের বিকাশ সম্বন্ধে তোর কী মনে হয় রে?’
‘কিছু না। তোর?’
‘আমার?’
এক মুহূর্ত আমতা-আমতা করে শেষে নিচু গলায় বললুম:
‘আমার কথা যদি বলিস ফেদ্‌কা, আমিও গুণগুলোকে পাথর-চাপ্য দিয়ে রাখতে চাই। ব্যবসাদার কিংবা সরকারী কর্মচারী হয়ে লাভ কী?’
অল্প একটুক্ষণ চুপ করে থেকে ফেকাও স্বীকার করল, ‘জানিস, আমিও তাই করতুম রে। কাচের ঘরের ফুল হয়ে বেড়ে উঠে কী হবে? এক দলা থুে ফেললেই তো সে ফুল ঘাড় লটকে পড়বে। আগাছা, আর যাই হোক, বেশ পোক্ত জিনিস- অন্তত রোদবিষ্টি সহ্য করতে পারে তারা।’
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকবিরোধী লড়াইয়ে গ্রেপ্তারই কি শেষ কথা?

ইশকুল (পর্ব-১১)

০৮:০০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
আর্কাদি গাইদার

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

সুকুমার কুসুমের মতো তোমরা এখানে লালিত হচ্ছ স্নেহশীল মালাকারের যত্নে- রাখা কাচের ঘরে, জীবনের ঝড়ঝাপ্‌টা, দুঃখ-কষ্ট যে কী তা-ই তোমরা জান না, আন্তে-আন্তে তোমরা ফুটে উঠছ শান্তিতে, আর তাই দেখে তোমাদের শিক্ষকদের চোখ যাচ্ছে জুড়িয়ে। কিন্তু ওরা… জীবনের সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করতে যদি ওরা পারেও, তবু ওরা বেড়ে উঠবে অযত্নে, আগাছার মতো, বাতাসের ঝাপ্‌টা খেয়ে- খেয়ে, পথের পাশের ধুলোর সঙ্গে মিশে।’
ভবিষ্যদ্‌বক্তার ঐশ্বরিক মহিমা আর জ্যোতি ছড়াতে-ছড়াতে ফাদার গেন্নাদি যখন ক্লাস ছেড়ে ধীর পায়ে চলে গেলেন, দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে আমি তখন ভাবনায় ডুবে গেলুম।
বললুম, ‘ফেদুকা!’ ‘উ’?’
‘স্বাভাবিক গুণের বিকাশ সম্বন্ধে তোর কী মনে হয় রে?’
‘কিছু না। তোর?’
‘আমার?’
এক মুহূর্ত আমতা-আমতা করে শেষে নিচু গলায় বললুম:
‘আমার কথা যদি বলিস ফেদ্‌কা, আমিও গুণগুলোকে পাথর-চাপ্য দিয়ে রাখতে চাই। ব্যবসাদার কিংবা সরকারী কর্মচারী হয়ে লাভ কী?’
অল্প একটুক্ষণ চুপ করে থেকে ফেকাও স্বীকার করল, ‘জানিস, আমিও তাই করতুম রে। কাচের ঘরের ফুল হয়ে বেড়ে উঠে কী হবে? এক দলা থুে ফেললেই তো সে ফুল ঘাড় লটকে পড়বে। আগাছা, আর যাই হোক, বেশ পোক্ত জিনিস- অন্তত রোদবিষ্টি সহ্য করতে পারে তারা।’